📌 হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল চালু করতে অতিরিক্ত ৯০২ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি জানান, প্রকল্পের অনিয়মের অভিযোগ থাকলেও রাষ্ট্রীয় সম্পদের ক্ষতি রোধে এই অর্থ ব্যয় জরুরি
ঢাকায় অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ অধিবেশনে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল নির্মাণে অতিরিক্ত ৯০২ কোটি টাকা বরাদ্দের যৌক্তিকতা তুলে ধরেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। রোববার (৩০ আগস্ট) বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্য হান্নান মাসউদ-এর সম্পূরক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এই তথ্য জানান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 থার্ড টার্মিনাল প্রকল্পে অতিরিক্ত ৯০২ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন বিমানমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত
- 📌 প্রকল্পের প্রাথমিক ব্যয় ছিল ১৩ হাজার কোটি টাকা, যা পরে বেড়ে দাঁড়ায় ২১ হাজার ৩০০ কোটি টাকায়
- 📌 সিএজির তদন্তে প্রকল্পে ৪ হাজার ৪৬৯ কোটি টাকার অনিয়ম শনাক্ত হয়
- 📌 প্রকল্পের কাজ ৯৯.৯১ শতাংশ সম্পন্ন হওয়ার পরও অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দের বিষয়ে প্রশ্ন উঠে
- 📌 বিমানমন্ত্রী জানান, অবশিষ্ট কাজ সম্পন্ন করতে এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ সচল করতে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় জরুরি
📰 বিস্তারিত
বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত সংসদ অধিবেশনে জানান, থার্ড টার্মিনাল প্রকল্পে অতিরিক্ত ৯০২ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রধান উদ্দেশ্য হলো রাষ্ট্রীয় সম্পদের দ্রুত সচলকরণ ও রাজস্ব আয় বৃদ্ধি। তিনি উল্লেখ করেন, প্রকল্পের প্রাথমিক প্রাক্কলিত ব্যয় ছিল ১৩ হাজার কোটি টাকা, যা পরবর্তীতে বিভিন্ন কারণে বেড়ে দাঁড়ায় ২১ হাজার ৩০০ কোটি টাকায়।
মন্ত্রী আরও জানান, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের (সিএজি) দপ্তরের তদন্তে প্রকল্পটিতে প্রায় ৪ হাজার ৪৬৯ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম শনাক্ত করা হয়েছে। তবে তিনি স্পষ্ট করেন যে, অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দের মাধ্যমে প্রকল্পের অবশিষ্ট কাজ সম্পন্ন করা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ সচল করা সম্ভব হবে। তিনি বলেন, প্রকল্পের কাজ প্রায় ৯৯.৯১ শতাংশ সম্পন্ন হওয়ার পরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ কারিগরি কাজ বাকি রয়েছে, যার জন্য অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় আবশ্যক।
একই অধিবেশনে সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান বিমানের অভ্যন্তরীণ রুটে টিকিটের উচ্চমূল্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, অভ্যন্তরীণ রুটে টিকিটের মূল্য এক লাফে দ্বিগুণ হয়ে প্রায় ১২ হাজার টাকায় পৌঁছেছে, যা সাধারণ যাত্রীদের জন্য অত্যন্ত কষ্টদায়ক। বিমানমন্ত্রী এই অভিযোগের জবাবে জানান, অভ্যন্তরীণ রুটে টিকিটের মূল নির্ধারিত দাম ১২ হাজার টাকায় পৌঁছায়নি। তিনি আরও বলেন, দ্বিমুখী টিকিট ক্রয় বা বিশেষ কর যুক্ত হলে সাময়িকভাবে মোট মূল্য বেশি মনে হতে পারে।
"অতিরিক্ত অর্থ অনুমোদন না করা হলে সুবিশাল অবকাঠামোটি সম্পূর্ণরূপে অকার্যকর অবস্থায় পড়ে থাকত, যা জাতির জন্য অনেক বেশি ক্ষতিকর হতে পারত। এই অর্থ অনুমোদন লাভ করলে অতি দ্রুততম সময়ের মধ্যে টার্মিনালটি পুরোপুরি চালু করা সম্ভব হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতীয় সংসদ অধিবেশন, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: অতিরিক্ত বরাদ্দ ৯০২ কোটি টাকা, প্রকল্প ব্যয় ২১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা, অনিয়মের পরিমাণ ৪ হাজার ৪৬৯ কোটি টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!