📌 চাঁদপুরের যমজ দুই বোন নাহিয়ান তাসনিম ও তাসনুবা নুর এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন। বিজ্ঞান বিভাগে পৃথক দুটি বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষা দিয়ে তারা এই সাফল্য পেয়েছেন। ভবিষ্যতে প্রকৌশলী হওয়ার স্বপ্ন তাদের
চাঁদপুরের যমজ দুই বোন নাহিয়ান তাসনিম ও তাসনুবা নুর এবারের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন। পৃথক দুটি বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে পরীক্ষা দিয়ে তারা এই কৃতিত্ব প্রদর্শন করেন। তাদের এই সাফল্যে পরিবারের সদস্যরা আনন্দিত।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যমজ দুই বোন নাহিয়ান তাসনিম ও তাসনুবা নুর এসএসসিতে জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন
- 📌 নাহিয়ান তাসনিম চাঁদপুর কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের ইংরেজি ভার্সনের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পরীক্ষা দিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছেন
- 📌 তাসনুবা নুর চাঁদপুর মাতৃপীঠ সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পরীক্ষা দিয়ে একই ফল অর্জন করেছেন
- 📌 দুই বোন ভবিষ্যতে প্রকৌশলী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন
- 📌 তাদের বাবা আবুল বারাকাত লিজন পাটোয়ারী ব্যবসায়ী এবং মা নিগার পিংকি গৃহিণী
📰 বিস্তারিত
চাঁদপুর জেলার যমজ দুই বোন নাহিয়ান তাসনিম ও তাসনুবা নুর এবারের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন। তারা দুজনই বিজ্ঞান বিভাগে অধ্যয়ন করেছেন। নাহিয়ান তাসনিম যমজ দুই বোনের মধ্যে কয়েক মিনিটের বড়। তিনি চাঁদপুর কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের ইংরেজি ভার্সনের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পরীক্ষা দিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছেন। অন্যদিকে ছোট বোন তাসনুবা নুর চাঁদপুর মাতৃপীঠ সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পরীক্ষা দিয়ে একই ফল অর্জন করেছেন।
তাদের সাফল্যের পেছনে পরিবারের অবদানের বিষয়টি উল্লেখ করে নাহিয়ান তাসনিম বলেন, ‘আমরা সব সময় মা-বাবার কথা মেনে চলেছি। পড়াশোনার প্রয়োজন ছাড়া তেমন বাইরে যেতাম না। অবসর সময়ে বই পড়া এবং ভাইবোন ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে গল্প করে সময় কাটাতাম।’
তাসনুবা নুর বলেন, ‘পরিবারের সদস্যরা যেভাবে আমাদের উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা দিয়েছেন, সে কারণেই ভালো ফল করতে পেরেছি। বিশেষ করে মা এখনো আমাদের মোবাইল কিনে দেননি। ফুফু একটি ট্যাব দিয়েছিলেন, সেটিও আম্মু আলমারিতে রেখে দিয়েছেন। এতে পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে পেরেছি।’ দুই বোনের ইচ্ছা ভবিষ্যতে প্রকৌশলী হওয়া। দেশের নামকরা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে দেশ ও মানুষের সেবায় নিজেদের নিয়োজিত করতে চান তারা।
‘আমরা সব সময় মা-বাবার কথা মেনে চলেছি। পড়াশোনার প্রয়োজন ছাড়া তেমন বাইরে যেতাম না। অবসর সময়ে বই পড়া এবং ভাইবোন ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে গল্প করে সময় কাটাতাম।’
‘তারা যেভাবে আমাদের উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা দিয়েছে, সে কারণেই ভালো ফল করতে পেরেছি। বিশেষ করে মা এখনো আমাদের মোবাইল কিনে দেননি। ফুফু একটি ট্যাব দিয়েছিলেন, সেটিও আম্মু আলমারিতে রেখে দিয়েছেন। এতে পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে পেরেছি।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চাঁদপুর জেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নাহিয়ান তাসনিম, তাসনুবা নুর, আবুল বারাকাত লিজন পাটোয়ারী, নিগার পিংকি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: জিপিএ-৫
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!