📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:০৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

স্টার্টআপ অর্থায়নে নতুন মাইলফলক: ৪০০ কোটি টাকার ফান্ড অব ফান্ডস উদ্বোধন

স্টার্টআপ অর্থায়নে নতুন মাইলফলক: ৪০০ কোটি টাকার ফান্ড অব ফান্ডস উদ্বোধন

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে স্টার্টআপ খাতের জন্য চালু হলো ৪০০ কোটি টাকার ফান্ড অব ফান্ডস। আইসিটি বিভাগের অধীনে স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনায় এই তহবিল ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফান্ডের মাধ্যমে স্টার্টআপগুলোকে অর্থায়ন করবে

বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের অধীনে পরিচালিত স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড (এসবিএল) দেশের উদীয়মান স্টার্টআপ খাতের জন্য ৪০০ কোটি টাকার ‘ফান্ড অব ফান্ডস’ চালু করেছে। গত ১৬ আগস্ট রাজধানীর আগারগাঁওয়ের আইসিটি টাওয়ারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই তহবিলের উদ্বোধন করেন আইসিটিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বিগত এক দশকে বাংলাদেশের স্টার্টআপ খাত বিশ্ববাজার থেকে প্রায় ১২০ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ আকর্ষণ করেছে
  • 📌 স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের অংশ ছিল মাত্র ৭ শতাংশের কাছাকাছি
  • 📌 সরকারি প্রতিষ্ঠান স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নুরুল হাই জানান, তহবিলটি সরাসরি স্টার্টআপে নয়, বরং ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফান্ডের মাধ্যমে বিতরণ করা হবে
  • 📌 সরকারনিবন্ধিত ও অনুমোদিত ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফান্ডগুলোই এই তহবিল থেকে অর্থ পাবে

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমকে শক্তিশালী করতে সরকারের নতুন পদক্ষেপ হিসেবে চালু হলো ৪০০ কোটি টাকার ফান্ড অব ফান্ডস। এই তহবিলের মাধ্যমে সরকার সরাসরি স্টার্টআপগুলোকে অর্থায়ন না করে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফান্ডগুলোর মাধ্যমে পরোক্ষ অর্থায়ন ব্যবস্থা চালু করেছে। স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নুরুল হাই জানান, ‘এই ফান্ড অব ফান্ডস মূলত ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফান্ডগুলোতে বিনিয়োগ করবে। বিভিন্ন ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফান্ড তাদের অভিজ্ঞতা থেকে বিভিন্ন স্টার্টআপ খুঁজে বের করে বিনিয়োগ করবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা পুরো স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম তৈরি করতে তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে কাজ করব। যেহেতু এটি একটি পরোক্ষ অর্থায়ন ব্যবস্থা, তাই কোনো স্টার্টআপ সরাসরি আবেদন করে এই ফান্ড থেকে অর্থ পাবে না।’ সরকারনিবন্ধিত ও অনুমোদিত ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফান্ডগুলোই এই তহবিল থেকে অর্থ পাবে। যেসব ফান্ড প্রযুক্তিভিত্তিক সমাধান, কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষমতা, স্থানীয় বাজারের সমস্যা সমাধান এবং আন্তর্জাতিক বাজারে সম্প্রসারণে কাজ করছে, তাদের নিয়েই কাজ করা হবে বলে জানান তিনি।

স্টার্টআপ খাতের টেকসই প্রবৃদ্ধি এবং অর্থনীতিতে এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ফান্ড অব ফান্ডসের মতো প্রাতিষ্ঠানিক তহবিল গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন বিশ্লেষকেরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের অধ্যাপক ড. মো. মহিউদ্দীন বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক রূপান্তরে স্টার্টআপ খাতের ভূমিকা দিন দিন জোরালো হচ্ছে। তবে দেশীয় প্রাতিষ্ঠানিক মূলধনের অভাব এই খাতের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।’

‘এত দিন বিদেশি বিনিয়োগের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতার কারণে বিশ্ববাজারের মন্দা বা ভূরাজনৈতিক সংকটে দেশীয় স্টার্টআপগুলো বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়ত। ৪০০ কোটি টাকার এই ফান্ড অব ফান্ডস চালু হওয়ার ফলে সেই নির্ভরতা অনেকটাই কমবে এবং স্থানীয় পর্যায়ে একটি শক্তিশালী ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ইকোসিস্টেম গড়ে উঠবে।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: আগারগাঁও, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আইসিটিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নুরুল হাই
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০০ কোটি টাকা, ১২০ কোটি মার্কিন ডলার, ৭ শতাংশ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖