📌 সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় ভাইভা নম্বর বাড়ানোর প্রতিবাদে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন করে। তারা দাবি করে, মেধার নিরপেক্ষ মূল্যায়ন ব্যাহত হবে এবং নিয়োগপ্রক্রিয়ায় দুর্নীতির সুযোগ তৈরি হবে। সরকার ১১ থেকে ২০শ গ্রেডের নিয়োগে লিখিত ও ভাইভা নম্বর পরিবর্তন করেছে
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় মৌখিক (ভাইভা) পরীক্ষার নম্বর বাড়ানোর সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে আজ বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাশহীদ রফিক ভবনের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত করেছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) ব্যানারে এই কর্মসূচি পালিত হয়। শিক্ষার্থীরা সরকারের এই সিদ্ধান্তকে মেধার নিরপেক্ষ মূল্যায়ন ব্যাহত করার একটি পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে এবং নিয়োগপ্রক্রিয়ায় দলীয়করণ ও দুর্নীতির সুযোগ তৈরি হবে বলে আশঙ্কা করছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে সরকারি নিয়োগ পরীক্ষায় ভাইভা নম্বর বাড়ানোর প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন করে এবং ‘বেশি মার্ক ভাইভায়, চাকরি হবে পয়সায়’-এর মতো স্লোগান দেন
- 📌 জকসুর ভিপি রিয়াজুল ইসলাম বলেন, ভাইভা নম্বর বাড়ানোর মাধ্যমে সরকার দলীয় লোকজনকে গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানোর চেষ্টা করছে
- 📌 সরকার ১১ থেকে ২০শ গ্রেডের নিয়োগে লিখিত ও ভাইভা নম্বর পরিবর্তন করেছে: ১১-১২শ গ্রেডে লিখিত ১০০ ও ভাইভা ৫০, ১৩-১৬শ গ্রেডে লিখিত ৬০ ও ভাইভা ৪০, ১৭-২০শ গ্রেডে উভয় পরীক্ষায় ২৫ করে নম্বর রাখা হবে
- 📌 জাতীয় ছাত্রশক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি শাহিন মিয়া দাবি করেন, লিখিত পরীক্ষা বহাল রাখা এবং নিয়োগপ্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনতে হবে
- 📌 জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, ভাইভা নম্বর বাড়লে নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতির সুযোগ বাড়বে
📰 বিস্তারিত
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) ব্যানারে আজ বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাশহীদ রফিক ভবনের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষার্থীরা সরকারের সিদ্ধান্তকে মেধার নিরপেক্ষ মূল্যায়ন ব্যাহত করার একটি পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। তারা দাবি করছেন, লিখিত পরীক্ষার গুরুত্ব কমিয়ে ভাইভায় বেশি নম্বর রাখলে মেধার নিরপেক্ষ মূল্যায়ন ব্যাহত হবে এবং নিয়োগপ্রক্রিয়ায় দলীয়করণ, ঘুষ বাণিজ্য ও দুর্নীতির সুযোগ তৈরি হবে।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা ‘বেশি মার্ক ভাইভায়, চাকরি হবে পয়সায়’, ‘ভাইভা না মেধা, মেধা মেধা’ এবং ‘কোটা গেছে যে পথে, ভাইভা যাবে সে পথে’-এর মতো স্লোগান দেন। জকসুর ভিপি রিয়াজুল ইসলাম বলেন, ভাইভায় নম্বর বাড়ানোর মাধ্যমে সরকার তাদের দলীয় লোকজনকে গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোয় বসানোর পাঁয়তারা করছে। তিনি হুঁশিয়ারি দেন যে, অবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না করা হলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে দুর্বার আন্দোলনের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে সরকারকে বাধ্য করা হবে।
জাতীয় ছাত্রশক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি শাহিন মিয়া বলেন, লিখিত পরীক্ষা আগের মতো বহাল রেখেই নিয়োগপ্রক্রিয়ার যাবতীয় অসংগতি দূর করে স্বচ্ছতা আনতে হবে। তিনি শিক্ষার্থীদের মেধার সর্বোচ্চ মূল্যায়ন নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। উল্লেখ্য, সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় লিখিত ও মৌখিক—দুই পরীক্ষারই নম্বরের মানবণ্টনে পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে সরকার। ১১ থেকে ২০শ গ্রেডে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে পরীক্ষার নম্বরবণ্টনে এ পরিবর্তন আনা হচ্ছে।
"ভাইভায় নম্বর বাড়ানোর মাধ্যমে সরকার তাদের দলীয় লোকজনকে গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোয় বসানোর পাঁয়তারা করছে। অবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না করা হলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে দুর্বার আন্দোলনের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে সরকারকে বাধ্য করা হবে"
— জকসুর ভিপি রিয়াজুল ইসলাম
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ভাষাশহীদ রফিক ভবন, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রিয়াজুল ইসলাম (জকসুর ভিপি), শাহিন মিয়া (জাতীয় ছাত্রশক্তি সভাপতি), শিক্ষার্থীরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১-২০শ গ্রেড, ১০০ ও ৫০ (১১-১২শ গ্রেড), ৬০ ও ৪০ (১৩-১৬শ গ্রেড), ২৫ করে (১৭-২০শ গ্রেড)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!