📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:০৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনৈতিক সহাবস্থানের জন্য ‘কোড অব কন্ডাক্ট’ প্রণয়নের উদ্যোগ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনৈতিক সহাবস্থানের জন্য ‘কোড অব কন্ডাক্ট’ প্রণয়নের উদ্যোগ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে সংঘটিত সংঘর্ষের পরিপ্রেক্ষিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনৈতিক সহাবস্থান নিশ্চিত করতে ‘কোড অব কন্ডাক্ট’ প্রণয়নের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষার্থী সংগঠনগুলো মিলে ১৫ দফা প্রস্তাব উপস্থাপন করেছে

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) রাজনৈতিক সহাবস্থান ও শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে ‘কোড অব কন্ডাক্ট’ প্রণয়নের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. রইছ উদ্দীনের সভাপতিত্বে আয়োজিত এক সমঝোতা সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে ৪ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষের পরিপ্রেক্ষিতে সমঝোতা সভা অনুষ্ঠিত
  • 📌 জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) পক্ষ থেকে ১৫ দফা প্রস্তাব উপস্থাপন
  • 📌 শিক্ষার্থীদের জন্য সর্বজনীন ‘কোড অব কন্ডাক্ট’ প্রণয়নের সিদ্ধান্ত
  • 📌 উপাচার্যের বক্তব্য: ‘মত ও সংগঠন যার যার, জবি পরিবার আমার, সবার’
  • 📌 ৪ আগস্ট দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সংঘর্ষে জকসু ও ছাত্রশক্তির অন্তত ৫০ জন আহত

📰 বিস্তারিত

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে ৪ আগস্ট জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষার্থী সংগঠনগুলো মিলে একটি সমঝোতা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. রইছ উদ্দীনের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ সভায় অংশগ্রহণকারীরা পারস্পরিক সহাবস্থান ও সহনশীল আচরণের মাধ্যমে ক্যাম্পাসে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার ব্যাপারে ঐকমত্য প্রকাশ করেন।

সভা থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে সক্রিয় ছাত্রসংগঠনগুলোর শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে ১৫ দফা প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। এসব প্রস্তাবের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি সর্বজনীন ‘কোড অব কন্ডাক্ট’ প্রণয়নের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। উপাচার্য অধ্যাপক মো. রইছ উদ্দীন জানান, জকসু সভাপতির উপস্থাপিত প্রস্তাবনার ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট সবার মতামত নিয়ে একটি সমন্বিত ‘কোড অব কন্ডাক্ট’ তৈরি করা হবে।

সভা শেষে উপাচার্য বলেন, ‘মত ও সংগঠন যার যার, জবি পরিবার আমার, সবার’—এই চেতনা ধারণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব সংগঠনকে সৌহার্দ্য, সহনশীলতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, মত ও পথের ভিন্নতা গণতান্ত্রিক পরিবেশের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য হলেও ব্যক্তিগত আক্রমণ বা অশালীন ভাষা গ্রহণযোগ্য নয়।

‘মত ও সংগঠন যার যার, জবি পরিবার আমার, সবার’—এই চেতনা ধারণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব সংগঠনকে সৌহার্দ্য, সহনশীলতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক মো. রইছ উদ্দীন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ দফা প্রস্তাব, ৫০ জন আহত

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖