📌 জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকীতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধুসভা ‘নজরুলে ফিরে দেখা’ শিরোনামে সপ্তাহব্যাপী আয়োজন করে। এতে কবির গান-কবিতা ও জীবনসংগ্রাম নিয়ে আলোচনা ও ডিজিটাল পরিবেশনার আয়োজন করা হয়
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধুসভা ‘নজরুলে ফিরে দেখা’ শিরোনামে সপ্তাহব্যাপী বিশেষ আয়োজন করেছে। এই আয়োজনে কবির বহুমাত্রিক জীবন ও সাহিত্যকর্মের গভীরতা নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার প্রচেষ্টা করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকীতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধুসভা ‘নজরুলে ফিরে দেখা’ শিরোনামে সপ্তাহব্যাপী আয়োজন করে।
- 📌 ৭ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের ১০ নম্বর কক্ষে অনুষ্ঠিত হয় বিশেষ পাঠচক্র।
- 📌 আশীফ এন্তাজ রবির উপন্যাসধর্মী জীবনীগ্রন্থ ‘আমারে দেব না ভুলিতে’ নিয়ে আলোচনা উপস্থাপন করেন সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন।
- 📌 নজরুলের জীবনসংগ্রাম, দারিদ্র্য, প্রেম-বিরহ ও মানবিক সত্তা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- 📌 সভাপতি সৈয়দ সালমান হাসান বলেন, নজরুলের দ্রোহ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে প্রাত্যহিক চিন্তায় ধারণ করতে হবে।
- 📌 নজরুলের গান ও কবিতা নিয়ে ডিজিটাল ভিডিও পরিবেশনা করা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে।
📰 বিস্তারিত
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখায় বিদ্রোহ ও সাম্যের বার্তা ছাড়াও চিরন্তন মানবিক প্রেমের সুরও ফুটে উঠেছে। এই বহুমাত্রিক রূপকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার উদ্দেশ্যে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধুসভা ‘নজরুলে ফিরে দেখা’ শিরোনামে সপ্তাহব্যাপী বিশেষ আয়োজন করেছে। এতে কবির কালজয়ী গান ও কবিতা আবৃত্তির বিশেষ ভিডিও তৈরি করা হয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা হয়েছে।
৭ সেপ্টেম্বর বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের ১০ নম্বর কক্ষে অনুষ্ঠিত হয় বিশেষ পাঠচক্র। এতে আশীফ এন্তাজ রবির উপন্যাসধর্মী জীবনীগ্রন্থ ‘আমারে দেব না ভুলিতে’ নিয়ে আলোচনা উপস্থাপন করেন সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন। আলোচনায় নজরুলের জীবনসংগ্রামের বিভিন্ন পর্ব যেমন তারাক্ষ্যাপা, নজর আলী ও দুখু মিয়া থেকে ‘বিদ্রোহী কবি’ হয়ে ওঠার কঠিন পথ তুলে ধরা হয়। দারিদ্র্য, ভবঘুরে জীবন, প্রেম-বিরহ এবং জীবনের অন্তিম পর্বের টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে কবির মানবিক সত্তার গভীরতা আলোচিত হয়।
সভাপতি সৈয়দ সালমান হাসান বলেন, ‘নজরুলকে শুধু প্রয়াণদিবসের আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। তাঁর দ্রোহ, সাম্য ও অসাম্প্রদায়িকতার চেতনাকে আমাদের প্রাত্যহিক চিন্তায় ধারণ করতে হবে। গান, কবিতার পরিবেশনা ও পাঠচক্রের সমন্বয়ে সাজানো এ আয়োজনের মূল লক্ষ্যই ছিল নজরুলের সৃষ্টির অন্তরালে থাকা মানুষটিকে নতুন প্রজন্মের কাছে নতুন আঙ্গিকে তুলে ধরা।’
"আমি চির-বিদ্রোহী বীর’ কিংবা ‘মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান’—কবির এমন সব দ্রোহ ও সাম্যের বার্তা নতুন করে তুলে ধরার প্রয়াস ছিল এই ডিজিটাল পরিবেশনায়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের ১০ নম্বর কক্ষ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কাজী নজরুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন, সৈয়দ সালমান হাসান, তাসনিম সুলতানা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ (মৃত্যুবার্ষিকী), ৭ (সেপ্টেম্বর), ১০ (কক্ষ নম্বর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!