📌 প্রথম আলো ট্রাস্টের আয়োজিত ১৮০তম অনলাইন পরামর্শ সভায় জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক ডা. জোবায়ের মিয়া সন্তানের মন বোঝার উপায় নিয়ে বিশেষ পরামর্শ দেন। অভিভাবকদের কীভাবে সন্তানের সাথে কথা বলতে হয় তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়
সন্তানের মানসিক বা সামাজিক সমস্যা বুঝতে অভিভাবকদের কীভাবে সহায়তা প্রদান করা যায়, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম আলো ট্রাস্টের আয়োজিত একটি বিনামূল্যের মাদকবিরোধী পরামর্শ সভায় এই বিষয়ে আলোচনা করা হয়। ৩০ আগস্ট ২০২৬ তারিখে কারওয়ান বাজারের প্রথম আলো কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ১৮০তম অনলাইন পরামর্শ সভায় জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক ডা. জোবায়ের মিয়া সন্তানের মন বোঝার উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৩০ আগস্ট ২০২৬ কারওয়ান বাজারে অনুষ্ঠিত প্রথম আলো ট্রাস্টের ১৮০তম অনলাইন পরামর্শ সভায় মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে আলোচনা করা হয়
- 📌 ডা. জোবায়ের মিয়া বলেন, সন্তান যখন জটিল সমস্যায় পড়ে, তখন অভিভাবকদের প্রথমে বিচার না করে মিষ্টি সুরে কথা বলতে হবে
- 📌 ১০-১৫ মিনিট নিবিড় সময় দিলে সন্তান নিজের কষ্ট প্রকাশ করতে পারে
- 📌 সন্তান প্রথমে অস্বীকার করতে পারে, তখন অভিভাবককে ধৈর্য ধরে কথা বলতে হবে
📰 বিস্তারিত
৩০ আগস্ট ২০২৬ তারিখে কারওয়ান বাজারের প্রথম আলো কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ১৮০তম অনলাইন পরামর্শ সভায় জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক ডা. জোবায়ের মিয়া সন্তানের মন বোঝার উপায় নিয়ে বিশেষ আলোচনা করেন। সভায় উপস্থিত অভিভাবকদের প্রশ্নের উত্তর হিসেবে তিনি বলেন, সন্তান যখন কোনো জটিল সামাজিক বা মানসিক সমস্যায় পড়ে, তখন অভিভাবকদের প্রথমে কোনো বিচার বা দোষারোপ করা উচিত নয়।
ডা. জোবায়ের মিয়া বলেন, ‘সন্তান প্রথমে অস্বীকার করতে পারে। তখন একটু পজিটিভ সুরে বলতে হবে—‘তোমাকে তো কয়েক দিন ধরে একটু অন্যরকম দেখছি, তোমার কি মন খারাপ? কোনো আপত্তি না থাকলে আমার সঙ্গে শেয়ার করতে পারো।’’ তিনি আরও বলেন, সন্তানকে দিনে অন্তত ১০-১৫ মিনিট নিবিড় সময় দিলে এবং সে নিরাপদ বোধ করলে নিজের কষ্টের কথা প্রকাশ করতে পারে।
"সন্তান যখন কোনো জটিল সামাজিক বা মানসিক সমস্যায় পড়ে তখন অভিভাবকদের কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হবে। যেমন, শুরুতেই কোনো বিচার করা বা দোষ দেওয়া যাবে না। সন্তান প্রথমে অস্বীকার করতে পারে। তখন একটু পজ দিয়ে মিষ্টি সুরে বলতে হবে— ‘তোমাকে তো কয়েক দিন ধরে একটু অন্যরকম দেখছি, তোমার কি মন খারাপ? কোনো আপত্তি না থাকলে আমার সঙ্গে শেয়ার করতে পারো।’ তাকে দিনে অন্তত ১০-১৫ মিনিট নিবিড় সময় দিলে এবং সে নিরাপদ বোধ করলে নিজের কষ্টের কথা কান্নাকাটি করে হলেও প্রকাশ করে দেবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কারওয়ান বাজার, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা. জোবায়ের মিয়া (সহকারী অধ্যাপক, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১৮০তম সভা, ১০-১৫ মিনিট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!