📌 গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার একমাত্র সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক দিবস অনুষ্ঠানের কারণে শিক্ষকদের অনুপস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের দুপুরের আগেই ছুটি দেওয়া হয়। শ্রেণিকক্ষ ফাঁকা থাকা এবং নিয়মিত পাঠদান না হওয়ায় অভিভাবক ও স্থানীয়রা প্রশ্ন তুলেছেন
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার একমাত্র সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠানের কারণে শিক্ষকদের অনুপস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের দুপুরের আগেই ছুটি দেওয়া হয়। সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে সেখানে সরেজমিনে দেখা যায়, শ্রেণিকক্ষ ফাঁকা থাকা সত্ত্বেও শিক্ষার্থীরা নিয়মিত পাঠদান না পেয়ে নির্ধারিত সময়ের আগেই বাড়ি ফিরছিল। দশম শ্রেণির একটি কক্ষে মাত্র চারজন শিক্ষার্থী উপস্থিত থাকলেও অন্য শ্রেণিকক্ষগুলো সম্পূর্ণ ফাঁকা ছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **শিক্ষক অনুপস্থিতির কারণে** শিক্ষক দিবস অনুষ্ঠানের জন্য শিক্ষকদের উপস্থিতি না থাকায় শিক্ষার্থীদের দুপুর ১টার আগেই ছুটি দেওয়া হয়
- 📌 **শ্রেণিকক্ষ ফাঁকা** — দশম শ্রেণির একটি কক্ষে মাত্র চারজন শিক্ষার্থী উপস্থিত থাকলেও বেশিরভাগ শ্রেণিকক্ষ ফাঁকা ছিল
- 📌 **অনুমোদনহীন ছুটি** — প্রধান শিক্ষক বিলকিস আক্তার জানতে পারেননি যে কে শিক্ষার্থীদের আগাম ছুটি দিয়েছেন
- 📌 **সাংবাদিক প্রবেশ নিষেধ** — বিদ্যালয়ের গার্ড সাংবাদিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করে, কিন্তু উপজেলা প্রশাসন ও মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নিষেধাজ্ঞা দানের কথা অস্বীকার করেন
- 📌 **অভিভাবকদের প্রশ্ন** — শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় প্রভাব পড়ছে কি না, তা নিয়ে স্থানীয়রা প্রশ্ন তুলেছেন
📰 বিস্তারিত
সোমবার দুপুরে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে সরেজমিনে দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা নিয়মিত পাঠদান না পেয়ে নির্ধারিত সময়ের আগেই বাড়ি ফিরছিল। শিক্ষক দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠানের কারণে শিক্ষকদের উপস্থিতি না থাকায় শিক্ষার্থীদের দুপুর ১টার আগেই ছুটি দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীরা জানান, তারা স্কুলে আসার পরও নিয়মিত ক্লাস হয়নি।
প্রধান শিক্ষক বিলকিস আক্তার জানতে পারেননি যে কে শিক্ষার্থীদের আগাম ছুটি দিয়েছেন। তিনি বলেন, তিনি শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার জন্য দুপুর ১২টার পর বিদ্যালয়ে এসেছিলেন। শিক্ষার্থীদের আগাম ছুটি দেওয়ার বিষয়ে তিনি অবগত ছিলেন না। সাংবাদিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে প্রধান শিক্ষক ভিন্ন বক্তব্য দেন। তিনি দাবি করেন, সাংবাদিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সেলিম তালুকদার নিষেধাজ্ঞা দানের কথা অস্বীকার করেন।
অভিভাবক ও স্থানীয়রা প্রশ্ন তুলেছেন যে, সরকারি বিদ্যালয়ে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী পাঠদান নিশ্চিত না হলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে কী প্রভাব পড়বে। তারা দাবি করেছেন, শিক্ষকদের উপস্থিতি, নির্ধারিত সময়ে শ্রেণিকক্ষ কার্যক্রম এবং আগাম ছুটি দেওয়ার কারণ সম্পর্কে তদন্তের আশ্বাস দেওয়া দরকার।
"শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার জন্য দুপুর ১২টার পর আমি বিদ্যালয়ে এসেছি। শিক্ষার্থীদের আগাম ছুটি দেওয়ার বিষয়ে আমি অবগত নই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: টুঙ্গিপাড়া উপজেলা, গোপালগঞ্জ
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: প্রধান শিক্ষক বিলকিস আক্তার, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সেলিম তালুকদার, শিক্ষার্থীরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ অক্টোবর (সোমবার), ১২ টা (দুপুর), ১ টা (ছুটি দেওয়ার সময়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!