📅 ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএসের রূঢ় আচরণে সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীদের বিরক্তি: ‘সম্মানহীনতা ও বাধা’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএসের রূঢ় আচরণে সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীদের বিরক্তি: ‘সম্মানহীনতা ও বাধা’

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের ব্যক্তিগত সহকারী মুহাম্মদ রাশেদ কাজীর বিরুদ্ধে সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীদের অসৌজন্য আচরণের অভিযোগ উঠেছে। সাক্ষাতের সময়সূচি নিতে অসহযোগিতা, দলীয় পরিচয় ছাড়া বাধা দেওয়া এবং শিক্ষার্থীদের প্রতি অমানবিক আচরণের অভিযোগ রয়েছে। উপাচার্য ড. মো. রইছ উদ্দীন অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বলেছেন, ‘আমি বিষয়টি দেখব’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) উপাচার্যের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) মুহাম্মদ রাশেদ কাজীর বিরুদ্ধে সাংবাদিক, শিক্ষার্থী এবং সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের অসৌজন্য আচরণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাত বা প্রশাসনিক যোগাযোগে পিএসের অসহযোগিতা এবং দলীয় পরিচয় ছাড়া শিক্ষার্থীদের বাধা দেওয়া হচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 জবি উপাচার্যের পিএস মুহাম্মদ রাশেদ কাজী সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসহযোগিতা ও অসৌজন্য আচরণ করছেন বলে অভিযোগ
  • 📌 সাক্ষাতের সময়সূচি নিতে গিয়ে পাঁচ থেকে সাত দিন পরের সিডিউল দেওয়া হয়, এমনকি নির্ধারিত সময়ে সাক্ষাত না পাওয়ার ঘটনা ঘটেছে
  • 📌 দলীয় পরিচয় ছাড়া শিক্ষার্থীদের উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ না দেওয়া, অন্যদের অপেক্ষা ছাড়াই সাক্ষাতের সুযোগ পাওয়ার অভিযোগ
  • 📌 ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী বলেছেন, পিএস ‘ভিসির দপ্তর’ বলে শিক্ষার্থীদের অমানবিক আচরণ করেছেন
  • 📌 জকসু প্রতিনিধিরাও অভিযোগ করেছেন, পিএসের অসহযোগিতা ও রূঢ় আচরণের মুখে পড়ছেন
  • 📌 উপাচার্য ড. মো. রইছ উদ্দীন অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বলেছেন, ‘আমি বিষয়টি দেখব’
  • 📌 পিএস মুহাম্মদ রাশেদ কাজী অভিযোগের বিষয়ে কোনো মন্তব্য দেননি

📰 বিস্তারিত

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের ব্যক্তিগত সহকারী মুহাম্মদ রাশেদ কাজীর বিরুদ্ধে সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীদের অসৌজন্য আচরণের অভিযোগ উঠেছে। সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাত বা প্রশাসনিক যোগাযোগের জন্য পিএসের মাধ্যমে সময় নিতে হয়। এতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দ্রুত সাক্ষাত বা বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয় না। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক সাংবাদিক বলেছেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দ্রুত উপাচার্যের বক্তব্য প্রয়োজন হলেও পিএসের মাধ্যমে সময় নিতে গিয়ে বিলম্ব হয়। এতে সময়মতো সংবাদ প্রকাশ করা কঠিন হয়ে পড়ে’।

অভিযোগে বলা হয়েছে, সাক্ষাতের সময়সূচি নিতে গিয়ে পাঁচ থেকে সাত দিন পরের সিডিউল দেওয়া হয়। এমনকি নির্ধারিত সময়ে অপেক্ষা করেও সাক্ষাত না পাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দলীয় পরিচয় ছাড়া তাদের উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ না দেওয়া হলেও অন্য শিক্ষার্থীদের অপেক্ষা ছাড়াই সাক্ষাতের সুযোগ পেয়েছে।

ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলের কর্মী বলেছেন, ‘আমাদের ভিসি স্যার যতটুকু মানবিক এবং শিক্ষার্থীবান্ধব, তাঁর পিএস জনাব রাশেদের আচরণ ততোটাই উগ্র। তিনি কেন জানি কাউকে ন্যূনতম সম্মান দেন না। ভিসি স্যার এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে তিনি দূরত্ব সৃষ্টি করতেছেন প্রতিনিয়ত। একদিন তিনি সবার সামনে আমাকে হেয় করে বলেন, ‘এটা ভিসির দপ্তর! ইসলামিক স্টাডিজ ডিপার্টমেন্টের অফিস না’। এ ধরণের কথা তিনি বলার অধিকার রাখেন?’

জকসু প্রতিনিধিরাও অভিযোগ করেছেন, সাক্ষাতের সময়সূচি নিতে গিয়ে অসহযোগিতা ও রূঢ় আচরণের মুখে পড়ছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে জকসুর হল সংসদের সম্পাদক ফাতেমা তুজ জোহরা বলেছেন, ‘ভিসির সাক্ষাতের সময়সূচি নিতে গিয়ে জকসু প্রতিনিধিদের অসহযোগিতা ও রূঢ় আচরণের মুখে পড়তে হচ্ছে। অথচ দলীয় পরিচয়ে পরিচিত কেউ গেলে অপেক্ষা ছাড়াই সাক্ষাতের সুযোগ পান’।

উপাচার্য ড. মো. রইছ উদ্দীন অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বলেছেন, ‘এ বিষয়ে আমি কোনো অভিযোগ পাইনি। আপনার কাছ থেকেই মাত্র শুনলাম। এখন বিষয়টি আমার নলেজে এসেছে। আমি বিষয়টি দেখব’। পিএস মুহাম্মদ রাশেদ কাজী অভিযোগের বিষয়ে কোনো মন্তব্য দেননি।

"আমাদের ভিসি স্যার যতটুকু মানবিক এবং শিক্ষার্থীবান্ধব, তাঁর পিএস জনাব রাশেদের আচরণ ততোটাই উগ্র। তিনি কেন জানি কাউকে ন্যূনতম সম্মান দেন না। ভিসি স্যার এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে তিনি দূরত্ব সৃষ্টি করতেছেন প্রতিনিয়ত।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: মুহাম্মদ রাশেদ কাজী (পিএস), ড. মো. রইছ উদ্দীন (উপাচার্য), ফাতেমা তুজ জোহরা (জকসু প্রতিনিধি)
  • 📌 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ (মাদারীপুর-৩ আসন)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖