📌 রাজশাহীতে এইচএসসি পরীক্ষার্থী মেহেদী হাসানকে টাকার বিনিময়ে খাতায় নম্বর পরিবর্তন করার অভিযোগে ইংরেজি প্রভাষক সেকেন্দার আলীকে জড়িত পাওয়া গেছে। শিক্ষক মোবাইল নম্বর থেকে পরীক্ষার্থীকে ডেকে ২৫ নম্বর থেকে ৫০ নম্বর করে দিয়েছিলেন
রাজশাহীতে এইচএসসি পরীক্ষার্থীকে টাকার বিনিময়ে খাতায় নম্বর পরিবর্তন করার অভিযোগে ইংরেজি প্রভাষক সেকেন্দার আলীকে জড়িত পাওয়া গেছে। মোবাইল নম্বর থেকে শিক্ষার্থীকে ডেকে টাকার বিনিময়ে খাতায় নম্বর পরিবর্তন করার ঘটনা প্রকাশ পেয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাজশাহীর হাজী জমির উদ্দীন সাফিনা মহিলা ডিগ্রি কলেজের ইংরেজি প্রভাষক সেকেন্দার আলীকে এইচএসসি পরীক্ষার্থী মেহেদী হাসানের খাতায় নম্বর পরিবর্তন করার অভিযোগে জড়িত পাওয়া গেছে।
- 📌 পরীক্ষার্থী মেহেদী হাসানের খাতায় ২৫ নম্বর ছিল, টাকার বিনিময়ে সেকেন্দার আলী ৫০ নম্বর করে দিয়েছিলেন।
- 📌 মেহেদী হাসান ও তার পাঁচজন বন্ধুকে মোটরসাইকেলে নিয়ে সেকেন্দার আলীর বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে খাতায় নম্বর পরিবর্তন করা হয়।
- 📌 সেকেন্দার আলী মেহেদীকে বলেছিলেন, ‘একজন ভিক্ষুকের কাছেও ২-১০-২০ হাজার টাকা থাকে’।
- 📌 মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন নম্বর রাজশাহী-হ ১৫-২৪০৫। বর্তমানে মোটরসাইকেলের মালিক রফিকুল ইসলাম সেন্টু, যিনি সেকেন্দার আলীর আত্মীয়।
- 📌 সেকেন্দার আলী অভিযোগ অস্বীকার করেছেন, কিন্তু ফোন কল রেকর্ড ও ছবি দেখিয়ে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে।
- 📌 কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এনামুল হক মণ্ডল জানান, তিনি সেকেন্দার আলীর এই কাজের কথা জানেন না।
- 📌 রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. শামীম আরা চৌধুরী বলেছেন, এটা খুবই ভয়াবহ ঘটনা এবং তারা এটিকে বরদাস্ত করবেন না।
📰 বিস্তারিত
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত খবরে জানা গেছে, রাজশাহীর হাজী জমির উদ্দীন সাফিনা মহিলা ডিগ্রি কলেজের ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের খাতায় মোবাইল নম্বর লিখে রাখা হয়েছিল। এই নম্বরটি চোখে পড়ে পরীক্ষক সেকেন্দার আলী। পরে তিনি ফোন করে ডাকেন পরীক্ষার্থী মেহেদী হাসানকে। মেহেদী হাসান রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বেলপুকুর এলাকার আইডিয়াল ডিগ্রি কলেজের ছাত্র। তিনি মানবিক বিভাগ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন।
মেহেদী হাসান জানান, তিনি ১৪ আগস্ট সকালে সেকেন্দার আলীর ফোনে ডাকা হয়। তার খাতায় ২৫ নম্বর ছিল। সেকেন্দার আলী ২ হাজার টাকা নিয়ে মেহেদীকে ডেকে তার খাতায় নম্বর পরিবর্তন করেন। লেখার পর তার নম্বর হয় ৫০। মেহেদী বলেন, ‘আমার খাতায় ২৫ মার্ক ছিল। স্যার ২ হাজার টাকা নিয়েছে। খাতায় লিখতে দিল। যেগুলো ভুল লিখেছিলাম সেগুলো ঠিক করে দিয়েছি। আর যেটা লিখিনি, সেটা ফাঁকা জায়গায় লিখে দিয়েছি।’
মেহেদী হাসান ও তার পাঁচজন বন্ধুকে সেকেন্দার আলী মোটরসাইকেলে নিয়ে তার বাসায় নিয়ে যান। সেখানে খাতায় নম্বর পরিবর্তন করা হয়। মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ছিল রাজশাহী-হ ১৫-২৪০৫। বর্তমানে এই মোটরসাইকেলের মালিক রফিকুল ইসলাম সেন্টু, যিনি সেকেন্দার আলীর আত্মীয়। সেন্টুর বাড়ি চারঘাট উপজেলার কাকালকাটি গ্রামে।
সেকেন্দার আলী অভিযোগ অস্বীকার করেছেন, কিন্তু ফোন কল রেকর্ড এবং ছবি দেখিয়ে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে। কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এনামুল হক মণ্ডল জানান, তিনি সেকেন্দার আলীর এই কাজের কথা জানেন না। তিনি বলেন, শিক্ষা বোর্ড যদি কোনো পদক্ষেপ নিতে বলে, তাহলে তিনি সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবেন।
রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. শামীম আরা চৌধুরী বলেছেন, ‘এমন হলে এটা তো খুবই ভয়াবহ ঘটনা। আমরা এটা কোনোভাবেই বরদাস্ত করব না।’
"আমার খাতায় ২৫ মার্ক ছিল। স্যার ২ হাজার টাকা নিয়েছে। খাতায় লিখতে দিল। যেগুলো ভুল লিখেছিলাম সেগুলো ঠিক করে দিয়েছি। আর যেটা লিখিনি, সেটা ফাঁকা জায়গায় লিখে দিয়েছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী, হাজী জমির উদ্দীন সাফিনা মহিলা ডিগ্রি কলেজ, বিনোদপুর বাজার, চারঘাট উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মেহেদী হাসান, সেকেন্দার আলী, এনামুল হক মণ্ডল, ড. শামীম আরা চৌধুরী, রফিকুল ইসলাম সেন্টু
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ (মার্ক), ৫০ (মার্ক), ২ (হাজার টাকা), ১৪ (আগস্ট), ১৭ (সেপ্টেম্বর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!