📌 সাতক্ষীরার চুপড়িয়া গ্রামের সাদ্দাম হোসেনের উদ্যোগে জেলার বিভিন্ন স্থানে মৌবাক্স স্থাপন করে খাঁটি মধু সংগ্রহের বিপ্লব ঘটছে। দশ বছরের অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি ২০০টি মৌবাক্স পরিচালনা করছেন এবং ৮০ জনকে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন মৌচাষে। সরকারি কর্মকর্তারা মৌমাছির পরিবেশগত ভূমিকা ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনা প্রশংসা করেছেন
সাতক্ষীরা জেলায় মধু সংগ্রহের নতুন দিগন্ত খুলেছে ক্ষুদে মৌমাছি চাষী সাদ্দাম হোসেনের উদ্যোগে। দশ বছরের অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি জেলার বিভিন্ন প্রান্তে মৌবাক্স স্থাপন করে খাঁটি মধু সংগ্রহের বিপ্লব ঘটিয়ে চলেছেন। বর্তমানে ২০০টি মৌবাক্স পরিচালনা করে তিনি পরিবেশ রক্ষা ও অর্থনৈতিক লাভের মধ্যে সেতু গড়ছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সাতক্ষীরার চুপড়িয়া গ্রামের সাদ্দাম হোসেনের ২০০টি মৌবাক্স জেলার বিভিন্ন স্থানে স্থাপিত, যার মধ্যে রয়েছে বাসা-বাড়ি, মসজিদ ও প্রতিষ্ঠান
- 📌 দশ বছরের অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি প্রতি বছর সাড়ে তিন থেকে চার লাখ টাকা আয় করছেন খাঁটি মধু বিক্রয় থেকে
- 📌 প্রশিক্ষণ নেওয়া ৮০ জন ব্যক্তি নিজস্ব মৌবাক্স থেকে মধু সংগ্রহ করে পরিবারের সদস্যদের খাঁটি মধু সরবরাহ করছেন
- 📌 সাতক্ষীরা বিসিকের উপব্যবস্থাপক গৌরব দাস মৌমাছির বিপ্লবকে প্রশংসা করে বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে মৌমাছি পরিবেশ ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে
- 📌 সরকারি কর্মকর্তা ওসি মিজানুর রহমান স্বীকার করেছেন, খাঁটি মধুর স্বাদ ও সুবিধা বুঝে তিনি নিজে মৌবাক্স স্থাপন করেছেন
📰 বিস্তারিত
সাতক্ষীরা সদরের চুপড়িয়া গ্রামের সাদ্দাম হোসেনের উদ্যোগে জেলার মধু সংগ্রহের গল্প সম্পূর্ণ বদলে যাচ্ছে। তিনি বাসা-বাড়ির ছাদ, মসজিদের কার্নিশ এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ছাদে ক্ষুদে মৌমাছি পালন করে খাঁটি মধু সংগ্রহের কাজ করছেন। বর্তমানে জেলার বিভিন্ন প্রান্তে তার ২০০টি মৌবাক্স রয়েছে, যার মধ্যে কুলবাগানের আশপাশের বাসা-বাড়ি, প্রতিষ্ঠান এবং মসজিদের ছাদে বসানো হয়েছে।
সাদ্দাম হোসেনের মৌমাছি কুঠির থেকে প্রতি বছর সাড়ে তিন থেকে চার লাখ টাকা আয় হয়। তিনি দশ বছর ধরে মৌচাষ করে আসছেন এবং শুধু নিজেই নয়, অন্যদেরও উৎসাহিত করছেন। বর্তমানে দশজন তরুণ তার কাছ থেকে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। সাদ্দামের লক্ষ্য হল প্রতিটি বাড়িতে খাঁটি মধু পৌঁছে দেওয়া এবং পরিবেশ রক্ষায় মৌমাছির বিস্তার ঘটানো।
সাতক্ষীরা বিসিকের উপব্যবস্থাপক গৌরব দাস বলেছেন, সাদ্দামের উদ্যোগে মৌমাছির বিপ্লব ঘটেছে সাতক্ষীরায়। তিনি আরও বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উপকূলবর্তী সাতক্ষীরা পরিবেশ বিপর্যয়ের ঝুঁকিতে রয়েছে। এই কারণে উপকূলীয় জেলাগুলোতে মৌমাছির উপর একটি প্রকল্প আসছে, যার আওতায় প্রশিক্ষণ ও জনসচেতনতা তৈরির কাজ করা হবে।
সাদ্দামের প্রশিক্ষণ নেওয়া ৮০ জন ব্যক্তি তাদের বাসা-বাড়ি ও প্রতিষ্ঠানে মৌবাক্স স্থাপন করেছেন। তারা নিজস্ব মধু সংগ্রহ করে পরিবারের সদস্যদের খাঁটি মধু খাওয়ান। কলারোয়া থানার ওসি মিজানুর রহমান স্বীকার করেছেন, তিনি নিজ চোঁখে মৌচাক থেকে মধু সংগ্রহের প্রক্রিয়া দেখে মুগ্ধ হয়ে নিজেও মৌবাক্স স্থাপন করেছেন।
"আমি দশ বছর ধরে মৌচাষ করে আসছি। আমার লক্ষ্য প্রতিটি বাড়িতে খাঁটি মধু পৌঁছে দেওয়া। মৌমাছি পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সাতক্ষীরা জেলা, চুপড়িয়া গ্রাম, কুলবাগান, মসজিদ ও প্রতিষ্ঠান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাদ্দাম হোসেন, ওসি মিজানুর রহমান, গৌরব দাস, জামালউদ্দীন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০০টি মৌবাক্স, ৮০ জন প্রশিক্ষিত ব্যক্তি, সাড়ে তিন থেকে চার লাখ টাকা বার্ষিক আয়
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!