📅 ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হামের চিকিৎসায় হিমশিম খাওয়া নোয়াখালীর এক মায়ের সংগ্রাম: চার সন্তান নিয়ে হাসপাতালে ঋণের বোঝা

হামের চিকিৎসায় হিমশিম খাওয়া নোয়াখালীর এক মায়ের সংগ্রাম: চার সন্তান নিয়ে হাসপাতালে ঋণের বোঝা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় হামের প্রাদুর্ভাবে চার সন্তান নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি এক মা চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে উচ্চ সুদে ঋণ নিয়েছেন। সরকারি হাসপাতালের অপর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা ও অর্থাভাবে পরিবারগুলো বিপর্যস্ত।

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে উচ্চ সুদে ঋণ নেওয়ার ঘটনা বেড়েছে। চার সন্তানের মা কামরুন নাহারও তাঁর পরিবারের চিকিৎসা ব্যয় জোগাতে ঋণ নিয়েছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 হামের উপসর্গ নিয়ে সুবর্ণচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি
  • 📌 চার সন্তানের মা কামরুন নাহার উচ্চ সুদে ৮ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছেন চিকিৎসার জন্য
  • 📌 সরকারি হাসপাতালে হামের একজন রোগীর চিকিৎসায় ওষুধ বাবদ ৭ থেকে ৮ হাজার টাকা ব্যয়
  • 📌 স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হাম ওয়ার্ডে প্রতিদিন গড়ে ১৫ থেকে ১৬ জন রোগী ভর্তি
  • 📌 হাসপাতালের ব্যবস্থাপনায় ত্রুটি ও পর্যাপ্ত চিকিৎসক-নার্সের অভাব

📰 বিস্তারিত

সুবর্ণচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। চিকিৎসার খরচ জোগাতে অনেক পরিবারই উচ্চ সুদে ঋণ নিতে বাধ্য হচ্ছে। চার সন্তানের মা কামরুন নাহার (২৮) তাঁর পরিবারের চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে একজন ব্যক্তির কাছ থেকে মাসিক ১০০ টাকা সুদে ৮ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছেন। কিন্তু সেই টাকাও শেষ হয়ে গেছে। তাঁর ছয় বছর বয়সী ছেলে মো. আসাদকে নিয়ে পাঁচ দিন হাসপাতালে ছিলেন তিনি। বাড়ি ফিরে বাকি তিন সন্তানেরও হাম দেখা দেয়। উপায়ান্তর না দেখে চার সন্তানকে নিয়ে হাসপাতালে আসেন তিনি।

কামরুন নাহারের স্বামী ইটভাটায় কাজ করেন। কিন্তু ইটভাটায় ইট পোড়ানো বন্ধ থাকায় তাঁর আয়ও নেই। স্বামীর শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি নিয়মিত কাজেও যেতে পারেন না। সংসারের টানাটানির মধ্যে একে একে চার সন্তান হামে আক্রান্ত হওয়ায় তিনি চোখেমুখে অন্ধকার দেখছেন। সরকারি হাসপাতাল থেকে তেমন কোনো ওষুধ দেওয়া হয় না বলে বেশির ভাগ ওষুধ তাঁরা বাইরে থেকে কিনে আনেন।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটির হাম ওয়ার্ডে প্রতিদিন গড়ে ১৫ থেকে ১৬ জন রোগী ভর্তি হয়। গতকাল সকালে ওই ওয়ার্ডে ভর্তি ছিল ৫৬ জন। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিসংখ্যানবিদ মো. মহিউদ্দিন জানান, হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া রোগীদের চিকিৎসায় চিকিৎসক ও নার্সরা হিমশিম খাচ্ছেন। পার্শ্ববর্তী হাতিয়া উপজেলার দুটি বড় ইউনিয়নের আক্রান্ত রোগীরা চিকিৎসা নিতে এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হচ্ছে।

"সরকারি হাসপাতালে যে সুযোগ-সুবিধা রয়েছে, তার বাইরেও হামের উপসর্গের একজন রোগীর পেছনে কমপক্ষে শুধু ওষুধ বাবদ সাত থেকে আট হাজার টাকা খরচ হতে পারে। তা ছাড়া রোগীর সঙ্গে থাকা ব্যক্তির খরচসহ সব মিলিয়ে ১৪ থেকে ১৫ হাজার টাকা ব্যয় হয়, যা চরাঞ্চলের মানুষের জন্য অনেক বেশি।"

অভিভাবক আবদুর রহিম জানান, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে ব্যবস্থাপনায় ত্রুটি রয়েছে। পর্যাপ্তসংখ্যক নার্স ও উল্লেখযোগ্যসংখ্যক চিকিৎসক থাকলেও হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া রোগীদের মেঝেতে নোংরা পরিবেশে রাখা হয়েছে। ফলে সুস্থ হওয়ার পরিবর্তে আরও অসুস্থ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। বেশির ভাগ শিশুই হামের উপসর্গের পাশাপাশি ডায়রিয়াসহ আরও নানা জটিলতায় আক্রান্ত।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সুবর্ণচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, নোয়াখালী
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কামরুন নাহার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ হাজার টাকা, ৪ জন সন্তান, ১৫ থেকে ১৬ জন রোগী

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖