📌 ২৫টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ২৪টি ২০১৩-২০২৩ সালের মধ্যে অনুমোদিত হয়েছে। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো স্থায়ী ক্যাম্পাস নেই, শিক্ষা কার্যক্রম ভাড়া ভবনে বা বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে চলছে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মতে, এতে পড়ালেখা 'টেনেটুনে' হয়ে যাচ্ছে
বাংলাদেশের ২৫টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম চলছে ভাড়া ভবনে বা অস্থায়ী স্থাপনায়। নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাসের অভাবে শিক্ষার্থীরা পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ পাচ্ছেন না। গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজির (ইউএফটিবি) শিক্ষা কার্যক্রম চলছে তিনটি ভাড়া ভবনে — একটি সাইবার সিকিউরিটি, ডেটা সায়েন্স ও সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের জন্য, আরেকটি প্রশাসনিক কাজের জন্য। শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, এতে কার্যত 'টেনেটুনে' পড়ালেখা হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **২৫টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ২৪টি** ২০১৩-২০২৩ সালের মধ্যে অনুমোদিত হয়েছে, আর **ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি** ২০২৫ সালে অনুমোদিত হয়।
- 📌 **পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ে** এখনো শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়নি, তবে উপাচার্য নিয়োগ দিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করার প্রক্রিয়া চলছে।
- 📌 **৬টি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়**, **৩টি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়** ও **৪টি চিকিৎসা বিশ্ববিদ্যালয়** সহ **২৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো স্থায়ী ক্যাম্পাস নেই**।
- 📌 **২৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম** ২০১৪-১৫ থেকে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের মধ্যে শুরু হয়েছে, তবে **নিজস্ব ক্যাম্পাসের অভাবে** শিক্ষার্থীরা পূর্ণাঙ্গ সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন না।
- 📌 **ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মামুন আহমেদ** বলেছেন, শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হলেও **স্থায়ী ক্যাম্পাসের অভাবে** বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিয়মকানুনের মধ্যে আনতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।
📰 বিস্তারিত
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজির (ইউএফটিবি) শিক্ষা কার্যক্রম চলছে তিনটি ভাড়া ভবনে। একটি ভবনে সাইবার সিকিউরিটি ইঞ্জিনিয়ারিং, ডেটা সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ও সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের পাঠদান চলছে। আরেকটি ভবনে প্রশাসনিক কাজ পরিচালিত হচ্ছে। শিক্ষক ও কর্মকর্তারা বলছেন, এভাবে ভাড়া ভবনে শিক্ষা কার্যক্রম চালানোর ফলে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা 'টেনেটুনে' হয়ে যাচ্ছে।
২৫টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে **২৪টি** ২০১৩ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে অনুমোদন পেয়েছে। এদের মধ্যে **৬টি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়**, **৩টি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়** ও **৪টি চিকিৎসা বিশ্ববিদ্যালয়** রয়েছে। এছাড়া **নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি, এভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি, কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়, মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়, নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়, বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি ও ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়** সহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও নিজস্ব ক্যাম্পাসের অভাবে শিক্ষা কার্যক্রম চালাচ্ছে।
ইউজিসির চেয়ারম্যান **অধ্যাপক মামুন আহমেদ** বলেছেন, এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়েছে ২০১৪-১৫ থেকে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের মধ্যে। তবে **স্থায়ী ক্যাম্পাসের অভাবে** শিক্ষার্থীদের পূর্ণাঙ্গ সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না। তিনি বলেছেন, এসব বিশ্ববিদ্যালয়কে দ্রুত নিয়মকানুনের মধ্যে আনতে এবং ন্যূনতম সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে।
"নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাসের অভাবে শিক্ষা কার্যক্রম চালানোর ফলে কার্যত এ ধরনের বেশির ভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘টেনেটুনে’ পড়ালেখা হচ্ছে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাজীপুর (কালিয়াকৈর), ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট, নেত্রকোনা, বগুড়া, ঠাকুরগাঁও
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক মামুন আহমেদ (ইউজিসির চেয়ারম্যান), শিক্ষক, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, ২৪টি অনুমোদিত বিশ্ববিদ্যালয়, ৬টি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ৩টি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ৪টি চিকিৎসা বিশ্ববিদ্যালয়
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!