📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৪ শিক্ষার্থীকে পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। সিন্ডিকেট সভায় নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, তাদের মধ্যে সর্বোচ্চ সাতজন আরবি বিভাগের। ১৪ জনের শাস্তি মওকুফ করা হয়েছে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের ঘটনা ঘটলে সিন্ডিকেট সভায় নেওয়া সিদ্ধান্তে ৬৪ শিক্ষার্থীকে শৃঙ্খলা লঙ্ঘনের শাস্তি দেওয়া হয়েছে। শাস্তির অংশ হিসেবে তাদের পরবর্তী এক থেকে তিনটি পরীক্ষায় অংশগ্রহণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৪ শিক্ষার্থীকে পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে শাস্তি দেওয়া হয়েছে
- 📌 শাস্তির মধ্যে রয়েছে পরবর্তী এক থেকে তিনটি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ নিষেধ
- 📌 সর্বোচ্চ সাতজন শাস্তি পেয়েছেন আরবি বিভাগ থেকে
- 📌 ১৪ জনের শাস্তি মওকুফ করা হয়েছে
- 📌 উপাচার্য সর্বোচ্চ এক বছর পর্যন্ত শাস্তি কমাতে পারেন
📰 বিস্তারিত
গত ৩১ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম সভাপতিত্ব করেন। ৭ সেপ্টেম্বর ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক হিমাদ্রি শেখর চক্রবর্তী স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়, ২০ আগস্ট অনুষ্ঠিত শৃঙ্খলা পরিষদের সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৬৪ শিক্ষার্থীকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে।
শাস্তির আওতায় এসেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ, ইনস্টিটিউট ও অধিভুক্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী। আরবি বিভাগ থেকে সর্বোচ্চ সাতজন শিক্ষার্থী শাস্তি পেয়েছেন। পোস্ট বেসিক বিএসসি ইন নার্সিং, এমবিবিএস, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়ন বিভাগ থেকে পাঁচজন করে এবং উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ ও হেলথ টেকনোলজি (ল্যাবরেটরি) থেকে চারজন করে শিক্ষার্থী শাস্তির আওতায় এসেছেন।
অন্যান্য বিভাগ থেকে শাস্তি পেয়েছেন ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভালনারেবিলিটি স্টাডিজ ইনস্টিটিউট, অর্গানাইজেশন স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড লিডারশিপ, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা এবং আইন বিভাগ থেকে তিনজন করে। ভূগোল ও পরিবেশ, ইংরেজি ও দর্শন বিভাগ থেকে দুজন করে এবং রোবোটিকস অ্যান্ড মেকাট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং, বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি, অ্যাপ্লায়েড কেমিস্ট্রি অ্যান্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, ফার্মেসি, সংস্কৃত, ইসলামিক স্টাডিজ, সমাজকর্ম, পরিসংখ্যান, ইতিহাস, বেসিক বিএসসি ইন নার্সিং এবং মাস্টার অব সায়েন্স ইন নার্সিং প্রতিটি বিভাগ বা প্রোগ্রাম থেকে একজন করে শিক্ষার্থী শাস্তির আওতায় এসেছেন।
শাস্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অনুতপ্ত হয়ে প্রক্টর অফিসের মাধ্যমে উপাচার্যের কাছে ক্ষমা চেয়ে শাস্তি কমানোর আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। উপাচার্য ১৯৮৯ সালের সিন্ডিকেটের ক্ষমতার ভিত্তিতে সর্বোচ্চ এক বছর পর্যন্ত শাস্তি কমাতে পারেন। ১৫ সেপ্টেম্বর শিক্ষার্থীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ১৪ জন শিক্ষার্থীর এক বছরের শাস্তি মওকুফ করেছেন উপাচার্য। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অফিসের সেকশন অফিসার মির্জা ইশতিয়াক আলম জানান, এখন পর্যন্ত ১৪ জন শিক্ষার্থীর শাস্তি মওকুফ করা হয়েছে।
"২০ আগস্ট অনুষ্ঠিত শৃঙ্খলা পরিষদের সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিভিন্ন পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন ও অন্যান্য অপরাধের দায়ে ৬৪ শিক্ষার্থীকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম (উপাচার্য), হিমাদ্রি শেখর চক্রবর্তী (ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক), মির্জা ইশতিয়াক আলম (সেকশন অফিসার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৪ শিক্ষার্থী শাস্তি, ১৪ জনের শাস্তি মওকুফ, ৭ জন আরবি বিভাগের শিক্ষার্থী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!