📅 ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৭:০৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জাবির আনন্দশালা: ১৭ বছর পরও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের কল্যাণে অগ্রণী ভূমিকা

জাবির আনন্দশালা: ১৭ বছর পরও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের কল্যাণে অগ্রণী ভূমিকা

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের বিকাশ কেন্দ্র আনন্দশালা ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেছে। উপাচার্য ড. নূরুল ইসলাম সরকারের সামাজিক সুরক্ষা নীতির প্রতি জোর দেন এবং প্রতিষ্ঠানটির উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতিশ্রুতি জানান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের বিকাশ কেন্দ্র আনন্দশালা ২৮ অক্টোবর ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেছে। বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় আনন্দশালা প্রাঙ্গণে সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভায় এই দিবসটি উদযাপিত হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 জাবির আনন্দশালা ২০০৯ সালে চারজন শিক্ষার্থী নিয়ে যাত্রা শুরু করে, বর্তমানে ২৫ জন শিক্ষার্থী ও ছয়জন শিক্ষক রয়েছে
  • 📌 উপাচার্য ড. মো. নূরুল ইসলাম বলেন, সরকারের সামাজিক সুরক্ষা নীতির আলোকে বিশ্ববিদ্যালয় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের কল্যাণে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে
  • 📌 ঢাকা জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ আনন্দশালার সার্বিক কল্যাণে সহযোগিতার আশ্বাস দেন
  • 📌 অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) ড. শামছুল আলম, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ড. নজরুল ইসলামসহ আনন্দশালা পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা

📰 বিস্তারিত

জাবির আনন্দশালা ২৮ অক্টোবর ২০০৯ সালে চারজন শিক্ষার্থী নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে এটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে একমাত্র বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য প্রতিষ্ঠিত স্কুল। অনুষ্ঠানে উপাচার্য ড. মো. নূরুল ইসলাম বলেন, 'উন্নত বিশ্বে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হয়। বর্তমান সরকারও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।'

তিনি আরও বলেন, "সরকার অনুসৃত নীতির আলোকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের কল্যাণ ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসন সর্বাত্মকভাবে কাজ করবে।" উপাচার্য আনন্দশালার শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্রতি শুভকামনা জানান এবং প্রতিষ্ঠানটির উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

ঢাকা জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ উপস্থিত ছিলেন এবং আনন্দশালার সার্বিক কল্যাণে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। অনুষ্ঠানে উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মো. শামছুল আলম, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহম্মদ নজরুল ইসলাম, আনন্দশালা স্কুলের পরিচালক (অনারারি) অধ্যাপক ড. রুমানা রইছ, আইবিএ-জেইউর পরিচালক অধ্যাপক ড. আইরীন আক্তারসহ অন্যান্য শিক্ষক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

"সরকার অনুসৃত নীতির আলোকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের কল্যাণ ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসন সর্বাত্মকভাবে কাজ করবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: উপাচার্য ড. মো. নূরুল ইসলাম, প্রশাসক মো. ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ বছর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, ২৫ জন শিক্ষার্থী, ৬ জন শিক্ষক

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖