📅 ৩০ আগস্ট ২০২৬, ৯:৫৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

এপেক্সের উদ্ভাবনী উদ্যোগ: সাত মাসেই মাটিতে মিলিয়ে যাবে শপিং ব্যাগ

এপেক্সের উদ্ভাবনী উদ্যোগ: সাত মাসেই মাটিতে মিলিয়ে যাবে শপিং ব্যাগ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 এপেক্স গ্রুপ দেশে প্রথমবারের মতো শতভাগ বায়োডিগ্রেডেবল শপিং ব্যাগ চালু করেছে, যা ব্যবহারের সাত মাসের মধ্যে সম্পূর্ণ মাটিতে মিশে যাবে। বুয়েট ও বিসিএসআইআর-এর পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এই ব্যাগে ক্ষতিকর পলিথিন ব্যবহার করা হয়নি

ঢাকা, ৩০ আগস্ট ২০২৬: পরিবেশবান্ধব বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এপেক্স গ্রুপ দেশে প্রথমবারের মতো শতভাগ বায়োডিগ্রেডেবল শপিং ব্যাগ চালু করেছে। ব্যবহারের পর ফেলে দেওয়া হলেও মাত্র সাত মাসের মধ্যেই এই ব্যাগগুলো মাটির সঙ্গে সম্পূর্ণ মিশে যাবে বলে দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 এপেক্স গ্রুপ চালু করেছে শতভাগ বায়োডিগ্রেডেবল শপিং ব্যাগ, যা ব্যবহারের পর সাত মাসের মধ্যে মাটিতে মিশে যাবে
  • 📌 ব্যাগ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়েছে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বায়োরেজিন, যেখানে ক্ষতিকর পলিথিন বা পলিস্টাইরিন নেই
  • 📌 বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ও বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর)-এর পরীক্ষায় ব্যাগগুলো পরিবেশবান্ধব হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে
  • 📌 প্রতিষ্ঠানটির দাবি, ব্যবহারের পর ব্যাগগুলোতে কোনো ক্ষতিকর অবশিষ্টাংশ থাকবে না

📰 বিস্তারিত

টেকসই উন্নয়নের অংশ হিসেবে এপেক্স গ্রুপ দেশে প্রথমবারের মতো শতভাগ বায়োডিগ্রেডেবল শপিং ব্যাগ চালু করেছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, ব্যবহারের পর ফেলে দেওয়া হলেও মাত্র সাত মাসের মধ্যেই এই ব্যাগগুলো মাটির সঙ্গে সম্পূর্ণ মিশে যাবে। প্রচলিত প্লাস্টিক ব্যাগের বিপরীতে এই ব্যাগ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়েছে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বায়োরেজিন, যেখানে ক্ষতিকর পলিথিন বা পলিস্টাইরিনের মতো উপাদান ব্যবহার করা হয়নি।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ও বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর) পৃথকভাবে ব্যাগগুলোর মান ও পরিবেশগত বৈশিষ্ট্য পরীক্ষা করেছে। পরীক্ষায় ব্যাগগুলো পরিবেশবান্ধব হিসেবে প্রমাণিত হওয়ার পর প্রতিষ্ঠানটি আনুষ্ঠানিকভাবে এই ব্যাগ বাজারে আনতে সক্ষম হয়েছে। এপেক্স গ্রুপের দাবি, ব্যবহারের পর ব্যাগগুলোতে কোনো ক্ষতিকর অবশিষ্টাংশ থাকবে না, যা দীর্ঘমেয়াদে পরিবেশ দূষণ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

প্রতিষ্ঠানটির পরিবেশ ও টেকসই উন্নয়ন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এই উদ্যোগকে দেখা হচ্ছে। এর আগে এপেক্স গ্রুপ ব্যবহৃত সিনথেটিক উপকরণ রিসাইকেল, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার এবং জ্বালানিসাশ্রয়ী অবকাঠামো তৈরির মতো বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। ব্যবসায়িক কার্যক্রমের পাশাপাশি পরিবেশের প্রতিও দায়িত্বশীল থাকার এই প্রচেষ্টা দেশে টেকসই জীবনযাপনের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে সহায়ক হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

"টেকসই বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে আমাদের এই উদ্যোগ। ব্যবহারের পর ব্যাগটি যাতে পরিবেশের ওপর দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব না ফেলে, সেজন্য আমরা আন্তর্জাতিক মান অনুসরণ করেছি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 প্রতিষ্ঠান: এপেক্স গ্রুপ
  • 🔢 পচনশীল সময়কাল: সাত মাস

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖