📅 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পিডিবিএফ কর্মীর প্রতারণায় শতাধিক গ্রাহকের অর্ধকোটি টাকা হারানোর অভিযোগ, কার্যালয় ঘেরাও

পিডিবিএফ কর্মীর প্রতারণায় শতাধিক গ্রাহকের অর্ধকোটি টাকা হারানোর অভিযোগ, কার্যালয় ঘেরাও

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কুমিল্লার দেবিদ্বারে পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশনের (পিডিবিএফ) মাঠকর্মী শাহজাহান মিয়া শতাধিক গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় অর্ধকোটি টাকা নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার তাঁদের কার্যালয় ঘেরাও করে ক্ষুব্ধ গ্রাহকেরা টাকা ফেরতের দাবি জানান

কুমিল্লার দেবিদ্বারে পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশনের (পিডিবিএফ) মাঠকর্মী মো. শাহজাহান মিয়ার বিরুদ্ধে শতাধিক গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় অর্ধকোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দেবিদ্বার-চান্দিনা সড়কের এএসপি সার্কেল দেবিদ্বার কার্যালয়ের পাশে অবস্থিত পিডিবিএফ কার্যালয় ঘেরাও করে ক্ষুব্ধ গ্রাহকেরা। তাঁদের দাবি, শাহজাহান মিয়া তাঁদের কাছ থেকে জমা রাখা সঞ্চয় ও এফডিআরের টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 শতাধিক গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় অর্ধকোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ মো. শাহজাহান মিয়ার বিরুদ্ধে
  • 📌 গ্রাহকেরা জানান, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এক থেকে তিন লাখ টাকা ঋণ দেওয়ার কথা বলে তাঁদের কাছ থেকে ১০ হাজার থেকে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত সঞ্চয় নেওয়া হয়
  • 📌 অভিযুক্ত কর্মী শাহজাহান মিয়া পালিয়ে যাওয়ার পর তাঁর ব্যবহৃত তিনটি মোবাইল নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়
  • 📌 পিডিবিএফ কর্তৃপক্ষ তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবস্থাপক উম্মে সুবাইদা

📰 বিস্তারিত

পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশনের (পিডিবিএফ) অধীনে দেবিদ্বারের বিভিন্ন গ্রামে সমিতি রয়েছে। এসব সমিতির সদস্যরা দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে সঞ্চয় সংগ্রহের মাধ্যমে ঋণ গ্রহণ করেন। অধিকাংশ গ্রাহক ১০ থেকে ১৫ বছর ধরে নিয়মিত সঞ্চয় জমিয়ে আসছিলেন। অনেকে এফডিআরের মাধ্যমেও সঞ্চয় করেছিলেন।

গ্রাহকদের অভিযোগ, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তাঁদের কাছ থেকে এক থেকে তিন লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়ার কথা বলে ১০ হাজার থেকে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত সঞ্চয় বা জামানত হিসেবে গ্রহণ করা হয়। তবে টাকা নেওয়ার পর তাঁদের দিনের পর দিন ঘোরানো হয়। শাহজাহান মিয়া নামে এক মাঠকর্মীর সঙ্গেই তাঁদের বেশি যোগাযোগ ছিল বলে জানান ভুক্তভোগীরা।

শিরিন আক্তার নামে এক গ্রাহক বলেন, ‘পিডিবিএফের মাঠকর্মী শাহজাহান আমাকে তিন লাখ টাকা ঋণ দেওয়ার কথা বলে জামানত হিসেবে এক লাখ ১০ হাজার টাকা নিয়েছিলেন। পুরোনো বইয়ে টাকার হিসাবও লিখে দিয়েছিলেন। পরে বিষয়টি নিশ্চিত হতে ফিল্ড অফিসার হৃদয় দাসকে দেখালে তিনিও হিসাব ঠিক আছে বলে জানান।’ তিনি আরও বলেন, ‘গতকাল ম্যানেজারকে বিষয়টি জানালে তিনি বলেন, পুরোনো বইয়ে হিসাব থাকবে না, বর্তমান বই দেখাতে হবে। ওই টাকা তাঁদের দপ্তরে জমা হয়নি বলেও জানান তিনি।’

‘শাহজাহান আলীর বিরুদ্ধে দেবিদ্বার থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি। তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’ — শিরিন আক্তার, গ্রাহক

অভিযোগের পর শাহজাহান মিয়া পালিয়ে যান বলে জানান শিরিন আক্তার। তিনি ঝিনাইদহ জেলার হরিণাকুণ্ডু উপজেলার সরাতো গ্রামের মো. লিয়াকত আলীর ছেলে। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর আরও প্রায় অর্ধশত গ্রাহক পিডিবিএফ কার্যালয়ে এসে তাঁদের টাকা ফেরতের দাবি জানান।

একাধিক ভুক্তভোগী গ্রাহক অভিযোগ করেন, ঋণের জমা টাকা, ব্যক্তিগত সঞ্চয় ও এফডিআরের টাকা মিলিয়ে শতাধিক গ্রাহক সংস্থাটিতে অর্ধকোটি টাকার বেশি জমা দিয়েছেন। তাঁদের দাবি, মাঠকর্মী শাহজাহান এসব টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছেন।

টাকা ফেরতের বিষয়ে পিডিবিএফ কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হলে শাখা ব্যবস্থাপক উম্মে সুবাইদা অভিযোগ গুরুত্ব দিয়ে শুনছেন না বলে জানান গ্রাহকেরা। তিনি তাঁদের অভিযোগকারীর কাছে গিয়ে টাকা চাইতে এবং প্রয়োজনে মামলা করতে বলেন। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করে গ্রাহকেরা তাঁদের কষ্টার্জিত টাকা ফেরত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: দেবিদ্বার, কুমিল্লা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. শাহজাহান মিয়া (অভিযুক্ত মাঠকর্মী), শিরিন আক্তার (গ্রাহক), উম্মে সুবাইদা (পিডিবিএফ ব্যবস্থাপক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: প্রায় অর্ধকোটি টাকা, ১০ হাজার থেকে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত সঞ্চয়, ২০২৫-২৬ অর্থবছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖