📌 পটুয়াখালীর বাউফল নার্সিং ইনস্টিটিউটে ২০০ শিক্ষার্থীর পাঠদান চলছে মাত্র দুজন শিক্ষকের দায়িত্বে। ১৮ কোটি টাকার বিনিয়োগে নির্মিত প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষক, কর্মচারী ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতায় ভুগছে। শিক্ষার্থীরা ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ ও নিরাপত্তা সমস্যায় পড়েছে
পটুয়াখালীর বাউফল নার্সিং ইনস্টিটিউটে ২০০ শিক্ষার্থীর পাঠদান চলছে মাত্র দুজন শিক্ষকের দায়িত্বে। ১৮ কোটি টাকার বিনিয়োগে নির্মিত এই প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষক সংকট, কর্মকর্তা অভাব ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতায় আতঙ্কিত। প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মরিয়ম বেগম জানান, অর্থনৈতিক কোড না থাকায় শিক্ষক, কর্মচারী ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো পাওয়ার ব্যাপারে সরকারি মন্ত্রণালয়ের সাথে বারবার যোগাযোগ করা হলেও কোনো কার্যকর সমাধান পাওয়া যায়নি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৮ কোটি টাকায় নির্মিত বাউফল নার্সিং ইনস্টিটিউটে ২০০ শিক্ষার্থীর পাঠদান চলছে মাত্র দুজন শিক্ষকের দায়িত্বে
- 📌 প্রতিষ্ঠানের ১০টি শিক্ষক পদে মাত্র ২জন শিক্ষক নিয়োগিত, নৈশপ্রহরী ও পিয়ন পদও শূন্য
- 📌 ৭টি ল্যাবের মধ্যে মাত্র ১টি ল্যাব রয়েছে, সেটিতেও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নেই
- 📌 শিক্ষার্থীদের জন্য কম্পিউটার ল্যাব, অডিটোরিয়াম, পর্যাপ্ত আসবাবপত্র ও খেলাধুলার সরঞ্জাম অনুপস্থিত
- 📌 প্রতিষ্ঠানটির ৭১ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই উত্তীর্ণ,其中 ২৩ জন জিপিএ-৫ পেয়েছেন
📰 বিস্তারিত
২০২০ সালের ৫ মার্চ প্রকল্পের নির্মাণকাজ শুরু হলেও প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষা কার্যক্রমে ব্যাপক সমস্যায় পড়েছে। ১৭ কোটি ৭০ লাখ ৩৯ হাজার ৯ শ ২৮ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ৫ তলা ভবনে শিক্ষক সংকটের কারণে পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত। প্রতিষ্ঠানের ১০টি শিক্ষক পদে মাত্র ২জন শিক্ষক নিয়োগিত। নৈশপ্রহরী, পিয়ন ও বাবুর্চি পদেও কর্মচারী নেই। এই অবস্থায় প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ ১৭টি বিষয়ে পাঠদান পরিচালনা করছেন দুজন শিক্ষক।
ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের জন্য ৭টি ল্যাবের মধ্যে মাত্র ১টি ল্যাব রয়েছে, সেটিতেও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নেই। শিক্ষার্থীদের জন্য একটি লাইব্রেরি রয়েছে, কিন্তু বই নেই। কম্পিউটার ল্যাব ও অডিটোরিয়ামের অভাব রয়েছে। শিক্ষার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত আসবাবপত্র ও খেলাধুলার সরঞ্জামও অনুপস্থিত। প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মরিয়ম বেগম বলেন, ‘আমাদের প্রতিষ্ঠানের অর্থনৈতিক কোড না থাকায় আমরা অনেক কিছু থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। প্রয়োজনীয় শিক্ষক, কর্মকর্তা কর্মচারী নেই। অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বৃত্তি সহযোগিতা, ভাতা পায়—আমরা সেটিও পাই না।’
প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সচল রাখতে ব্যক্তিগত তহবিল থেকেও অর্থ ব্যয় করতে হয়েছে। শিক্ষার্থীরা নিয়মিত ও যথাযথভাবে পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছেন না। নৈশপ্রহরী ও পিয়ন না থাকায় নিরাপত্তা এবং দৈনন্দিন কাজ নিয়ে সমস্যায় পড়ছেন শিক্ষার্থীরা। বাবুর্চি না থাকায় শিক্ষার্থীদের নিজেদের রান্না করে খেতে হয়। ক্যাম্পাস পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজও তাদের করতে হয়।
"আমাদের প্রতিষ্ঠানের অর্থনৈতিক কোড না থাকায় আমরা অনেক কিছু থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। প্রয়োজনীয় শিক্ষক, কর্মকর্তা কর্মচারী নেই। অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বৃত্তি সহযোগিতা, ভাতা পায়—আমরা সেটিও পাই না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাউফল নার্সিং ইনস্টিটিউট, পটুয়াখালী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মরিয়ম বেগম (ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ), শিক্ষার্থী সোনিয়া আক্তার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০০ শিক্ষার্থী, ১৮ কোটি টাকা, ৫ তলা ভবন, ১০টি শিক্ষক পদ, ২জন শিক্ষক, ৭১ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ, ২৩ জন জিপিএ-৫
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!