📌 সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতি হয়। সাংবাদিক আইনুল হককে হেনস্তা ও ছবি মুছে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। সাংবাদিক সমিতি নিন্দা জানায় এবং পেশাগত হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চায়
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (সিকৃবি) নতুন উপাচার্য অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সাংবাদিককে হেনস্তা, হুমকি দেওয়া এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সাংবাদিক আইনুল হককে ছাত্রদল নেতারা আক্রমণ করে মুঠোফোন থেকে ছবি-ভিডিও মুছে ফেলার ঘটনায় সাংবাদিক সমিতি নিন্দা জানিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সিকৃবিতে নতুন উপাচার্য অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতি ঘটে
- 📌 সাংবাদিক আইনুল হককে ছাত্রদল নেতারা আক্রমণ করে মুঠোফোন থেকে ছবি-ভিডিও মুছে ফেলা হয়
- 📌 সিকৃবিসাসের অর্থ সম্পাদক আইনুল হক বলেন, সাংবাদিকদের পেশাগত স্বাধীনতা আঘাত করা হয়েছে
- 📌 ছাত্রদল আহ্বায়ক সানাউল হোসেন সনি দাবি করেন, শিক্ষার্থীরা নিজস্বভাবে ছবি মুছে ফেলেছে
- 📌 বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালক অধ্যাপক জসিম উদ্দিন আহাম্মদ বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলবার বিকেলে সিকৃবিতে নতুন উপাচার্য অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানের পর ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে তুচ্ছ বিষয়ে ধাক্কাধাক্কি হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে এবং হাতাহাতিতে পরিণত হয়। এ সময় সাংবাদিক আইনুল হক ঘটনাস্থলে ছবি ও ভিডিও তুলছিলেন। ছাত্রদলের নেতারা সাংবাদিকের দিকে আক্রমণ করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং জোরপূর্বক মুঠোফোন থেকে সব ছবি-ভিডিও মুছে ফেলতে বাধ্য করেন।
সিকৃবি সাংবাদিক সমিতির (সিকৃবিসাস) অর্থ সম্পাদক আইনুল হক ঘটনাটি নিন্দা করে বলেন, ‘সংঘর্ষের আশঙ্কা পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে আমি তথ্য সংগ্রহ করছিলাম। কিন্তু ছাত্রদল নেতারা আমাকে আক্রমণ করে এবং ছবি-ভিডিও মুছে ফেলার আদেশ দেন। এ ধরনের হস্তক্ষেপ গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও জনগণের তথ্য অধিকারকে ক্ষুণ্ন করে।’
ছাত্রদল আহ্বায়ক সানাউল হোসেন সনি দাবি করেন, ‘এখানে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে একটা সমস্যা হয়েছিল। পরে সেটার ভিডিও করা হয়েছিল। শিক্ষার্থীরা নিজস্বভাবে ফোন থেকে ছবি-ভিডিও মুছে ফেলেছে। আমি সেখানে ছিলাম না। এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন কোনো ঘটনা ঘটলে আমার নাম আসে, তা আমার কাছে অস্বীকার্য নয়।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক জসিম উদ্দিন আহাম্মদ জানান, ‘এ বিষয়ে আমরা শুনেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
"সংঘর্ষের আশঙ্কা পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে আমি তথ্য সংগ্রহ করছিলাম। কিন্তু ছাত্রদল নেতারা আমাকে আক্রমণ করে এবং ছবি-ভিডিও মুছে ফেলার আদেশ দেন। এ ধরনের হস্তক্ষেপ গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও জনগণের তথ্য অধিকারকে ক্ষুণ্ন করে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (সিকৃবি)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আইনুল হক (সিকৃবিসাস অর্থ সম্পাদক), সানাউল হোসেন সনি (ছাত্রদল আহ্বায়ক), জাহিদ হাসান ফাহাদ, আনাম সরকার মুন, রাজেশ বাছাড়, অধ্যাপক জসিম উদ্দিন আহাম্মদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২টি গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!