📅 ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১১:২১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৬৮১ কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত: শ্রমিক বিক্ষোভে শিল্পাঞ্চল দাঁড়ায়

৬৮১ কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত: শ্রমিক বিক্ষোভে শিল্পাঞ্চল দাঁড়ায়

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বেতন বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিক বিক্ষোভে সোমবার ৬৮১টি কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হয়। এর মধ্যে ৬৭৯টি তৈরি পোশাক কারখানা। গাজীপুর, সাভার ও আশুলিয়ায় বিক্ষোভ চলছিলো, পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। মালিকপক্ষ ও সরকারি বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি

বেতন বৃদ্ধির দাবিতে চলমান শ্রমিক আন্দোলনের কারণে সোমবার বাংলাদেশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে ৬৮১টি কারখানায় উৎপাদন সম্পূর্ণভাবে ব্যাহত হয়েছে। এর মধ্যে ৬৭৯টি তৈরি পোশাক কারখানা এবং ২টি অন্যান্য শিল্প কারখানা। গত রোববার ৫২৯টি পোশাক কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হয়েছিল। গাজীপুর, সাভার, আশুলিয়া ও নারায়ণগঞ্জে শ্রমিকেরা বিক্ষোভের মাধ্যমে কারখানাগুলো বন্ধ রাখার দাবি জানিয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৬৮১ কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত — এর মধ্যে ৬৭৯টি তৈরি পোশাক কারখানা এবং ২টি অন্যান্য শিল্প কারখানা।
  • 📌 ১৬ লাখ ৯২ হাজার ৭৮২ জন শ্রমিক কর্মরত এই কারখানাগুলোতে, যার মধ্যে মিরপুরে ৬৫টি, গাজীপুরে ৩৮২টি এবং সাভার-আশুলিয়া-জিরানিতে ৯টি কারখানা রয়েছে।
  • 📌 গাজীপুরের কালিয়াকৈরে একটি জুতার কারখানায় উৎপাদন শুরু হলেও শ্রমিকদের চাপে কর্তৃপক্ষকে শ্রমিকদের ছুটি দিতে বাধ্য হয়।
  • 📌 পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে গাজীপুর, সাভার, আশুলিয়া ও নারায়ণগঞ্জে বিক্ষোভকালে।
  • 📌 স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সকালে মালিকপক্ষের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন, বিকেলে শ্রমিকনেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
  • 📌 বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, কারখানা বন্ধ রাখার ইচ্ছা নেই, তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে উৎপাদন চালানো সম্ভব নয়।

📰 বিস্তারিত

বেতন বৃদ্ধির দাবিতে গত সপ্তাহ থেকে সাভার, গাজীপুরসহ বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে শ্রমিকদের আন্দোলন চলছে। রোববার শ্রম মন্ত্রণালয় নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন করলেও শ্রমিকদের অসন্তোষ কমেনি। সোমবার গাজীপুর, সাভার, আশুলিয়া ও নারায়ণগঞ্জে বিক্ষোভের সময় পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

বিজিএমইএর তথ্য অনুযায়ী, সোমবার ৬৭৯টি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা কাজ না করে কারখানা থেকে বেরিয়ে যায়। এর মধ্যে মিরপুরের ৬৫টি, গাজীপুরের ৩৮২টি এবং সাভার, আশুলিয়া ও জিরানি এলাকার ৯টি কারখানা রয়েছে। এসব কারখানায় কর্মরত শ্রমিকের সংখ্যা ১৬ লাখ ৯২ হাজার ৭৮২ জন। গাজীপুরের কালিয়াকৈরে একটি দেশীয় জুতার কারখানায় উৎপাদন শুরু হলেও সকাল ৯টার দিকে শ্রমিকদের চাপে কর্তৃপক্ষকে শ্রমিকদের ছুটি দিতে বাধ্য হয়। আশুলিয়ার পিকার্ড বাংলাদেশের উৎপাদনও ব্যাহত হয়েছে।

শিল্পাঞ্চলের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সোমবার সকালে সচিবালয়ে মালিকপক্ষের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। বিকেলে শ্রমিকনেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।

"কারখানা বন্ধ রাখার ইচ্ছা আমাদের নেই। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে উৎপাদন চালানো সম্ভব হচ্ছে না। মঙ্গলবার কারখানা চালু রাখার চেষ্টা করবেন আমরা। পরিস্থিতির উন্নতি না হলে কারখানা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে।"

বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, শ্রমিকনেতাসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রচেষ্টায় পরিস্থিতির উন্নতি হবে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গাজীপুর, সাভার, আশুলিয়া, নারায়ণগঞ্জ, মিরপুর, কালিয়াকৈরে, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাহমুদ হাসান খান, সালাহউদ্দিন আহমদ, আরিফুল হক চৌধুরী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৮১টি কারখানা, ৬৭৯টি পোশাক কারখানা, ১৬ লাখ ৯২ হাজার ৭৮২ জন শ্রমিক

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖