📌 ব্রজমোহন কলেজের লাইব্রেরিতে আসন সংকট, বিদ্যুৎবিভ্রাট ও বই তালাবদ্ধ রাখার কারণে শিক্ষার্থীরা অধ্যক্ষকে অবরুদ্ধ করে। ৩০ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য মাত্র ১০০টি আসন থাকায় পরীক্ষার্থীরা জায়গা দখল করে। অধ্যক্ষ আশ্বাস দিলেও সমাধান না হলে সোমবার আন্দোলন ঘোষণা করা হয়
ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে আসন সংকট, বিদ্যুৎবিভ্রাট ও বই তালাবদ্ধ রাখার কারণে শিক্ষার্থীরা অধ্যক্ষকে অবরুদ্ধ করে। শিক্ষার্থীদের তীব্র ক্ষোভের মুখে অধ্যক্ষ ড. শেখ মো. তাজুল ইসলামকে জিরো পয়েন্ট থেকে লাইব্রেরির রিডিং রুমে নিয়ে যাওয়া হয়। শিক্ষার্থীরা দীর্ঘ সময় অধ্যক্ষকে অবরুদ্ধ রাখার পর রোববারের মধ্যে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস পেয়ে মুক্ত করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্রজমোহন কলেজে ৩০ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য মাত্র ১০০টি আসন রয়েছে লাইব্রেরির রিডিং রুমে
- 📌 পরীক্ষার্থীরা ভোর থেকেই লাইব্রেরির আসন দখল করে মূল শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার সুযোগ বাধাগ্রস্ত করছে
- 📌 লোডশেডিংয়ে ফ্যান ও আলো না থাকায় ১০ মিনিট বসে থাকাই কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে
- 📌 লক্ষাধিক বই তালাবদ্ধ রাখা হয়েছে, পুরাতন ৮০-৯০ দশকের বই রিডিং রুমে সাজানো হয়েছে
- 📌 অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী শাহাবুদ্দিন মিয়া বলেন, সমাধান না হলে সোমবার বৃহৎ আন্দোলন ঘোষণা করা হবে
- 📌 অধ্যক্ষ ড. শেখ মো. তাজুল ইসলাম শিক্ষার্থীদের সমস্যাগুলো সমাধান করার জন্য কমিটি গঠনের কথা বলেছেন
📰 বিস্তারিত
ব্রজমোহন কলেজের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ৩০ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য মাত্র একটি রিডিং রুমে ১০০টি আসন থাকায় প্রতিদিন ভোর থেকেই অসংখ্য শিক্ষার্থী একটি সিটের আশায় দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকেন। তবে মূল শিক্ষার্থীদের পরিবর্তে কলেজের সামনে অবস্থিত কোচিং সেন্টারের পরীক্ষার্থীরা ভোর থেকেই আসন দখল করে রাখেন।
অভিযোগ রয়েছে, লোডশেডিংয়ে রিডিং রুমে অন্ধকার থাকে এবং পর্যাপ্ত ফ্যানের অভাবে পড়াশোনার পরিবেশ সম্পূর্ণ অসম্ভব হয়ে পড়েছে। শিক্ষার্থীরা দাবি করছেন, ১০ মিনিট বসে থাকাই কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। লাইব্রেরির সংগ্রহে থাকা লক্ষাধিক বই তালাবদ্ধ রাখা হয়েছে এবং পুরাতন ৮০-৯০ দশকের বইগুলো রিডিং রুমে সাজিয়ে রাখা হয়েছে, যা কেউ দেখতে পায় না।
অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী শাহাবুদ্দিন মিয়া বলেন, ‘আমাদের লাইব্রেরির অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। হাজার হাজার শিক্ষার্থীর জন্য মাত্র ১০০টি আসন, সেখানেও বাইরের শিক্ষার্থীরা আসন দখল করে রাখে। ইদানীং লোডশেডিংয়ে ভেতরে ফ্যান ও আলো না থাকায় পড়াশোনার পরিবেশ তো দূরের কথা, ১০ মিনিট বসে থাকাই অসম্ভব হয়ে পড়ে। লক্ষাধিক বই তালাবদ্ধ রেখে পুরোনো বইগুলো রিডিং রুমে সাজিয়ে রেখেছে, যা কেউ ধরেও দেখে না।’
শাহাবুদ্দিন আরও বলেন, ‘আগামী রোববারের মধ্যে লাইব্রেরির সমস্যা সমাধান এবং নতুন ও যুগোপযোগী চাকরির বই, আসনসংখ্যা বৃদ্ধি, ফ্যান ও লাইটের সমস্যা সমাধান না করা হলে সোমবার থেকে আমরা বৃহৎ আন্দোলনে যেতে বাধ্য হব।’
লাইব্রেরি পরিদর্শনের পর অধ্যক্ষ ড. শেখ মো. তাজুল ইসলাম শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ‘ছাত্র-ছাত্রীদের সমস্যাগুলোর ব্যাপারে আমি অবগত হলাম। আমাদের লাইব্রেরি পরিচালনার জন্য একটি নির্ধারিত কমিটি রয়েছে, তাদের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত সমাধানের পথ বের করা হবে।’
"আমাদের লাইব্রেরির অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। হাজার হাজার শিক্ষার্থীর জন্য মাত্র ১০০টি আসন, সেখানেও বাইরের শিক্ষার্থীরা আসন দখল করে রাখে। লক্ষাধিক বই তালাবদ্ধ রেখে পুরোনো বইগুলো রিডিং রুমে সাজিয়ে রেখেছে, যা কেউ ধরেও দেখে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ব্রজমোহন কলেজ, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যক্ষ ড. শেখ মো. তাজুল ইসলাম, শিক্ষার্থী শাহাবুদ্দিন মিয়া
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ হাজার শিক্ষার্থী, ১০০টি আসন, ১০ মিনিট, ৮০-৯০ দশকের বই
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!