📌 শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীন বরণ অনুষ্ঠানে বলেছেন, শিক্ষার্থীদের এআই প্রশিক্ষণ না দেওয়া বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে ফেলবে। তিনি ঘোষণা করেন, আগামী বছর থেকে ১ কোটি ১২ লাখ শিশুকে স্কুল ড্রেস দেওয়া হবে এবং ২০২৮ সালের মধ্যে যুগোপযোগী কারিকুলাম চালু করা হবে
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীন বরণ অনুষ্ঠানে সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের এআই প্রশিক্ষণ না দেওয়া হলে দেশের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে পড়বে। শিক্ষামন্ত্রী মনে করেছেন, মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের এআই শিক্ষা ছাড়া বাংলাদেশের পঞ্চম শিল্প বিপ্লবে অংশ নিতে পারবে না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, এআই প্রশিক্ষণ ছাড়া বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অন্ধকার হবে
- 📌 আগামী বছর থেকে ১ কোটি ১২ লাখ শিশুকে স্কুল ড্রেস দেওয়া হবে
- 📌 ২০২৮ সালের মধ্যে যুগোপযোগী শিক্ষা কারিকুলাম চালু করা হবে
- 📌 জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য জিমনেশিয়াম তৈরির দাবি জোরালো
- 📌 শিক্ষামন্ত্রী নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, ‘আগামীর বাংলাদেশ গড়তে হবে তোমাদের মেধা কাজে লাগিয়ে’
📰 বিস্তারিত
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের আয়োজিত নবীন বরণ অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের ছাত্র-ছাত্রীরা মেধায় কোনো অংশে কম নয়। কিন্তু যদি এআই প্রশিক্ষণ না দেই, তাহলে আমাদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার হবে।’ তিনি নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘তোমাদের দিকে দেশ তাকিয়ে আছে। পঞ্চম শিল্প বিপ্লবে অংশ নিতে হলে এআই শিক্ষা অবশ্যই প্রয়োজন।’
শিক্ষামন্ত্রী ঘোষণা করেন, সরকার শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করছে। আগামী বছর থেকে সারা দেশে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির ১ কোটি ১২ লাখ শিশুকে স্কুল ড্রেস দেওয়া হবে। পুষ্টির ঘাটতি পূরণে মিড ডে মিলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ২০২৮ সালের মধ্যে যুগোপযোগী শিক্ষা কারিকুলাম চালু করা হবে।
অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য জিমনেশিয়াম তৈরির বিষয়েও জোর দেন। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবি-দাওয়া খতিয়ে দেখার পাশাপাশি জিমনেশিয়াম তৈরির বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।
"প্রিয় নবীনরা তোমাদের দিকে দেশ তাকিয়ে আছে। আগামীর বাংলাদেশ গড়তে হলে তোমাদের মেধাকে কাজে লাগাতে হবে। এই পঞ্চম শিল্প বিপ্লবে এআই দিয়ে কাজ করতে হবে।"
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন, মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আনিছুর রহমান তালুকদার, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. মোফাজ্জল হোসেন, জাহাঙ্গীর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক শামীমা সুলতানা এবং গণিত বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক জি এম শহীদুল ইসলাম।
গণিত বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক জি এম শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘কানিজ ফাতেমার এই অর্জন আমাকে ভীষণ আনন্দিত করেছে। তার এই সাফল্য বিভাগের অন্য শিক্ষার্থীদেরও অনুপ্রাণিত করবে। খুব শিগগিরই তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংবর্ধনা দেওয়া হবে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, উপাচার্য ড. মো. রইছ উদ্দীন, অধ্যাপক জি এম শহীদুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ কোটি ১২ লাখ শিশু, ২০২৮ সাল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!