📌 সরকার আরজেএসসিকে ডিজিটাল পদ্ধতিতে রূপান্তরের মাধ্যমে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে কোম্পানি নিবন্ধনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। ইলেকট্রনিক বিজনেস রেজিস্ট্রেশন সিস্টেম চালুর মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের দীর্ঘসূত্রিতা কমিয়ে ব্যবসা শুরুর প্রক্রিয়া সহজ করা হবে
সরকার আরজেএসসিকে (যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মগুলোর পরিদপ্তর) ডিজিটাল পদ্ধতিতে রূপান্তরের মাধ্যমে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে কোম্পানি নিবন্ধনের ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে ‘ইলেকট্রনিক বিজনেস রেজিস্ট্রেশন সিস্টেম’ (ইবিআরএস) নামে একটি অনলাইনভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম চালু করা হচ্ছে। নতুন ব্যবস্থায় উদ্যোক্তাদের আরজেএসসি কার্যালয়ে যেতে হবে না। নাম ছাড়পত্র থেকে শুরু করে চূড়ান্ত নিবন্ধন পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়া অনলাইনে সম্পন্ন করা যাবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আরজেএসসির ডিজিটাল রূপান্তরের মাধ্যমে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে কোম্পানি নিবন্ধনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার
- 📌 ইবিআরএস পদ্ধতিতে উদ্যোক্তারা অনলাইনে যেকোনো সময় আবেদন করতে পারবেন
- 📌 জাতীয় পরিচয়পত্র, ই-টিআইএন ও মুঠোফোন নম্বর রিয়েল-টাইমে যাচাইয়ের ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে
- 📌 সংঘস্মারক ও সংঘবিধির ক্ষেত্রে তিন ধরনের বিকল্প রাখা হয়েছে
- 📌 প্রথম ছয় মাস নামের ছাড়পত্র যাচাইয়ে কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ থাকবে
📰 বিস্তারিত
সরকার আরজেএসসিকে ডিজিটাল পদ্ধতিতে রূপান্তরের মাধ্যমে ব্যবসা শুরুর প্রক্রিয়া সহজ করার উদ্যোগ নিয়েছে। ইবিআরএস পদ্ধতি চালু হলে উদ্যোক্তাদের আরজেএসসি কার্যালয়ে যাওয়ার প্রয়োজন হবে না। নাম ছাড়পত্র থেকে শুরু করে চূড়ান্ত নিবন্ধন পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়া অনলাইনে সম্পন্ন করা যাবে। সরকার মনে করছে, এ ব্যবস্থা ব্যবসায়িক ব্যয় কমিয়ে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি করবে।
গতকাল সোমবার সচিবালয়ে আরজেএসসির কার্যক্রম আধুনিকায়ন নিয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে নতুন ব্যবস্থার অগ্রগতি তুলে ধরা হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বাণিজ্যসচিব মো. আতাউর রহমান খান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। এছাড়া আরজেএসসির কর্মকর্তা ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শিবির বিচিত্র বড়ুয়া উপস্থিত ছিলেন।
ইবিআরএস ব্যবস্থায় উদ্যোক্তারা যেকোনো সময় অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের তথ্যের নির্ভুলতা নিশ্চিত করতে জাতীয় পরিচয়পত্র, ই-টিআইএন ও মুঠোফোন নম্বর রিয়েল-টাইমে যাচাই করা হবে। ফলে আবেদন জমা দেওয়ার সময়ই ভুল তথ্য শনাক্ত করা সম্ভব হবে।
সংঘস্মারক ও সংঘবিধির ক্ষেত্রে তিন ধরনের বিকল্প রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে মানসম্মত মডেল সংঘস্মারক ও সংঘবিধি, নিজস্ব ধারা যুক্ত করার সুযোগসহ নিজস্ব সংঘস্মারক ও সংঘবিধি এবং পূর্বানুমোদিত মানসম্মত সংঘস্মারক ও সংঘবিধি। এ ব্যবস্থা কোম্পানি নিবন্ধনের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনবে বলে মনে করা হচ্ছে।
"পুরো ব্যবস্থা স্বয়ংক্রিয় হলে উদ্যোক্তাদের সময় ও ব্যয় দুটিই কমবে। সরকারি দপ্তরে সরাসরি উপস্থিতির প্রয়োজন কমার পাশাপাশি আবেদনের বিভিন্ন তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে যাচাই হওয়ায় সেবায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়বে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সচিবালয়, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ মাস
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!