📅 ৫ নভেম্বর ২০২৬, ৪:৪০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

২৫ বছর ধরে এমপিও ছাড়া চলছে কলেজ: শিক্ষকদের নিজস্ব অর্থে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে যাচ্ছে উপকূলের শিক্ষার্থীদের জন্য

২৫ বছর ধরে এমপিও ছাড়া চলছে কলেজ: শিক্ষকদের নিজস্ব অর্থে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে যাচ্ছে উপকূলের শিক্ষার্থীদের জন্য

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ভোলার চরমানিকা জালাল আহমেদ কলেজ ২৫ বছর ধরে এমপিওভুক্ত না হওয়ায় শিক্ষকরা নিজস্ব অর্থে শিক্ষাদান করছেন। রাজনৈতিক বৈষম্য ও আর্থিক সংকটের মধ্যে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে তাদের নিরলস প্রচেষ্টা চলছে

ভোলার চরমানিকা জালাল আহমেদ কলেজ ২৫ বছর ধরে এমপিওভুক্ত না হওয়ায় শিক্ষক ও কর্মচারীরা নিজস্ব অর্থ, শ্রম ও মেধা দিয়ে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিচ্ছেন। মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীবেষ্টিত চরমানিকা ইউনিয়ন, দক্ষিণ আইচা থানায় অবস্থিত এই কলেজটি ২০০১ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হলেও সরকারি সহযোগিতা ও এমপিওভুক্তির অভাবে আজও শিক্ষকরা বিনা বেতনে দায়িত্ব পালন করছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **২৫ বছর ধরে এমপিওভুক্ত না হওয়ায়** চরমানিকা জালাল আহমেদ কলেজের শিক্ষকরা নিজস্ব অর্থে শিক্ষাদান করছেন, সরকারি বেতন-ভাতা পাচ্ছেন না
  • 📌 **তৎকালীন সংসদ সদস্য নাজিমউদ্দিন আলমের পিতা জালাল আহমেদের নামে** প্রতিষ্ঠিত কলেজটি এলাকার শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার অন্যতম ভরসা, কিন্তু রাজনৈতিক বৈষম্যের কারণে দীর্ঘদিন বঞ্চিত হয়েছে
  • 📌 **২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় কলেজের পাঁচজন শিক্ষার্থী সবাই অকৃতকার্য** হওয়ায় স্থানীয়ভাবে আলোচনা সৃষ্টি হলেও প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ও অবকাঠামোগত দুর্বলতা পেছনে রয়েছে
  • 📌 **ভোলা-৪ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্যের উদ্যোগে** কলেজটির এমপিওভুক্তির কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে, পাশাপাশি জরাজীর্ণ অবকাঠামো উন্নয়নের প্রস্তাব রয়েছে

📰 বিস্তারিত

চরমানিকা জালাল আহমেদ কলেজের প্রতিষ্ঠাতা জালাল আহমেদের নামে নামকরণ করা হলেও, প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠার ২৫ বছর পরও এমপিওভুক্তি পায়নি। এই কলেজটি এলাকার শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে ২০০১ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটির ভাগ্যে জোটেনি সরকারি সহযোগিতা ও এমপিওভুক্তি। ফলে শিক্ষক ও কর্মচারীরা নিজেদের শ্রম, অর্থ ও মেধা দিয়ে শিক্ষাদান করছেন।

কলেজের প্রভাষক ইলিয়াস হোসেন বলেন, “দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে বিনা পারিশ্রমিকে চাকরি করছি। কলেজটির মায়ায় পড়ে অন্য কোথাও যেতে পারিনি। উচ্চশিক্ষা শেষ করে জীবনের মূল্যবান সময় এই কলেজের পেছনে ব্যয় করেছি। বর্তমানে আমাদের আর্থিক সংকট ও অভাবের প্রভাব ব্যক্তিজীবন ও পরিবারেও পড়েছে। খুব দুঃখ-কষ্টের মধ্য দিয়ে জীবন কাটাচ্ছি।”

কলেজের তৃতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা হাফেজ আবু তাহের জানান, “নিজের ঘরের খাবার খেয়ে, নিজের পকেটের টাকা খরচ করে কলেজে আসা-যাওয়া করি। শিক্ষক ও কর্মচারীরা নিজস্ব অর্থ দিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় কলেজের পাঁচজন শিক্ষার্থী সবাই অকৃতকার্য হওয়ায় স্থানীয়ভাবে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। তবে এর পেছনে প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘদিনের আর্থিক সংকট, শিক্ষকসংকট ও অবকাঠামোগত দুর্বলতা রয়েছে।”

"একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে শুধু পরীক্ষার ফলাফল দিয়ে মূল্যায়ন করা যথেষ্ট নয়। দীর্ঘদিনের সীমাবদ্ধতার মধ্যেও একটি প্রতিষ্ঠান কীভাবে টিকে আছে এবং শিক্ষকেরা কীভাবে নিজেদের শ্রম ও ত্যাগ দিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন, সেটিও বিবেচনায় নেওয়া জরুরি।"

শিক্ষকদের অভিযোগ, রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে দীর্ঘদিন প্রতিষ্ঠানটি প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। বিশেষ করে প্রতিষ্ঠাতার রাজনৈতিক পরিচয়কে কেন্দ্র করে প্রতিষ্ঠানটি বৈষম্যের শিকার হয়েছে। তবে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর এবার আশার আলো দেখছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী। স্থানীয়ভাবে জানা গেছে, ভোলা-৪ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্যের উদ্যোগে কলেজটির এমপিওভুক্তির কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি কলেজের জরাজীর্ণ অবকাঠামো উন্নয়নে একটি আধুনিক একাডেমিক ভবন নির্মাণের প্রস্তাবনাও রয়েছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চরমানিকা ইউনিয়ন, দক্ষিণ আইচা থানা, ভোলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইলিয়াস হোসেন (প্রভাষক), হাফেজ আবু তাহের (তৃতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা), জালাল আহমেদ (প্রতিষ্ঠাতা)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ বছর (প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা থেকে এমপিওভুক্তি না হওয়া), ৫ জন (২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থী)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖