📌 বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী উত্তরা ফাইন্যান্সের পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠনের পর চার পরিচালক পদত্যাগ করেছেন। প্রতিষ্ঠানটির এমডিসহ চারজন স্বতন্ত্র পরিচালক রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকে পদত্যাগপত্র জমা দেন
বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগে আলোচিত উত্তরা ফাইন্যান্স লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ থেকে একযোগে চার পরিচালকের পদত্যাগ ঘটেছে। রোববার তাঁরা বাংলাদেশ ব্যাংকে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন বলে জানা গেছে। পদত্যাগ করা চার পরিচালকের মধ্যে রয়েছেন উত্তরা ফাইন্যান্সের চেয়ারম্যান ও এনআরবিসি ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মুখতার হোসেন; স্বতন্ত্র পরিচালক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক মো. নিয়ামুল কবির; স্বতন্ত্র পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. ওয়ালি উল্লাহ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 উত্তরা ফাইন্যান্সের চার পরিচালক পদত্যাগ করেছেন — চেয়ারম্যান মুখতার হোসেন, নিয়ামুল কবির, রফিকুল ইসলাম ও এমডি ওয়ালি উল্লাহ
- 📌 পদত্যাগপত্র জমা দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকে
- 📌 উত্তরা ফাইন্যান্সের পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠনের পর পদত্যাগ ঘটল
- 📌 পদত্যাগের পর পর্ষদে রয়েছেন মোহাম্মদ শফিউল আজম ও সিএফও মাহবুব আলম
- 📌 উত্তরা ফাইন্যান্সের বিরুদ্ধে ৩ হাজার ৪৪০ কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে
📰 বিস্তারিত
উত্তরা ফাইন্যান্স লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ থেকে চার পরিচালকের একযোগে পদত্যাগের ঘটনা ঘটেছে। প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মো. মুখতার হোসেন, স্বতন্ত্র পরিচালক মো. নিয়ামুল কবির, স্বতন্ত্র পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ওয়ালি উল্লাহ রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকে পদত্যাগপত্র জমা দেন। উত্তরা ফাইন্যান্সের এমডি ওয়ালি উল্লাহ ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
চার পরিচালকের পদত্যাগের পর উত্তরা ফাইন্যান্সের পরিচালনা পর্ষদে এখন দুজন পরিচালক রয়েছেন। তাঁরা হলেন স্বতন্ত্র পরিচালক মোহাম্মদ শফিউল আজম এবং উত্তরা গ্রুপের প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা (সিএফও) মাহবুব আলম। পদত্যাগের বিষয়ে এমডি ওয়ালি উল্লাহর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি বলে সূত্র জানিয়েছে।
উত্তরা ফাইন্যান্সের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ রয়েছে। ২০২২ সালের ২৮ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠানটির মূল উদ্যোক্তা উত্তরা গ্রুপ-সংশ্লিষ্ট পাঁচ পরিচালককে অপসারণ করা হয়েছিল। অপসারিত পরিচালকদের মধ্যে ছিলেন তৎকালীন চেয়ারম্যান রাশেদুল হাসান; উত্তরা গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান মতিউর রহমান; তাঁর ভাই পরিচালক মুজিবুর রহমান এবং প্রতিষ্ঠানের পরিচালক জাকিয়া রহমান ও নাঈমুর রহমান।
২০১৯ সালের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণের ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শনে উত্তরা ফাইন্যান্সের অনিয়ম ধরা পড়ে। অভিযোগগুলোর মধ্যে ছিল আমানতের অর্থ প্রতিষ্ঠানের হিসাবে জমা না রাখা, কলমানির অর্থ ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার, অগ্রিম ও প্রি-পেমেন্টের নামে নিয়মবহির্ভূতভাবে অর্থ উত্তোলন এবং ভুয়া এফডিআরের বিপরীতে ঋণ প্রদান। এসব অনিয়মের কারণে প্রতিষ্ঠানটির তৎকালীন এমডি এস এম শামসুল আরেফিনকে ২০২২ সালের জুন মাসে অপসারণ করা হয়েছিল।
"উত্তরা ফাইন্যান্সের পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠনের পর চার পরিচালকের পদত্যাগ ঘটেছে। বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় পরিচালিত হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. মুখতার হোসেন, মো. নিয়ামুল কবির, মো. রফিকুল ইসলাম, মো. ওয়ালি উল্লাহ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ হাজার ৪৪০ কোটি টাকা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ ডিসেম্বর ২০২২
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!