📅 ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কক্সবাজারের নাফ নদীতে ৪২ কোটি টাকার ইয়াবা চালান জব্দ: বিজিবি ধরা পড়ে দুজন পাচারকারী

কক্সবাজারের নাফ নদীতে ৪২ কোটি টাকার ইয়াবা চালান জব্দ: বিজিবি ধরা পড়ে দুজন পাচারকারী

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কক্সবাজার টেকনাফের নাফ নদীতে বিজিবি ১৪ লাখ ইয়াবার বড় চালান জব্দ করে। ৪২ কোটি টাকার এই চালানটি দড়ি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় পানিতে ভাসমান ছিল। অভিযানে দুজন পাচারকারী গ্রেপ্তার হয়েছেন

কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদীতে বিজিবি একটি বড় মাদক চালান জব্দ করেছে। দড়ি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় পানিতে ভাসমান ১৪ লাখ ইয়াবা পাওয়ার পর এই অভিযানটি সফল হয়েছে। বিজিবির তথ্য অনুযায়ী, এটিই একক অভিযানে সবচেয়ে বড় ইয়াবা চালান।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৪ লাখ ইয়াবা জব্দ করা হয়েছে নাফ নদীতে, যার বাজারমূল্য ৪২ কোটি টাকা
  • 📌 দুজন পাচারকারী গ্রেপ্তার: জয়গর দাস (৪০) ও মো. হোসেন
  • 📌 ১৪০টি কার্টনে প্যাক করা ইয়াবা ছিল, যা খাকি রঙের প্যাকেটে মোড়ানো ছিল
  • 📌 চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিজিবি ১ কোটি ৪৩ লাখ ইয়াবা জব্দ করেছে
  • 📌 মিয়ানমার থেকে জেলের ছদ্মবেশে ইয়াবা আনা হয়েছিল দিনের বেলায়

📰 বিস্তারিত

বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টায় টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের নাফ নদীসংলগ্ন স্লুইসগেট এলাকায় বিজিবির বিশেষ টহল দল একটি নৌকার সঙ্গে দড়ি দিয়ে বাঁধা বস্তাগুলো উদ্ধার করে। তল্লাশি চালিয়ে তারা খাকি রঙের প্যাকেটে মোড়ানো ইয়াবা পান। বিজিবির তথ্য অনুযায়ী, এই ইয়াবা ছিল ১৪০টি কার্টনে প্যাক করা। বিজিবির দাবি, এটিই একক অভিযানে সবচেয়ে বড় ইয়াবা চালান।

বিজিবির তথ্য অনুযায়ী, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে নাফ নদী পেরিয়ে এই ইয়াবা চালান আনা হয়েছিল। সাধারণত পাচারকারীরা রাতের বেলায় ইয়াবা আনার চেষ্টা করেন, কিন্তু এবার দিনের বেলায় জেলের ছদ্মবেশে একটি নৌকায় করে ইয়াবা আনা হয়েছিল। নৌকাটি স্লুইসগেট এলাকায় এলে বিজিবির টহল দল সেটিকে থামিয়ে নৌকায় থাকা দুজনকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের নাম হলেন জয়গর দাস (৪০), যিনি হ্নীলা ইউনিয়নের জালিয়াপাড়া এলাকার গোপাল দাসের ছেলে, এবং মো. হোসেন, যিনি ফুলের ডেইল এলাকার মো. শফির ছেলে। বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বলেছেন, মাদক চোরাচালান বন্ধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত থাকবে।

"মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে নাফ নদী পেরিয়ে ইয়াবার বড় একটি চালান বাংলাদেশে আনার খবর আগে থেকেই পেয়েছিল বিজিবি। এ কারণে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি ড্রোন ও প্রযুক্তিনির্ভর পর্যবেক্ষণ জোরদার করা হয়।"

বিজিবির তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৬৪ বিজিবির সদস্যরা পৃথক মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ১ কোটি ৪৩ লাখ ইয়াবা জব্দ এবং ২৪৩ জন পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করেছেন। এছাড়াও, মাদকের পাশাপাশি জ্বালানি, ভোজ্যতেল ও সার চোরাচালান রোধেও অভিযান চলছে বলে জানিয়েছেন কর্নেল জহিরুল ইসলাম।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কক্সবাজার টেকনাফ, নাফ নদী, হ্নীলা ইউনিয়ন, স্লুইসগেট এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জয়গর দাস (৪০), মো. হোসেন, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ লাখ ইয়াবা, ৪২ কোটি টাকা, ১৪০টি কার্টন, ৬৪ বিজিবি ব্যাটালিয়ন, ১ কোটি ৪৩ লাখ ইয়াবা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖