📌 যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষা লাভের জন্য কমনওয়েলথ বৃত্তিতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন জমা দিতে হবে। ছয়টি নির্দিষ্ট বিষয়ে মাস্টার্স ও পিএইচডি করার সুযোগ রয়েছে
যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষা লাভের জন্য কমনওয়েলথ বৃত্তিতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা আবেদন শুরু করেছে। ২০২৭ সালের সেপ্টেম্বর-অক্টোবর শিক্ষাবর্ষে মাস্টার্স ও পিএইচডি করার জন্য এই বৃত্তির আওতায় আবেদন করা যাবে। আবেদনকারীদের ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে নির্ধারিত ফরম পূরণ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ জমা দিতে হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত যুক্তরাজ্যে মাস্টার্স ও পিএইচডি বৃত্তিতে আবেদন জমা দিতে হবে।
- 📌 বৃত্তির আওতায় ৬টি বিষয়ে পড়ার সুযোগ রয়েছে: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, জনস্বাস্থ্য, উদ্ভাবন, শান্তি ও সুশাসন, সংকট মোকাবিলা, অন্তর্ভুক্তি ও প্রবেশাধিকার।
- 📌 মাস্টার্সের জন্য ২:১ স্নাতক ডিগ্রি বা সমমানের যোগ্যতা এবং পিএইচডির জন্য ২:১ স্নাতক ডিগ্রি বা মাস্টার্স থাকতে হবে।
- 📌 আবেদনের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়ের শর্তহীন অফার লেটার জমা দিতে হবে।
- 📌 আবেদনপত্র হাতে লেখা যাবে না— কম্পিউটারে টাইপ করে পূরণ করতে হবে।
📰 বিস্তারিত
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) থেকে জানা যায়, কমনওয়েলথ বৃত্তির আওতায় এক বছরের মাস্টার্স এবং সর্বোচ্চ তিন বছরের পিএইচডি করার সুযোগ রয়েছে। শিক্ষার্থীরা ছয়টি নির্দিষ্ট বিষয়ে আবেদন করতে পারবেন। এগুলো হলো: উন্নয়নের জন্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, জনস্বাস্থ্যব্যবস্থা ও সক্ষমতা উন্নয়ন, উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন, শান্তি, নিরাপত্তা ও সুশাসন জোরদার করা, সংকট মোকাবিলায় সক্ষমতা ও প্রতিরোধব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং প্রবেশাধিকার, অন্তর্ভুক্তি ও সুযোগ। আবেদনকারীদের নিজের পড়াশোনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বিষয় নির্বাচন করতে হবে। বিষয় নির্বাচনের সময় প্রথম ডিগ্রি বা সর্বশেষ ডিগ্রির বিষয় সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।
মাস্টার্স প্রোগ্রামে আবেদন করতে হলে প্রার্থীকে অন্তত দ্বিতীয় শ্রেণির উচ্চতর মানের (২:১) স্নাতক ডিগ্রি বা সমমানের সিজিপিএ থাকতে হবে। দ্বিতীয় শ্রেণির (২:২) স্নাতক ডিগ্রি থাকলেও একই বিষয়ে প্রাসঙ্গিক মাস্টার্স ডিগ্রি থাকতে হবে। পিএইচডির জন্যও অন্তত দ্বিতীয় শ্রেণির উচ্চতর মানের স্নাতক ডিগ্রি অথবা দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতক ডিগ্রির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রি থাকতে হবে। মাস্টার্সে আবেদনকারী আগে থেকে মাস্টার্স, এমফিল বা পিএইচডি কোর্সে ভর্তি বা নিবন্ধিত থাকতে পারবেন না। পিএইচডির আবেদনকারীর ক্ষেত্রেও আগে থেকে পিএইচডি বা পিএইচডির দিকে নিয়ে যায় এমন এমফিল কোর্সে নিবন্ধিত থাকা যাবে না।
যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়ের শর্তহীন ভর্তির প্রস্তাবপত্র বা অফার লেটার জমা দিতে হবে। তবে ভাষাগত দক্ষতা বা অর্থসংক্রান্ত শর্তযুক্ত অফার লেটার থাকলেও আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। সাক্ষাৎকারের জন্য নির্বাচিত হলে ভাষাগত দক্ষতার সনদ বা ফলাফলের কপি জমা দিতে হবে। ইউজিসি আবেদনকারীদের অফার লেটারের সত্যতা যাচাই করবে। আবেদনপত্রের সঙ্গে শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, পরীক্ষার নম্বরপত্র, ভাষাগত দক্ষতার সনদ (প্রয়োজন হলে), অফার লেটার এবং এক কপি সত্যায়িত পাসপোর্ট সাইজের ছবি জমা দিতে হবে।
অসম্পূর্ণ আবেদন, ভুল তথ্য বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ঘাটতি থাকলে আবেদন বাতিল হয়ে যাবে। চাকরিরত প্রার্থীদের যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে অথবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি নিয়ে আবেদন করতে হবে। আবেদনপত্র ইউজিসির অভ্যর্থনাকক্ষের সামনে রাখা আবেদন বাক্সে জমা দিতে হবে।
"আবেদনপত্র হাতে লেখা যাবে না; কম্পিউটারে টাইপ করে পূরণ করতে হবে। সম্পূর্ণ আবেদনপত্রের হার্ড কপি জমা দিতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (ইউজিসি), যুক্তরাজ্য (বিশ্ববিদ্যালয়)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাংলাদেশি শিক্ষার্থী, ইউজিসি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (আবেদন শেষ তারিখ), ৬ (বিষয় সংখ্যা), ১ বছর (মাস্টার্স), ৩ বছর (পিএইচডি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!