📅 ২৩ আগস্ট ২০২৬, ৭:১৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

আর্জেন্টিনার ফার্স্টলেডি ইভা পেরনের মরদেহ হারানোর ১৬ বছরের রহস্যময় যাত্রা

আর্জেন্টিনার ফার্স্টলেডি ইভা পেরনের মরদেহ হারানোর ১৬ বছরের রহস্যময় যাত্রা

📷 ছবি: বিবিসি বাংলা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বিবিসি বাংলা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 আর্জেন্টিনার আইকনিক ফার্স্টলেডি ইভা পেরনের মৃত্যুর পর তাঁর মরদেহ চুরি হয়ে যায়। পরবর্তী ১৬ বছরে তাঁর দেহাবশেষ বিভিন্ন স্থানে স্থানান্তরিত করা হয়। বিবিসির অনুসন্ধানে উঠে এল সেই রহস্যময় যাত্রাপথের বিস্তারিত বিবরণ

আর্জেন্টিনার ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত ব্যক্তিত্ব ইভা পেরনের মৃত্যুর পর তাঁর মরদেহ চুরি হয়ে যায়। পরবর্তী ১৬ বছরে তাঁর দেহাবশেষ বিভিন্ন স্থানে স্থানান্তরিত করা হয়। বিবিসির অনুসন্ধানে উঠে এল সেই রহস্যময় যাত্রাপথের বিস্তারিত বিবরণ।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ইভা পেরন ১৯৫২ সালের ২৬ জুলাই মারা যান, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স ছিল ৩৩ বছর
  • 📌 মৃত্যুর পর তাঁর মরদেহ সংরক্ষণ করা হয়, যা পরবর্তীতে চুরি হয়ে যায়
  • 📌 ১৯৫৫ সালে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তাঁর স্বামী হুয়ান পেরনের নির্বাসনে যাওয়ার সময় মরদেহটি চুরি করা হয়
  • 📌 পরবর্তী ১৬ বছরে তাঁর দেহাবশেষ বিভিন্ন স্থানে স্থানান্তরিত করা হয়, যার মধ্যে মিলিটারি ইন্টেলিজেন্স সেন্টার, ভ্যান, ইতালির মিলান এবং স্পেনের মাদ্রিদ অন্তর্ভুক্ত
  • 📌 বিবিসির প্রতিবেদনে উঠে আসে ইভা পেরনের মরদেহ হারানোর রহস্যময় যাত্রাপথ

📰 বিস্তারিত

আর্জেন্টিনার ফার্স্টলেডি ইভা পেরন, যিনি ইভিটা নামেও পরিচিত ছিলেন, ১৯৫২ সালের ২৬ জুলাই মারা যান। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স ছিল মাত্র ৩৩ বছর। তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর মরদেহ সংরক্ষণ করা হয়, যা পরবর্তীতে চুরি হয়ে যায়। বিবিসির প্রতিবেদনে উঠে আসে সেই রহস্যময় যাত্রাপথের বিস্তারিত বিবরণ।

১৯৫২ সালের জুলাই মাসে ইভা পেরনের মৃত্যুর পর তাঁর মরদেহ সংরক্ষণ করা হয়। তাঁর স্বামী প্রেসিডেন্ট হুয়ান পেরন তাঁর মৃতদেহ সংরক্ষণের নির্দেশ দেন। ডক্টর পেদ্রো আরা নামে এক স্প্যানিশ অ্যানাটমিস্ট তাঁর মৃতদেহ সংরক্ষণ করেন। মৃত্যুর পর ইভিটার মরদেহ আর্জেন্টিনার শ্রম মন্ত্রণালয় ভবনে রাখা হয়েছিল। সেখানে শ্রমিকদের একটি স্মৃতিস্তম্ভ তৈরির কথা ছিল, যার ভিত্তিপ্রস্তরে থাকবে একটি কাচের কফিন।

কিন্তু তাঁর স্বামী হুয়ান পেরন ১৯৫৫ সালের সেপ্টেম্বরে ক্ষমতাচ্যুত হন এবং নির্বাসনে যান। নতুন সরকার তাঁর মরদেহ শহরের কেন্দ্রে থাকা স্মৃতিস্তম্ভ থেকে সরিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয়। ফলে তাঁর মরদেহ চুরি হয়ে যায়। এর মাধ্যমেই শুরু হয় ১৬ বছরের এক রহস্যময় যাত্রা।

ইভা পেরনের মরদেহ চুরির পর তাঁর দেহাবশেষ বিভিন্ন স্থানে স্থানান্তরিত করা হয়। কখনো রাখা হয়েছিল মিলিটারি ইন্টেলিজেন্স সেন্টারে, কখনোবা একটি ভ্যানে রেখে পুরো শহর ঘোরানো হয়েছিল। এর মধ্যে একবার ইতালির মিলানে কবর দেওয়া হয়েছিল। সবশেষে বুয়েনস আইরেসে এনে একটি সুরক্ষিত ক্রিপ্টে রাখা হয়েছিল তাঁর দেহাবশেষ।

"তাই স্ত্রীর শরীরটা সংরক্ষণ করে তার স্বামী ওই জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে বা সেটিকে কাজে লাগাতে চেয়েছিলেন,"
"পেরন ও পেরনিজমের দিক থেকে বিভিন্ন প্রতীককে গুরুত্ব দেওয়ার যে বিষয়টি ছিল, এর সঙ্গেও সম্পর্কিত ছিল এটি, কারণ ইভিতাও তার দেশে এক প্রতীকে পরিণত হয়েছিলেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: আর্জেন্টিনা, ইতালি, স্পেন
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইভা পেরন, হুয়ান পেরন, ডক্টর পেদ্রো আরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬ বছর, ৩৩ বছর, ২০ লাখ, ১৪ দিন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖