📌 প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেন, নতুন জাতীয় পে-স্কেলের সঙ্গে সাংবাদিকদের সুযোগ-সুবিধা সমন্বয় করা হবে। তিনি নবম ও দশম ওয়েজ বোর্ড একসঙ্গে বাস্তবায়নের ঘোষণা দেন
ঢাকায় আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, নতুন জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের সঙ্গে সাংবাদিকদের সুযোগ-সুবিধা সমন্বয় করা হবে। তিনি বলেন, ‘সাংবাদিকদের চাকরি ও জীবিকার নিশ্চয়তা না দিতে পারলে ভালো সাংবাদিকতা সম্ভব নয়।’
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নতুন জাতীয় পে-স্কেলের সঙ্গে সাংবাদিকদের সুযোগ-সুবিধা সমন্বয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান
- 📌 নবম ও দশম ওয়েজ বোর্ড একসঙ্গে বাস্তবায়নের ঘোষণা
- 📌 সরকারি কর্মচারীদের নিয়মিত ইনক্রিমেন্টের কারণে নতুন স্কেলের প্রভাব কম হবে বলে জানান তিনি
- 📌 মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সামাজিক সহায়তা কর্মসূচি জোরদারের ঘোষণা
- 📌 বিদ্যুৎ সংকট সমাধানে স্বল্প সময়ের মধ্যে উন্নতি আশা করা হচ্ছে
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে তথ্য অধিদফতরের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন। তিনি স্পষ্ট করেন, সাংবাদিকদের জীবিকার নিশ্চয়তা দেওয়ার বিষয়টি সরকার গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছে।
বেসরকারি সংবাদপত্র ও টেলিভিশনে কর্মরত সাংবাদিকদের সরকারি সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত এবং নবম ও দশম ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়নের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সাংবাদিকদের বিষয়টি রিয়েল প্রবলেম। ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংকটসহ এ-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কাজ করছে।’ তিনি আরও জানান, নবম ও দশম ওয়েজ বোর্ড একসঙ্গে বাস্তবায়ন করা হবে।
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নতুন পে-স্কেলের প্রভাব সম্পর্কে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বিপুল সংখ্যক মানুষের বেতন বাড়লে মূল্যস্ফীতির কিছুটা ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তবে নতুন বেতন কাঠামোয় সবার বেতন দ্বিগুণ হয়ে যাবে—বিষয়টি এমন নয়।’ তিনি উল্লেখ করেন, নতুন বেতন স্কেল না হওয়ায় অনেক সরকারি কর্মচারীর নিয়মিত ইনক্রিমেন্টের মাধ্যমে বর্তমান বেতন নতুন স্কেলের কাছাকাছি চলে গেছে। ফলে নতুন স্কেল কার্যকর হলে অনেকের বেতন প্রত্যাশিত হারে বাড়বে না।’
তিনি আরও জানান, সরকার মূল্যস্ফীতির কারণে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দিতে সামাজিক সহায়তা কর্মসূচি জোরদার করছে। বছরের শেষ নাগাদ ৪০ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় প্রায় দুই কোটি মানুষ উপকৃত হবেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিয়ে তিনি বলেন, ‘সংকট সমাধানে দুই বছর সময় লাগবে—অর্থমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের সঠিক ব্যাখ্যা প্রয়োজন। দুই বছর পর বর্তমান সংকটের আগের অবস্থায় ফিরবে বিষয়টি এমন নয়। বরং স্বল্প সময়ের মধ্যেই বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার আশা করছে সরকার।’ তিনি জানান, বর্তমানে বিদ্যুৎ সংকটের পেছনে যান্ত্রিক ও সরবরাহজনিত কিছু সাময়িক সমস্যা রয়েছে, যা দ্রুত সমাধান করা হবে।
‘আমরা যদি সাংবাদিকদের চাকরি এবং তাদের জীবিকার সঠিক নিশ্চয়তা দিতে না পারি, তাহলে আমরা ভালো সাংবাদিকতা পাব না।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, সচিবালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা. জাহেদ উর রহমান (প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ লাখ (ফ্যামিলি কার্ডের লক্ষ্যমাত্রা), ২ কোটি (সহায়তা কর্মসূচির আওতাভুক্ত মানুষ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!