📌 ২০২৩ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত তিন বছরে দেশের তৈরি পোশাক খাতের চার শতাধিক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। বৈশ্বিক সংকট ও অভ্যন্তরীণ কারণে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন
জাতীয় সংসদে প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, গত তিন বছরে দেশের তৈরি পোশাক খাত থেকে চার শতাধিক কারখানা স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফেকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যভুক্ত ছিল ২৮২টি এবং বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফেকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যভুক্ত ছিল ১২০টি কারখানা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২০২৩ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত তিন বছরে চার শতাধিক পোশাক কারখানা বন্ধ হয়েছে
- 📌 বিজিএমইএ সদস্যভুক্ত বন্ধ হওয়া কারখানার সংখ্যা: ২৮২টি
- 📌 বিকেএমইএ সদস্যভুক্ত বন্ধ হওয়া কারখানার সংখ্যা: ১২০টি
- 📌 কারখানা বন্ধের কারণ হিসেবে বৈশ্বিক সংকট ও অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করেন বাণিজ্যমন্ত্রী
📰 বিস্তারিত
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের উত্তরে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানান, দেশের তৈরি পোশাক খাতের চার শতাধিক কারখানা গত তিন বছরে বন্ধ হয়ে গেছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফেকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যভুক্ত ছিল ২৮২টি কারখানা এবং বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফেকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যভুক্ত ছিল ১২০টি কারখানা। তিনি উল্লেখ করেন, কারখানাগুলোর পূর্ণাঙ্গ তালিকা সংগ্রহের কাজ চলমান থাকায় সংসদে তাৎক্ষণিকভাবে নামের তালিকা প্রদান করা সম্ভব হয়নি।
বাণিজ্যমন্ত্রী আরও জানান, তৈরি পোশাক কারখানাগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ার পেছনে একাধিক বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ কারণ রয়েছে। বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে কোভিড-১৯ মহামারি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত আন্তর্জাতিক বাজারে তৈরি পোশাক ব্যবসায় বিরূপ প্রভাব ফেলেছে। অভ্যন্তরীণ ক্ষেত্রে দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা, অর্থপাচারের ফলে ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকট এবং ইউরোপের বাজারে ভারত ও ভিয়েতনামের মুক্ত বাণিজ্য সুবিধা গ্রহণের ফলে তীব্র প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হতে হয়েছে দেশীয় কারখানাগুলোকে।
তিনি বলেন, বিদেশি ক্রেতারা নিজেদের মনিটরিং ব্যবস্থা সহজ করার জন্য বড় কারখানাগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়ায় ছোট ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানগুলো রফতানি আদেশ সংকটে পড়ে ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে অনেক প্রতিষ্ঠান তাদের কার্যক্রম স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে।
"বিদেশি ক্রেতাদের মনিটরিং সুবিধার জন্য বড় কারখানাগুলোকে প্রাধান্য দেওয়ায় ছোট ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানগুলো রফতানি আদেশের সংকটে পড়ে ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতীয় সংসদ, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির (বাণিজ্যমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০০+, ২৮২, ১২০
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!