📌 পার্বত্য চট্টগ্রামের বিদ্যুৎ অবকাঠামো উন্নয়নে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক বাংলাদেশকে ১৭৫ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে। প্রকল্পটির মাধ্যমে ৮৮ হাজার পরিবারের কাছে বিদ্যুৎ পৌঁছানোর পাশাপাশি কর্মসংস্থান ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হবে।
পার্বত্য চট্টগ্রামের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা আধুনিকায়নে বাংলাদেশকে ১৭৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ দিচ্ছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। মঙ্গলবার প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে সংস্থাটি। প্রকল্পটির মাধ্যমে খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানের দুর্গম ২৬টি উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্প্রসারণ করা হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 এডিবির ঋণের পরিমাণ: ১৭৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা)
- 📌 প্রকল্প এলাকা: খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানের ২৬টি উপজেলা
- 📌 উপকারভোগী পরিবার: অন্তত ৮৮ হাজার পরিবার, যার মধ্যে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ৩৫ হাজার পরিবার
- 📌 বিদ্যুৎ সরবরাহ বৃদ্ধি: বিদ্যুৎ ব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়বে ৮০ মেগাভোল্ট অ্যাম্পিয়ার
- 📌 নতুন বিদ্যুৎ লাইন নির্মাণ: ৫ হাজার ৩২ কিলোমিটার
- 📌 পুরোনো লাইন সংস্কার: ১ হাজার ৮৭৪ কিলোমিটার
- 📌 কার্বন নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্যমাত্রা: বছরে ১৯ হাজার ৩০০ টন
- 📌 প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা: বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)
📰 বিস্তারিত
এডিবির ঋণে পার্বত্য চট্টগ্রামের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটির নাম 'সাসটেইনেবল এনার্জি ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কমিউনিটি এমপাওয়ারমেন্ট ইন দ্য চট্টগ্রাম হিল ট্র্যাক্টস'। এর মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহের পাশাপাশি কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন ঘটানো হবে।
প্রকল্পের আওতায় ছয়টি ৩৩/১১ কিলোভোল্ট উপকেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। এসব উপকেন্দ্রের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহের সক্ষমতা ৮০ মেগাভোল্ট অ্যাম্পিয়ার বৃদ্ধি পাবে। বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার দক্ষতা বাড়াতে কম বিদ্যুৎ ক্ষয় হয় এমন পরিবাহক ব্যবহার করে ৫ হাজার ৩২ কিলোমিটার নতুন বিতরণ লাইন নির্মাণ করা হবে। এছাড়া পুরোনো ও জরাজীর্ণ ১ হাজার ৮৭৪ কিলোমিটার বিতরণ লাইন সংস্কার করা হবে।
এডিবির বাংলাদেশে কান্ট্রি ডিরেক্টর কিংফেং ঝাং বলেন, নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ কর্মসংস্থান, ব্যবসা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রকল্পটি দুর্গম এলাকার মানুষের জন্য নিরাপদ বিদ্যুৎ নিশ্চিত করার পাশাপাশি জীবিকার সুযোগ বৃদ্ধি করবে।
"নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ কর্মসংস্থান, ব্যবসা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রকল্পটি দুর্গম এলাকার মানুষের জন্য নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ নিশ্চিত করার পাশাপাশি জীবিকার সুযোগ বাড়াবে এবং নারীর অংশগ্রহণও বাড়াবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবান
- 👥 প্রধান ব্যক্তি: কিংফেং ঝাং (এডিবির বাংলাদেশ কান্ট্রি ডিরেক্টর)
- 👥 প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা: বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, ৮৮ হাজার পরিবার, ৮০ মেগাভোল্ট অ্যাম্পিয়ার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!