📅 ২৭ আগস্ট ২০২৬, ১১:৩২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চিনির সরবরাহ সংকটে খুচরা বাজারে কেজিপ্রতি দাম ১৫ টাকা বৃদ্ধি, ক্রেতাদের ভোগান্তি চরমে

চিনির সরবরাহ সংকটে খুচরা বাজারে কেজিপ্রতি দাম ১৫ টাকা বৃদ্ধি, ক্রেতাদের ভোগান্তি চরমে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চিনির সরবরাহ সংকট ও উৎপাদন কমে যাওয়ায় রাজধানীর বাজারগুলোতে খোলা ও মোড়কজাত চিনির দাম ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। দুই সপ্তাহে কেজিপ্রতি দাম বেড়েছে ১৫ টাকা, যার ফলে ক্রেতাদের দোকান থেকে দোকানে ঘুরতে হচ্ছে

রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে চিনির সরবরাহ সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। ফলে খোলা ও মোড়কজাত চিনির দাম ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। দুই সপ্তাহের ব্যবধানে খোলা চিনির দাম কেজিপ্রতি ১৫ টাকা বেড়ে প্রতি কেজি ১১৫ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে, মোড়কজাত চিনির সরবরাহও প্রায় এক সপ্তাহ ধরে উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। ক্রেতাদের একাধিক দোকান ঘুরে চিনি কিনতে হচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 দুই সপ্তাহে খোলা চিনির দাম কেজিপ্রতি ১৫ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ১১৫ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে
  • 📌 মোড়কজাত চিনির সরবরাহ প্রায় এক সপ্তাহ ধরে ব্যাপকভাবে কমে গেছে
  • 📌 রাজধানীর মোহাম্মদপুর, মোহাম্মাদীয়া হাউজিং লিমিটেড বাজার ও টাউন হল বাজারে সরেজমিনে দেখা গেছে সরবরাহ সংকট
  • 📌 মিলগেট পর্যায়ে চিনির মূল্যবৃদ্ধি ও সরবরাহ কমে যাওয়ায় খুচরা বাজারে প্রভাব পড়েছে
  • 📌 দেশে এক মাসের বেশি সময় ধরে চলমান গ্যাস সংকটের কারণে চিনির উৎপাদন কমেছে

📰 বিস্তারিত

মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট, মোহাম্মাদীয়া হাউজিং লিমিটেড বাজার ও টাউন হল বাজারে সরেজমিনে দেখা গেছে, বেশিরভাগ দোকানে খোলা চিনির সরবরাহ নেই। মাত্র কয়েকটি দোকানে খোলা ও মোড়কজাত চিনি পাওয়া গেছে। মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটে ১০টি মুদিদোকানের মধ্যে মাত্র ৩টি দোকানে মোড়কজাত চিনি এবং ৬টি দোকানে খোলা চিনি পাওয়া গেছে। বেশিরভাগ দোকানে প্রতি কেজি চিনি ১১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কোনো কোনো দোকানে ১২০ টাকা কেজি দরে খোলা চিনি বিক্রি হতে দেখা গেছে।

মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটের বিক্রেতা ইমাম পাটোয়ারী জানান, গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে পাইকারিতে চিনির দাম বস্তাপ্রতি প্রায় ৬৫০ টাকা বেড়েছে। এখন এক বস্তা চিনি কিনতে সাড়ে ৫ হাজার টাকার বেশি লাগছে। বাজারে মোড়কজাত লাল চিনিও পাওয়া যাচ্ছে, তবে এর দাম বেশি—কেজি প্রতি ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা।

টাউন হল বাজারের ‘আল্লাহ রাখা জেনারেল স্টোর’ থেকে ক্রেতা সাকিব ইমাম হোসেন জানান, তার নিয়মিত ক্রেতা চিনির প্যাকেট চেয়েছিলেন, কিন্তু দোকানে তা না থাকায় তাকে পাশের দোকান থেকে খোলা চিনি কিনে দিতে হয়েছে। তিনি বলেন, ‘গ্রাহক প্যাকেট চিনি চেয়েছিলেন, কিন্তু দিতে পারিনি। পরে পাশের দোকান থেকে ১১৫ টাকায় খোলা চিনি কিনে এনে দিয়েছি।’

টাউন হল বাজারের এক মুদিদোকানি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, খোলা চিনির দাম এখন মোড়কজাত চিনির চেয়ে বেশি হওয়ায় অনেক দোকানেই প্যাকেট ভেঙে খোলা হিসেবে চিনি বিক্রি করছে। আবার অনেকে প্যাকেট থাকলেও তা স্বীকার করছেন না।

‘এক প্যাকেট চিনি কেনার জন্য পাঁচ দোকান ঘুরেছি। কোথাও প্যাকেট পাইনি। পরে এক দোকান থেকে খোলা চিনি কিনেছি। তা–ও ১৫ টাকা বেশি দামে। কারখানায় উৎপাদন কমলেই দাম এতটা বেড়ে যাবে, এটা কেমন কথা?’ — রাজধানীর তাজমহল রোডের বাসিন্দা বাহারুল ইসলাম

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজধানীর মোহাম্মদপুর, মোহাম্মাদীয়া হাউজিং লিমিটেড বাজার, টাউন হল বাজার
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইমাম পাটোয়ারী (বিক্রেতা), সাকিব ইমাম হোসেন (বিক্রেতা), বাহারুল ইসলাম (ক্রেতা)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ টাকা (দাম বৃদ্ধি), ১৫ টাকা (মোট দাম বৃদ্ধি), ১১৫ টাকা (খোলা চিনির দাম), ১২০ টাকা (খোলা চিনির সর্বোচ্চ দাম), ১৩০ টাকা (লাল চিনির দাম), ৬৫০ টাকা (পাইকারি দাম বৃদ্ধি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖