📌 বেড়া উপজেলার তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কুঁড়েঘর আদলে নির্মিত পাঠাগার উদ্বোধন করা হয়েছে। যমুনার চরাঞ্চলের প্রথম পাঠাগার হিসেবে চরপেঁচাকোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা এখন বই পড়ার আনন্দ উপভোগ করছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুনাল্ট চাকমা তিনটি পাঠাগারের উদ্বোধন করেন
বেড়া উপজেলার তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কুঁড়েঘর আদলে নির্মিত পাঠাগার উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে যমুনার চরাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুনাল্ট চাকমা ৪ আগস্ট বেড়া বালিকা পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ে তিনটি পাঠাগারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। অন্য দুটি পাঠাগার স্থাপন করা হয়েছে যমুনার চরাঞ্চলের চরপেঁচাকোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বেড়া পৌর এলাকার বেড়া বিবি সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যমুনার চরাঞ্চলের প্রথম পাঠাগার হিসেবে চরপেঁচাকোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কুঁড়েঘর পাঠাগার স্থাপন করা হয়েছে
- 📌 বেড়া উপজেলার তিনটি বিদ্যালয়ে পাঠাগার উদ্বোধন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুনাল্ট চাকমা
- 📌 শিক্ষার্থীরা এখন পাঠ্যবইয়ের বাইরে গল্প, কবিতা ও মুক্তিযুদ্ধের বই পড়ার সুযোগ পাচ্ছে
- 📌 শিক্ষার্থী সহযোগিতা সংগঠনের উদ্যোগে তিনটি বিদ্যালয়ে পাঠাগার নির্মাণ করা হয়েছে
- 📌 চরাঞ্চলের শিশুরা আলাদা করে বই কিনতে না পারলেও স্কুলেই বিভিন্ন ধরনের বই পড়তে পারছে
📰 বিস্তারিত
বেড়া উপজেলার তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কুঁড়েঘর আদলে নির্মিত পাঠাগার উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে যমুনার চরাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুনাল্ট চাকমা ৪ আগস্ট বেড়া বালিকা পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ে তিনটি পাঠাগারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। অন্য দুটি পাঠাগার স্থাপন করা হয়েছে যমুনার চরাঞ্চলের চরপেঁচাকোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বেড়া পৌর এলাকার বেড়া বিবি সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ে। এর আগে চরাঞ্চলের কোনো বিদ্যালয়ে পাঠাগার স্থাপনের নজির ছিল না।
চরপেঁচাকোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, পাঠাগার ঘিরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উৎসাহের কমতি নেই। কেউ বই উল্টেপাল্টে দেখছে, কেউ পছন্দের বই হাতে নিয়ে বসেছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সানজিদা রহমান বলেন, ‘চরের শিশুদের জন্য এটি অনেক বড় পাওয়া। এখানে অনেক পরিবারের পক্ষেই আলাদা করে বই কিনে দেওয়া সম্ভব হয় না। পাঠাগার হওয়ায় শিক্ষার্থীরা এখন স্কুলেই বিভিন্ন ধরনের বই পড়তে পারবে।’
পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী মোছা. আয়েশা ও মো. হোসাইন বলে, ‘আগে স্কুলে গল্পের বই পড়ার তেমন সুযোগ ছিল না। এখন অনেক বই আছে। স্কুলে এসে বই পড়তে ভালো লাগছে। বাড়িতেও বই নিয়ে যেতে চাই।’ অভিভাবক ফাতেমা বেগম বলেন, ‘চরে বসবাস করায় সন্তানদের জন্য অতিরিক্ত বই কেনা সব সময় সম্ভব হয় না। স্কুলে পাঠাগার হওয়ায় আমরা খুব খুশি। শিশুরা মোবাইলের দিকে কম ঝুঁকে বই পড়বে, এটাই আমাদের আশা।’
শিক্ষার্থীদের নিজেদের উদ্যোগে গড়ে ওঠা সংগঠন ‘শিক্ষার্থী সহযোগিতা সংগঠন’ তিনটি বিদ্যালয়ে পাঠাগার স্থাপন করেছে। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা মেহেরাব হোসেন বলেন, ‘এবার আমরা তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কুঁড়েঘর পাঠাগার স্থাপন করেছি। এর মধ্যে চরপেঁচাকোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠাগার স্থাপন আমাদের জন্য বিশেষ আনন্দের।’
‘শিক্ষার্থীদের নিজেদের উদ্যোগে এমন পাঠাগার গড়ে তোলা সত্যিই প্রশংসনীয়। বই পড়ার সুযোগ যত বাড়বে, শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চার পরিধিও তত বাড়বে।’ — রুনাল্ট চাকমা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বেড়া উপজেলা, যমুনার চরাঞ্চল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রুনাল্ট চাকমা, সানজিদা রহমান, মেহেরাব হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ (তিনটি বিদ্যালয়ে পাঠাগার স্থাপন)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ (আগস্ট মাসের তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!