📌 ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগে বিধিমালা লঙ্ঘন করে নতুন সভাপতি নিয়োগ দেওয়ায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন বিভাগটির শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। বিভাগের যোগ্য শিক্ষক থাকা সত্ত্বেও ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিনকে সভাপতি নিয়োগ দেওয়ায় আন্দোলন শুরু করেছেন তারা।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) মার্কেটিং বিভাগে বিধিমালা লঙ্ঘন করে নতুন সভাপতি নিয়োগ দেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন বিভাগটির শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। বিভাগটির বর্তমান সভাপতির মেয়াদ শেষ হওয়ায় ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আব্দুস শহীদ মিয়াকে নতুন সভাপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে বিভাগটিতে একাধিক যোগ্য শিক্ষক থাকলেও তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইবির মার্কেটিং বিভাগে বিধিমালা লঙ্ঘন করে নতুন সভাপতি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে
- 📌 বিভাগটির বর্তমান সভাপতির মেয়াদ শেষ হওয়ায় ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে
- 📌 বিভাগটিতে ৫ জন শিক্ষক রয়েছেন, যাদের মধ্য থেকে একজনকে নিয়োগ দেওয়ার কথা ছিল
- 📌 শিক্ষার্থীরা ব্যবসায় প্রশাসন ভবনে তালা ঝুলিয়ে আন্দোলন শুরু করেছেন
- 📌 নিয়মানুযায়ী বিভাগের সিনিয়র শিক্ষকদের মধ্য থেকে সভাপতি নিয়োগ দেওয়ার কথা ছিল
📰 বিস্তারিত
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগে বিধিমালা লঙ্ঘন করে নতুন সভাপতি নিয়োগ দেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন বিভাগটির শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। বিভাগটির বর্তমান সভাপতির মেয়াদ গত ১৭ আগস্ট শেষ হওয়ায় ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আব্দুস শহীদ মিয়াকে নতুন সভাপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে বিভাগটিতে একাধিক যোগ্য শিক্ষক থাকলেও তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি নিয়োগ বিধিমালা অনুযায়ী, একটি বিভাগে সর্বোচ্চ ক্যাটাগরিতে কর্মরত শিক্ষকদের মধ্য থেকে সবচেয়ে সিনিয়র শিক্ষককে সভাপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে। পরবর্তীতে রোটেশন পদ্ধতিতে নিয়োগ হবে। বিভাগে সভাপতি হওয়ার যোগ্য কোনো শিক্ষক না থাকলে বর্তমান সভাপতিকে পুনরায় নিয়োগ দেওয়া হবে। তবে বিধিমালা লঙ্ঘন করে বিভাগটির নতুন সভাপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিনকে, যিনি মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষকও নন।
এদিকে মঙ্গলবার সকাল ৯টায় নিজ বিভাগ থেকে সভাপতি নিয়োগের দাবিতে ব্যবসায় প্রশাসন ভবনে তালা ঝুলিয়ে আন্দোলন শুরু করেছেন শিক্ষার্থীরা। বিভাগটির শিক্ষার্থী শুভ মিয়া বলেন, ‘বিভাগটি অল্প শিক্ষক দিয়েই সেশনজটবিহীন সুন্দরভাবে এতোদিন চলছে। বিভাগে সভাপতি হওয়ার মতো সিনিয়র শিক্ষক থাকা সত্ত্বেও ডিনকে নিয়োগ দেওয়া সম্পূর্ণ অযৌক্তিক।’
‘আমরা চাই আমাদের বিভাগের শিক্ষকদেরই সভাপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হোক। অন্য বিভাগ থেকে সভাপতি হলে সেশনজট তৈরি হতে পারে।’ — শুভ মিয়া, শিক্ষার্থী
এ বিষয়ে রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক বলেন, ‘নিয়মানুযায়ী বিভাগের পরবর্তী সিনিয়রকেই সভাপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তবে এই বিষয়টি সম্পর্কে আমি বলতে পারবো না। উপাচার্য যেভাবে আদেশ দিয়েছেন আমি সেভাবেই চিঠি সই করেছি।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. আব্দুস শহীদ মিয়া (সভাপতি), ড. মনজুরুল হক (রেজিস্ট্রার), শুভ মিয়া (শিক্ষার্থী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ জন শিক্ষক, ১৭ আগস্ট, ১৮ আগস্ট, সকাল ৯টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!