📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদ ও মার্কিন দূতাবাসের যৌথ উদ্যোগে ১৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত ইউএস কনস্টিটিউশন ডে অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান ও মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিসটেনসন বক্তব্য দেন। সংবিধানের ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের তুলনামূলক সাংবিধানিক আলোচনার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদ ও মার্কিন দূতাবাসের যৌথ উদ্যোগে ১৭ সেপ্টেম্বর নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের মিলনায়তনে ‘ইউএস কনস্টিটিউশন ডে’ উদযাপিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান এবং গেস্ট অব অনার হিসেবে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিসটেনসন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৭ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদ ও মার্কিন দূতাবাসের যৌথ উদ্যোগে ‘ইউএস কনস্টিটিউশন ডে’ উদযাপিত হয় নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের মিলনায়তনে।
- 📌 অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকরামুল হক।
- 📌 আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের নীতিগুলোকে প্রতিষ্ঠিত করেছে এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশের সাংবিধানিক কাঠামোকে প্রভাবিত করেছে।
- 📌 মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিসটেনসন বলেন, ১৭৮৭ সালে ফিলাডেলফিয়ায় প্রণীত সংবিধানে ‘উই দ্যা পিপল’ বাক্যটি গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি স্থাপন করেছে।
- 📌 অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের সাংবিধানিক তুলনামূলক আলোচনার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়, বিশেষ করে বিচারিক পর্যালোচনা ও ক্ষমতার পৃথকীকরণ বিষয়ে।
📰 বিস্তারিত
১৭ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদ ও মার্কিন দূতাবাসের যৌথ উদ্যোগে ‘ইউএস কনস্টিটিউশন ডে’ উদযাপিত হয়। অনুষ্ঠানটি নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও আইনের শাসনের নীতিগুলোকে প্রতিষ্ঠিত করেছে এবং পরবর্তীকালে বিশ্বের অন্যান্য দেশের সাংবিধানিক কাঠামো ও আইনি ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করেছে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিসটেনসন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান ‘উই দ্যা পিপল’ বাক্যে শুরু হয়েছে, যা ১৭৮৭ সালের ফিলাডেলফিয়ায় সংবিধান প্রণয়নের সময় প্রতিনিধিদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার প্রতীক। তিনি বলেন, সংবিধানে ক্ষমতার পৃথকীকরণ ও পারস্পরিক নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করা হয়েছে যাতে কোনো একক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ ক্ষমতা দখল করতে না পারে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকরামুল হক। তিনি বলেন, এই ধরনের অনুষ্ঠান শিক্ষার্থী, আইনজীবী ও গবেষকদের জন্য সাংবিধানিক ধারণাগুলো আরও গভীরভাবে অনুধাবনের সুযোগ সৃষ্টি করে।
"যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও আইনের শাসনের গুরুত্বপূর্ণ নীতিগুলোকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছে। বাংলাদেশের সংবিধানের সঙ্গে তুলনামূলক আলোচনা করা যেতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন, মিলনায়তন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিসটেনসন, অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, ড. মোহাম্মদ ইকরামুল হক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!