📌 ৬৪তম শিক্ষা দিবস উপলক্ষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ইউনিয়ন স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধাঞ্জলি দিয়েছে। নেতাকর্মীরা শিক্ষাকে অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়ে ১৯৬২ সালের ঐতিহাসিক আন্দোলনের স্মৃতি স্মরণ করলেন
৬৪তম শিক্ষা দিবস উপলক্ষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ছাত্র ইউনিয়ন স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধাঞ্জলি দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টায় সংগঠনের নেতাকর্মীরা শিক্ষা অধিকার রক্ষার জন্য শহীদদের স্মৃতি শ্রদ্ধা জানান। এই অনুষ্ঠানে সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ সবুজ, দপ্তর সম্পাদক মেহেদী হাসান মিরাজ, শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মোফাজ্জেল হোসাইন বরকত, সমাজকল্যাণ ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল আলিম সৌরভসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৬৪তম শিক্ষা দিবস উপলক্ষে ইবি ছাত্র ইউনিয়ন স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধাঞ্জলি দিয়েছে
- 📌 সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ সবুজ বলেছেন, স্বৈরশাসক আইয়ূব খান শিক্ষাকে পণ্য হিসেবে পরিণত করেছিলেন
- 📌 ১৯৬২ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ছাত্র আন্দোলনে শহীদ হন ওয়াজিউল্লাহ, গোলাম মোস্তফা, বাবুল ও সুন্দর আলীসহ অনেকে
- 📌 ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান ও ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের ভিত্তি রচনা করেছিল এই আন্দোলন
- 📌 শিক্ষাকে অসাম্প্রদায়িক ও গবেষণামূলক করতে প্রশাসনের প্রতি দাবি জানানো হয়েছে
📰 বিস্তারিত
স্মৃতিস্তম্ভে অনুষ্ঠিত শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠানে সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ সবুজ বলেন, স্বৈরশাসক আইয়ূব খান ক্ষমতায় আসার পর থেকে মানুষের মৌলিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার হরণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি ১৯৫৯ সালে ‘শরিফ শিক্ষা কমিশন’ গঠন করে শিক্ষাকে লাভজনক পণ্যে পরিণত করেছিলেন। এর মাধ্যমে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত শ্রেণীর শিক্ষার অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল।
১৯৬২ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ছাত্র ইউনিয়নের নেতৃত্বে শরিফ শিক্ষা কমিশনের সিদ্ধান্ত বাতিলের জন্য আন্দোলন শুরু হয়। পুলিশের গুলিতে শহীদ হন ওয়াজিউল্লাহ, গোলাম মোস্তফা, বাবুল, সুন্দর আলীসহ অনেকে। এই প্রতিবাদই ছিল স্বৈরশাসক আইয়ূব খানের বিরুদ্ধে প্রথম আঘাত। এই আন্দোলন পরবর্তীতে ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান ও ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের ভিত্তি রচনা করেছিল।
মোহাম্মদ সবুজ আরও বলেন, ‘ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইসলামিক স্টাডিজ’ কোর্স সব ধর্মের শিক্ষার্থীদের জন্য বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানানো হয়েছে। শিক্ষাকে অসাম্প্রদায়িক, গবেষণামূলক ও বাস্তবমুখী করতে প্রশাসনের প্রতি কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।’
"শিক্ষা কোনো পণ্য নয়, শিক্ষা মানুষের অধিকার। স্বৈরশাসক আইয়ূব খান শিক্ষাকে পণ্য হিসেবে পরিণত করার চেষ্টা করেছিল। ১৯৬২ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ছাত্র আন্দোলনে শহীদদের স্মৃতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাদের দাবি পূরণের জন্য আমরা আন্দোলন করবো"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, স্মৃতিস্তম্ভ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ সবুজ (সাংগঠনিক সম্পাদক), ওয়াজিউল্লাহ, গোলাম মোস্তফা, বাবুল, সুন্দর আলী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৪ (শিক্ষা দিবস), ১৭ (সেপ্টেম্বর), ১৯৬২ (আন্দোলনের বছর), ৬৯ (গণঅভ্যুত্থান), ৭১ (মুক্তিযুদ্ধ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!