📌 ঢাকায় অনুষ্ঠিত তৃতীয় স্পেস এক্সপ্লোরেশন অলিম্পিয়াডে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা ২০২ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। চারটি বয়সভিত্তিক ক্যাটাগরিতে বিভক্ত হয়ে তারা মহাকাশ বিজ্ঞান, রোবোটিকস ও ভবিষ্যৎ প্রযুক্তির বিভিন্ন বিষয়ে প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। আয়োজকরা জানান, শিশুদের মধ্যে মহাকাশ বিজ্ঞান চর্চাকে উৎসাহিত করতে এমন আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে
ঢাকার আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (এআইইউবি) ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হলো তৃতীয় স্পেস এক্সপ্লোরেশন অলিম্পিয়াডের গ্র্যান্ড ফিনালে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে নির্বাচিত ২০২ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে এই মহাকাশ বিজ্ঞান উৎসবে। প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের বয়স ছিল ৬ থেকে ১৬ বছরের মধ্যে। আয়োজকেরা জানান, মহাকাশ বিজ্ঞানকে আনন্দের সঙ্গে শেখার সুযোগ করে দেওয়াই ছিল এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে নির্বাচিত ২০২ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয় তৃতীয় স্পেস এক্সপ্লোরেশন অলিম্পিয়াডে
- 📌 প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের বয়স ছিল ৬ থেকে ১৬ বছরের মধ্যে
- 📌 চারটি ভিন্ন ভিন্ন বয়সভিত্তিক ক্যাটাগরিতে বিভক্ত হয়ে শিক্ষার্থীরা মহাকাশ বিজ্ঞান বিষয়ে প্রতিযোগিতা করে
- 📌 অনলাইন ও অফলাইন মিলিয়ে আয়োজিত হয় পুরো প্রতিযোগিতার বিভিন্ন ধাপ
📰 বিস্তারিত
আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (এআইইউবি) ক্যাম্পাসে গত শনিবার অনুষ্ঠিত হয় তৃতীয় স্পেস এক্সপ্লোরেশন অলিম্পিয়াডের চূড়ান্ত পর্ব। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বাছাই হয়ে আসা ২০২ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয় এই মহাকাশ বিজ্ঞান প্রতিযোগিতায়। আয়োজকেরা জানান, মহাকাশ বিজ্ঞানকে শিশুদের কাছে আরও আকর্ষণীয় করে তোলার লক্ষ্যে আয়োজন করা হয় এই অলিম্পিয়াড।
প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের বয়স বিবেচনায় চারটি ভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা হয়। ছোট শিক্ষার্থীদের জন্য ছিল মহাকাশবিজ্ঞান, সৌরজগৎ, গ্রহ-নক্ষত্র, রকেট ও স্যাটেলাইটের মতো মৌলিক বিষয়। অন্যদিকে অপেক্ষাকৃত বড় শিক্ষার্থীদের জন্য রাখা হয় মহাকাশ রোবোটিকস, মঙ্গল গ্রহের রোভার, স্পেস স্টেশন ও ভবিষ্যৎ মহাকাশ প্রযুক্তির মতো উন্নত বিষয়।
অলিম্পিয়াডের পুরো আয়োজন এক দিনে শেষ হয়নি। চূড়ান্ত পর্বের আগে অনলাইনে কয়েকটি ধাপে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। দেশে থাকা শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিদেশে অবস্থানরত শিক্ষার্থীরাও অনলাইন পর্বে অংশ নেওয়ার সুযোগ পায়। অনলাইন বাছাইয়ের বিভিন্ন ধাপ অতিক্রম করে নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা ঢাকার চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।
"আজকের শিশুরাই ভবিষ্যতের বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী ও উদ্ভাবক। মহাকাশবিজ্ঞানের মতো বিষয়কে আনন্দের সঙ্গে, হাতে-কলমে শেখার সুযোগ করে দিতে পারলে শিশুদের শেখা হবে আরও গভীর ও কার্যকর।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!