📅 ২ নভেম্বর ২০২৬, ১:৫৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মজুরি বোর্ড গঠনের পরেও শ্রমিক আন্দোলন অব্যাহত: পোশাক কারখানা বন্ধের হুমকি মালিকদের

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: মাহমুদ হাসান খান (বাবু) মাহমুদ হাসান খান (বাবু)
মজুরি বোর্ড গঠনের পরেও শ্রমিক আন্দোলন অব্যাহত: পোশাক কারখানা বন্ধের হুমকি মালিকদের

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিকদের আন্দোলন অব্যাহত থাকলে তৈরি পোশাক কারখানাগুলো অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মালিকরা। ঢাকার উত্তরার বিজিএমইএর সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এদিকে মিরপুর, সাভার ও গাজীপুরে শ্রমিকদের বিক্ষোভে সড়ক অবরোধ ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ ঘটে

মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিকদের আন্দোলন অব্যাহত থাকলে তৈরি পোশাক কারখানাগুলো অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মালিকরা। ঢাকার উত্তরার বিজিএমইএর কার্যালয়ে আজ রোববার বিকেলে শ্রমিক অসন্তোষ নিয়ে জরুরি সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান সভাপতিত্ব করেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৫২৯টি কারখানায় শ্রমিকরা কাজে ফিরেননি — মিরপুরে ৬৮টি, গাজীপুর-ময়মনসিংহে ২৭৬টি, সাভার-জিরানীতে ১৮৫টি কারখানা জড়িত
  • 📌 মালিকরা ধারাবাহিক বিশৃঙ্খলা চললে কারখানা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেন — উৎপাদন চালিয়ে যেতে চান অধিকাংশ মালিক
  • 📌 মিরপুরে বিক্ষোভে মেট্রোরেলের তিন স্টেশন বন্ধ হয়; সড়ক অবরোধ ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ ঘটে
  • 📌 মাহমুদ হাসান খান বলেন, মজুরি বোর্ড গঠিত হলেও শ্রমিকদের অন্য উদ্দেশ্য থাকলে কারখানা বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে

📰 বিস্তারিত

মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে আজ রোববার ঢাকার মিরপুর, সাভারের আশুলিয়া ও গাজীপুরের বিভিন্ন শিল্প এলাকায় শ্রমিকদের বিক্ষোভ চলছিল। বিক্ষোভে সড়ক অবরোধ, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ এবং পুলিশ বক্স ও গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। মিরপুর এলাকায় মেট্রোরেলের তিনটি স্টেশনও সাময়িকভাবে বন্ধ ছিল।

বিজিএমইএর তথ্যানুযায়ী, আজ ঢাকা, গাজীপুর, ময়মনসিংহ, সাভারের আশুলিয়া ও জিরানী এলাকায় ৫২৯টি কারখানার শ্রমিকরা কাজ না করে কারখানা থেকে বের হয়ে গেছেন। এর মধ্যে মিরপুরে ৬৮টি, গাজীপুর ও ময়মনসিংহে ২৭৬টি এবং সাভার-জিরানীতে ১৮৫টি কারখানায় শ্রমিকরা কাজে ফিরেননি।

সভায় মাহমুদ হাসান খান বলেন, ‘মজুরি বোর্ড গঠন নিয়ে শ্রমিকদের মধ্যে বিভ্রান্তি ছিল। এখন মজুরি বোর্ডের দায়িত্ব হচ্ছে নতুন মজুরিকাঠামো চূড়ান্ত করা। আমাদের প্রত্যাশা, শ্রমিকেরা শান্তিপূর্ণভাবে কাজে ফিরবেন। তবে যদি বিশৃঙ্খলা অব্যাহত থাকে, তাহলে আমরা ধরে নেব যে তাঁদের অন্য কোনো উদ্দেশ্য আছে।’

"মজুরি বোর্ড গঠিত হলেও শ্রমিকদের অন্য উদ্দেশ্য থাকলে কারখানা বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (উত্তরার বিজিএমইএ কার্যালয়), মিরপুর, সাভার আশুলিয়া, গাজীপুর, ময়মনসিংহ, জিরানী
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাহমুদ হাসান খান (বিজিএমইএ সভাপতি), শ্রমিকেরা, পুলিশ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫২৯টি কারখানা (মোট), ৬৮টি (মিরপুর), ২৭৬টি (গাজীপুর-ময়মনসিংহ), ১৮৫টি (সাভার-জিরানী)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖