📌 ঢাকার এক ভোকেশনাল ট্রেনিং সেন্টারের কর্মী মিমি শুক্রবার সকালের ঘুম ভালোবাসে। কিন্তু পলাশের কলে তার স্বপ্ন ভেঙে যায়। বিচ্ছেদের পর পলাশ গ্রামে গাঁজা খেয়ে মেয়েদের সাথে প্রেম করে বেড়াচ্ছে, যা মিমিকে হতাশ করে তোলে
ঢাকার একটি ভোকেশনাল ট্রেনিং সেন্টারে ৯ বছরের চাকরি করছেন মিমি। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত অফিসের চাপের পর শুক্রবারের এই ঘুম তার কাছে অমৃতের মতো। কিন্তু পলাশের কলে তার স্বপ্ন ভেঙে যায়। মিমির জীবনের একটা অংশ ছিল তার স্বামী পলাশের সাথে। কিন্তু বিচ্ছেদের পর পলাশের জীবনযাত্রা তাকে হতাশ করে তোলে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মিমি শুক্রবার সকালের ঘুম ভালোবাসে, কিন্তু পলাশের কলে তার স্বপ্ন ভেঙে যায়
- 📌 পলাশের কলে মিমি মনে পড়ে তাদের বিচ্ছেদের কষ্ট ও পলাশের স্বভাবগত অস্বাভাবিকতা
- 📌 পলাশ গাঁজা খেয়ে গ্রামে বাস করছেন, মেয়েদের সাথে প্রেম করে বেড়াচ্ছেন
- 📌 মিমি বনশ্রীতে একা থাকেন, প্রতি মাসে বাবা-মায়ের খরচ পাঠান
- 📌 পলাশের জীবনযাত্রা মিমিকে হতাশ করে, সে তার স্বপ্নের মতো জীবন বেছে নিয়েছে
📰 বিস্তারিত
মিমি ঘুমের প্রতি ভালোবাসেন। সপ্তাহের অন্যান্য দিনে সকাল ৭টা থেকে সাড়ে ৭টার মধ্যে ঘুম থেকে উঠতে হয়। কিন্তু শুক্রবারের এই ঘুম তার কাছে অমৃতের মতো। সকালে ঘুম থেকে উঠে মিমি মনে মনে ভাবেন, আজ দুপুর ১২টার পর বিছানা ছেড়ে উঠবেন। কিন্তু পলাশের কলে তার এই স্বপ্ন ভেঙে যায়।
মিমির স্বামী পলাশের বয়স ৪০ পার হয়েছে। কিন্তু তার মন এখনো শিশুদের মতো। তাদের বিচ্ছেদের প্রথম দেড়-দুই বছর মিমিকে ফিরে পেতে পলাশ প্রায়ই জেদ ধরতেন। পলাশের সেই নরম মনটার স্পর্শ মিমিকে ভালো লাগত। কিন্তু পলাশের জীবনযাত্রা তাকে হতাশ করে তোলে।
মিমি জানান, পলাশের শুধু একটাই গুণ ছিল, সে তাকে মনেপ্রাণে ভালোবাসত। কিন্তু পলাশের জীবনযাত্রা ছিল অস্বাভাবিক। প্রথম থেকেই মিমি বুঝতে পারেন, পলাশ কোনো একটা নেশায় আসক্ত। এক গভীর রাতে মিমি দেখতে পান, পলাশ ঘরের মেঝেতে কাঁচি দিয়ে কী যেন কেটে কেটে মিহি করছেন। পাশে পড়ে আছে সিগারেটের কিছু খালি খোল। আসলে বহু বছর ধরে পলাশ গাঁজা খাওয়ার অভ্যাস করেছিল।
মিমি বলেন, পলাশের জীবনে কোনো আয় উপার্জন নেই। তাদের ডিভোর্সের পর পলাশ ঢাকায় টিকতে পারেননি। কোথাও কাজকর্মের কোনো কূলকিনারা করতে না পেরে এখন চলে গেছে তার গ্রামের বাড়িতে। সেখানে পলাশের বাবার কিছু জমিজিরাত আছে, সেগুলো দেখছেন আর একটা বাচ্চামেয়ের সাথে প্রেম করে বেড়াচ্ছেন। মিমি মোটেও হিংসুটে নয়, তবু পলাশকে তার খুব হিংসে হয়।
"আজ শুক্রবার, আজও আরাম করে ঘুমাচ্ছ নিশ্চয়ই।"
মিমি মনে মনে ভাবেন, পলাশের জীবনযাত্রা তার স্বপ্নের মতো। সারা দিন বনবাদাড়ে, বাঁশঝাড়ে, বিলের মাঝখানে বসে মনের সুখে গাঁজা টানবে আর মেয়েদের সাথে প্রেম করবে। ফোন রিসিভ করে মিমি পলাশের মায়ামাখা বিনীত কণ্ঠস্বর শুনতে পান। পলাশ বলেন, ‘তোমার ঘুমটা কি ভাঙিয়ে দিলাম মিমি?’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিমি, পলাশ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ বছর (চাকরি), ৪০ বছর (পলাশের বয়স)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!