📅 ৩১ আগস্ট ২০২৬, ১১:০৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সিরাজগঞ্জে পল্লী বিদ্যুতের নিজস্ব জমিতে অফিস না হওয়ায় ২৯ বছরে ভাড়া বাবদ গচ্চা ১ কোটি ২৪ লাখ টাকা

সিরাজগঞ্জে পল্লী বিদ্যুতের নিজস্ব জমিতে অফিস না হওয়ায় ২৯ বছরে ভাড়া বাবদ গচ্চা ১ কোটি ২৪ লাখ টাকা

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সিরাজগঞ্জের ভূইয়াগাঁতীতে পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের নিজস্ব প্রায় ৮ বিঘা জমি পড়ে থাকলেও গত ২৯ বছর ধরে ভাড়া ভবনে কার্যক্রম চলছে। এতে ভাড়া বাবদ ব্যয় হয়েছে প্রায় ১ কোটি ২৪ লাখ টাকা। স্থানীয়দের অভিযোগ, দ্রুত নিজস্ব জমিতে অফিস নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তারা

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ভূইয়াগাঁতীতে অবস্থিত পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের নিজস্ব প্রায় আট বিঘা জমি পড়ে থাকলেও গত ২৯ বছর ধরে ধানগড়া এলাকায় ভাড়া ভবনে অফিস পরিচালনা করা হচ্ছে। সূত্রে জানা যায়, প্রতি মাসে ৩৫ হাজার ৭০০ টাকা ভাড়া হিসেবে গত ২৯ বছরে শুধু ভাড়ার জন্য ব্যয় হয়েছে প্রায় ১ কোটি ২৪ লাখ ২৩ হাজার টাকা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ভূইয়াগাঁতীতে পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের নিজস্ব প্রায় ৮ বিঘা জমি পড়ে থাকলেও ভাড়া ভবনে চলছে কার্যক্রম
  • 📌 ধানগড়া এলাকায় ভাড়া ভবনের মাসিক ভাড়া ৩৫ হাজার ৭০০ টাকা
  • 📌 গত ২৯ বছরে ভাড়া বাবদ ব্যয় হয়েছে প্রায় ১ কোটি ২৪ লাখ ২৩ হাজার টাকা
  • 📌 ১৯৯৭ সালে ভূইয়াগাঁতীতে অফিসের জন্য ২১৫ দশমিক ৭৫ শতক জমি অধিগ্রহণ করা হলেও এখনো নির্মাণ হয়নি অফিস ভবন
  • 📌 স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত নিজস্ব জমিতে অফিস নির্মাণের জন্য প্রকল্প গ্রহণ করা হোক

📰 বিস্তারিত

সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলার ভূইয়াগাঁতীতে অবস্থিত পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের নিজস্ব প্রায় আট বিঘা জমি পড়ে থাকলেও গত ২৯ বছর ধরে ধানগড়া এলাকায় ভাড়া ভবনে অফিস পরিচালনা করা হচ্ছে। সূত্রে জানা যায়, প্রতি মাসে ৩৫ হাজার ৭০০ টাকা ভাড়া হিসেবে গত ২৯ বছরে শুধু ভাড়ার জন্য ব্যয় হয়েছে প্রায় ১ কোটি ২৪ লাখ ২৩ হাজার টাকা।

তথ্য অনুযায়ী, সিরাজগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর অধীন ভূইয়াগাঁতী জোনাল অফিসের ৩০ এমপি উপকেন্দ্র ১৯৮১ সালে স্থাপন করা হয়। পরবর্তীকালে ১৯৯৭ সালে ভূইয়াগাঁতীতে অফিসের জন্য মোট ২১৫ দশমিক ৭৫ শতক জমি অধিগ্রহণ করা হলেও এখনো সেখানে পূর্ণাঙ্গ অফিস ভবন নির্মাণ করা হয়নি। ফলে দীর্ঘ তিন দশক ধরে ভাড়া ভবন থেকেই অফিসের যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আকাশ সরকার বলেন, ‘পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের নিজস্ব প্রায় ৮ বিঘা জমি রয়েছে। অথচ সেই জমি পড়ে আছে, আর অফিস চলছে ভাড়া ভবনে। বছরের পর বছর এভাবে সরকারি অর্থ খরচ করার যৌক্তিকতা কী, তার উত্তর কর্তৃপক্ষকে দিতে হবে।’

আরেক স্থানীয় বাসিন্দা মোতাহার হোসেন বলেন, ‘১৯৯৭ সালে অফিসের জন্য জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। এত বছর পরও যদি সেখানে অফিস না হয়, তাহলে জমিটি কেন অধিগ্রহণ করা হয়েছিল, সেটিও খতিয়ে দেখা দরকার। দ্রুত নিজস্ব জমিতে অফিস স্থানান্তর করা উচিত।’

স্থানীয় ব্যবসায়ী মো. বাছেদ সরকার বলেন, ‘প্রতি মাসে ভাড়া দিতে হচ্ছে। ২৯ বছরে এই টাকার পরিমাণ কোটি ছাড়িয়েছে। আগে থেকেই নিজস্ব জায়গায় ভবন নির্মাণ করা হলে দীর্ঘমেয়াদে এই অর্থ সাশ্রয় করা সম্ভব হতো।’

‘অতিদ্রুত প্রকল্পের মাধ্যমে ভূইয়াগাঁতীর নির্ধারিত স্থানে অফিস ভবন নির্মাণের পাশাপাশি কর্মচারীদের জন্য কোয়ার্টার স্থাপন করা হবে।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ভূইয়াগাঁতী, রায়গঞ্জ, সিরাজগঞ্জ
  • 👥 স্থানীয় বাসিন্দা: আকাশ সরকার, মোতাহার হোসেন, মো. বাছেদ সরকার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯ বছর, ৩৫ হাজার ৭০০ টাকা, ১ কোটি ২৪ লাখ ২৩ হাজার টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖