📌 টিসিবি স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির বাইরে খোলাবাজারে নির্বাচিত নিত্যপণ্য বিক্রির পরীক্ষামূলক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। প্রাথমিকভাবে প্রায় ২০ হাজার মেট্রিক টন ভোজ্যতেল সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে বাজারে আসবে বলে জানিয়েছেন টিসিবির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ ফয়সল আজাদ
ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির বাইরে খোলাবাজারে নির্বাচিত নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রির নতুন পরীক্ষামূলক উদ্যোগ চালু করতে যাচ্ছে। বিদ্যমান ভর্তুকিভিত্তিক ব্যবস্থার পরিবর্তে প্রতিযোগিতামূলক দামে পণ্য সংগ্রহ করে তুলনামূলক কম মুনাফায় বিক্রির মাধ্যমে ভোক্তাদের স্বস্তি দেওয়ার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন টিসিবির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ ফয়সল আজাদ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 টিসিবি খোলাবাজারে নির্বাচিত নিত্যপণ্য বিক্রির পরীক্ষামূলক উদ্যোগ চালু করছে সরকারি ভর্তুকি ছাড়াই
- 📌 প্রাথমিকভাবে প্রায় ২০ হাজার মেট্রিক টন ভোজ্যতেল সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে বাজারে আসবে
- 📌 প্রতি ইউনিটে প্রচলিত বাজারদরের তুলনায় প্রায় ১০ থেকে ১২ টাকা কম দামে পণ্য বিক্রি করা হবে
- 📌 পরীক্ষামূলক কার্যক্রম তিন থেকে চার মাস ধরে চালানো হবে এবং এর ফলাফলের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করা হবে
- 📌 সরকার কোনো ভর্তুকি প্রদান করবে না, তবে প্রতিযোগিতামূলক দামে পণ্য সংগ্রহ করে কম দামে বিক্রি করা হবে
📰 বিস্তারিত
টিসিবির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ ফয়সল আজাদ সম্প্রতি তার কার্যালয়ে বাসসকে জানান, এই উদ্যোগটি সম্পূর্ণ নতুন এবং সরকারের চিন্তাভাবনার ফসল। তিনি বলেন, ‘এটি সম্পূর্ণ নতুন একটি উদ্যোগ এবং বর্তমান সরকারের চিন্তা থেকেই এর সূত্রপাত।’ প্রাথমিকভাবে ভোজ্যতেল দিয়ে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানান তিনি। প্রায় ২০ হাজার মেট্রিক টন ভোজ্যতেলের প্রথম চালান সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
টিসিবি চেয়ারম্যান আরও জানান, ভোজ্যতেলের দাম বেশি এবং বাজারে এর চাহিদা শক্তিশালী হওয়ায় প্রাথমিকভাবে এই পণ্য দিয়ে কার্যক্রম শুরু করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘ভোজ্যতেলের চাহিদা রয়েছে। আমরা তেল দিয়ে শুরু করছি, কারণ এখন তেলের দাম বেশি। আমি যদি কম দামে সংগ্রহ করতে না পারি, তাহলে কম দামে বিক্রিও করতে পারব না।’ পরবর্তী সময়ে চিনি ও ডালসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যও প্রতিযোগিতামূলক দামে সংগ্রহ করা সম্ভব হলে খোলাবাজারে বিক্রির আওতায় আনা হতে পারে বলে জানান তিনি।
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, খোলাবাজারে প্রস্তাবিত পণ্য বিক্রিতে সরকার কোনো ভর্তুকি দেবে না। বরং প্রতিযোগিতামূলক দামে পণ্য সংগ্রহ করে তুলনামূলক কম মুনাফায় বিক্রির মাধ্যমে ভোক্তাদের সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করবে টিসিবি। তিনি বলেন, ‘এখানে সরকার কোনো ভর্তুকি দেবে না। যেহেতু আমি কম দামে কিনেছি, তাই কিছুটা কম দামে বিক্রি করব। তবে তা বাজারদরের চেয়ে কম হবে।’
টিসিবি চেয়ারম্যান জানান, পরীক্ষামূলক কার্যক্রম তিন থেকে চার মাস ধরে চালিয়ে বাজারে এর প্রতিক্রিয়া মূল্যায়ন করা হবে। তিনি বলেন, ‘পণ্য আনলাম, কিন্তু বিক্রি করতে পারলাম না, তাহলে এটি চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। আর বিক্রি করতে পারলে আমরা উদ্যোগটি এগিয়ে নিতে পারব।’ তিনি আরও বলেন, ‘পাইলট কার্যক্রম সফল হলে এটি সম্প্রসারণ করা হবে।’
‘আমরা তেল দিয়ে শুরু করছি। ডাল কম দামে সংগ্রহ করতে পারলে ডালও বিক্রি করব। চিনি কম দামে সংগ্রহ করতে পারলে চিনিও বিক্রি করব।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ ফয়সল আজাদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ হাজার মেট্রিক টন, ১০ থেকে ১২ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!