📌 ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাবল ডেকার বাসে সিনিয়র শিক্ষার্থীদের উচ্চস্বরে কথা বলার বিষয়ে জুনিয়রদের আপত্তি জানানোর পর মারধর ও আঘাতের ঘটনা ঘটে। ঘটনায় জুনিয়র শিক্ষার্থী রিয়াজুল ইসলাম হৃদয় আহত হন এবং অভিযুক্তরা তাদের হুমকি দেন। প্রক্টর আশ্বাস দেন সমাধানের জন্য আলোচনা হবে
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ডাবল ডেকার বাস ‘গোধূলী’তে সিনিয়র শিক্ষার্থীদের উচ্চস্বরে কথা বলার বিষয়ে জুনিয়রদের প্রতিবাদে মারধর ও আঘাতের ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কুষ্টিয়ায় ফেরার পথে ঘটনাটি ঘটে, যেখানে জুনিয়র শিক্ষার্থী রিয়াজুল ইসলাম হৃদয় ও বাপ্পি হোসেন আহত হন এবং অভিযুক্তরা তাদের ভিডিও হুমকি দেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৯ সেপ্টেম্বর ইবির ডাবল ডেকার বাসে সিনিয়র শিক্ষার্থীদের উচ্চস্বরে কথা বলার বিষয়ে জুনিয়রদের আপত্তি জানানোর পর মারধর ও আঘাতের ঘটনা ঘটে।
- 📌 জুনিয়র শিক্ষার্থী রিয়াজুল ইসলাম হৃদয় বাসের জানালার কাচে আঘাত পেয়ে কাঁধ, ঘাড় ও নাকে ক্ষতবিক্ষত হন এবং হাতে কাটা পড়ে ব্যান্ডেজ করা হয়।
- 📌 আইসিটি বিভাগের সিনিয়র শিক্ষার্থী আবু সাঈদ দাবি করেন, জুনিয়রদের আপত্তি শুনে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হলেও হাতাহাতি হয়নি। তবে তিনি নিজে বাসের কাচে আঘাত পেয়ে হাতে কাটা পান।
- 📌 বাপ্পি হোসেন ঘটনাটি ভিডিও ধারণ করছিলেন, কিন্তু অভিযুক্তরা তার ফোন কেড়ে নেয় এবং ভিডিও মুছে ফেলার হুমকি দেন।
- 📌 প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহিনুজ্জামান উভয় বিভাগের শিক্ষার্থীদের আগামীকাল লিখিত অভিযোগ দিতে বলেছেন এবং সমাধানের জন্য আলোচনা করার আশ্বাস দিয়েছেন।
📰 বিস্তারিত
দুপুর ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কুষ্টিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হওয়া বাস ‘গোধূলী’তে আইসিটি বিভাগের সিনিয়র শিক্ষার্থীরা উচ্চস্বরে কথা বলছিলেন। জুনিয়র শিক্ষার্থীরা তাদের আপত্তি জানালে ঘটনায় জড়িয়ে পড়েন। জেলখানা মোড়ে বাস থেকে নামার সময় বিতর্কে হাতাহাতি শুরু হয়।
ভুক্তভোগী জুনিয়র শিক্ষার্থী রিয়াজুল ইসলাম হৃদয় বলেন, সিনিয়রদের উচ্চস্বরে কথা বলার বিষয়ে আপত্তি জানালে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে বাপ্পি হোসেনের সঙ্গে তর্কে জড়ান। পরে তিনি বিষয়টির প্রতিবাদ করলে সিনিয়রদের সঙ্গে থাকা তিনজন তাকে ধাক্কা দেন। এতে তিনি বাসের জানালার কাচের ওপর পড়ে আহত হন। তিনি জানান, “তাদের সঙ্গে থাকা তিনজন আমাকে ধাক্কা দিলে আমি বাসের জানালার ওপর গিয়ে পড়ি। এতে জানালার কাচ ভেঙে আমার কাঁধ ও ঘাড়ে ক্ষত হয়। পরে নাকেও আঘাত করা হয়।”
অভিযুক্ত আইসিটি বিভাগের সিনিয়র শিক্ষার্থী আবু সাঈদ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “বাপ্পির সঙ্গে আমার কথা কাটাকাটি হয়েছে, তবে আমাদের মধ্যে কোনো হাতাহাতি হয়নি। পরে বাংলা বিভাগের হৃদয় পেছন থেকে এসে আমাকে ধাক্কা দিলে আমি বাসের কাচের ওপর পড়ে যাই। এতে কাচ ভেঙে আমার হাতে কেটে যায় এবং বর্তমানে হাতে ব্যান্ডেজ করা আছে।”
অপরদিকে, হাত কেটে যাওয়ার বিষয়ে রিয়াজুল ইসলাম হৃদয় দাবি করেন, “হাতাহাতির সময় তার হাত কাটে নি। কেটেছে আমাকে মারার জন্য কাঠ ভেঙে নিতে গিয়ে।” ঘটনাস্থলে বাপ্পি হোসেন ভিডিও ধারণ করছিলেন, কিন্তু অভিযুক্তরা তার ফোন কেড়ে নেয় এবং ভিডিও মুছে ফেলার হুমকি দেন।
"বাপ্পির সঙ্গে আমার কথা কাটাকাটি হয়েছে, তবে আমাদের মধ্যে কোনো হাতাহাতি হয়নি। পরে বাংলা বিভাগের হৃদয় পেছন থেকে এসে আমাকে ধাক্কা দিলে আমি বাসের কাচের ওপর পড়ে যাই। এতে কাচ ভেঙে আমার হাতে কেটে যায় এবং"
"হাতাহাতির সময় তার হাত কাটে নি। কেটেছে আমাকে মারার জন্য কাঠ ভেঙে নিতে গিয়ে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা (বাসের ঘটনা: কুষ্টিয়া রোড, জেলখানা মোড়)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রিয়াজুল ইসলাম হৃদয় (জুনিয়র), আবু সাঈদ (সিনিয়র), বাপ্পি হোসেন, প্রক্টর ড. শাহিনুজ্জামান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯ সেপ্টেম্বর (ঘটনার তারিখ), ২০২২-২৩ (রিয়াজুলের শিক্ষাবর্ষ), ২০২১-২২ (আবু সাঈদের শিক্ষাবর্ষ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!