📌 পার্বত্য চট্টগ্রামের শিক্ষার্থীদের ই-লার্নিং ও আধুনিক শিক্ষা পদ্ধতির মাধ্যমে সমতলের শিক্ষার্থীদের সমান সুযোগ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, পাহাড়ের শিক্ষার্থীদের জন্য দূরশিক্ষণ ও আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করা হবে
পার্বত্য চট্টগ্রামের শিক্ষার্থীদের ই-লার্নিং ও আধুনিক শিক্ষা পদ্ধতির মাধ্যমে সমতলের শিক্ষার্থীদের সমান সুযোগ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকার বেইলি রোডে পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত মন্ত্রণালয়ের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) পর্যালোচনা সভায় এ কথা বলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **পাহাড়ের শিক্ষার্থীদের ই-লার্নিং ও আধুনিক শিক্ষায় সমতল শিক্ষার্থীদের সমান সুযোগ** দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন ঘোষণা করেন।
- 📌 **২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৯৬৪ কোটি ৬৪ লাখ টাকার উন্নয়ন প্রকল্প** বাস্তবায়নের পর্যালোচনা সভায় আলোচনা হয়।
- 📌 **পাহাড়ের মেধাবী শিক্ষার্থীরা চিকিৎসক, প্রকৌশলী, গবেষক ও তথ্যপ্রযুক্তিবিদ** হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করে দেশের অর্থনীতি ও সমাজ উন্নয়নে অবদান রাখবে বলে প্রতিমন্ত্রী আশাবাদ জানান।
- 📌 **সুপেয় পানি সরবরাহ, সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প ও টেকসই উন্নয়ন** পাহাড়ের নারীদের দুর্ভোগ কমাতে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
- 📌 **পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমা** সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।
📰 বিস্তারিত
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, শিক্ষা ক্ষেত্রে পার্বত্য চট্টগ্রামকে পিছিয়ে রাখা যাবে না। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার শিক্ষার্থীদের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। পাহাড় ও সমতলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সুযোগের বৈষম্য কমিয়ে আনতে সরকার কাজ করছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, পাহাড়ের শিক্ষার্থীদের ই-লার্নিং, আধুনিক শিক্ষা ও দূরশিক্ষণ পদ্ধতির মাধ্যমে সমতলের শিক্ষার্থীদের সমতুল্য করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সভায় প্রজেক্টরের মাধ্যমে পাহাড়ের শিক্ষার্থীদের ই-লার্নিং পদ্ধতিতে শিক্ষা গ্রহণ এবং গণিত, বিজ্ঞান ও ইংরেজিতে তাদের অগ্রগতি দেখানো হলে প্রতিমন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই, যেখানে ঢাকার একজন শিক্ষার্থী কিংবা বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ির প্রত্যন্ত পাহাড়ি এলাকার একজন শিক্ষার্থী—যোগ্যতা থাকলে সবার সামনে সমান সুযোগ থাকবে।”
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, পাহাড়ের নারীদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব করতে সুপেয় পানি সরবরাহের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। তিনি সৌন্দর্য ও পরিবেশ রক্ষা করে আধুনিক পর্যটন শিল্প গড়ে তোলা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির ওপরও জোর দেন। প্রত্যন্ত এলাকায় সৌর প্যানেলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং ভূমিধস ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় পরিবেশ ও প্রতিবেশবান্ধব টেকসই উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের কথাও তিনি উল্লেখ করেন।
"আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই, যেখানে ঢাকার একজন শিক্ষার্থী কিংবা বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ির প্রত্যন্ত পাহাড়ি এলাকার একজন শিক্ষার্থী—যোগ্যতা থাকলে সবার সামনে সমান সুযোগ থাকবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (বেইলি রোড, পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন (প্রতিমন্ত্রী), মোহাম্মদ মিজানুর রহমান (সচিব)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯৬৪ কোটি ৬৪ লাখ টাকা (২০২৬-২৭ অর্থবছরের উন্নয়ন প্রকল্প)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!