📌 খেলাপি ঋণের হার কমে ৩২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। তিনি দুর্নীতির মাধ্যমে খেলাপি ঋণ লুকিয়ে রাখার অভিযোগ তুলেছেন এবং বাজারভিত্তিক নিয়ন্ত্রকদের বিরুদ্ধে কলিউশনের অভিযোগ করেছেন।
ঢাকা, ৩০ আগস্ট ২০২৬: প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, চলতি বছরের মার্চ মাসে খেলাপি ঋণের হার কমে ৩২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। তিনি জানান, ২০২৪ সালে এই হার ছিল ১১ শতাংশ, যা ২০২৫ সালের জুনে ফরেন্সিক অডিটে ৩৫ শতাংশে উন্নীত হয়। তবে মার্চে তা আবার কমে আসে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত খেলাপি ঋণের হার কমে দাঁড়ায় ৩২ শতাংশে
- 📌 ২০২৪ সালে খেলাপি ঋণের হার ছিল ১১ শতাংশ
- 📌 ২০২৫ সালের জুনে ফরেন্সিক অডিটে খেলাপি ঋণের হার পাওয়া যায় ৩৫ শতাংশ
- 📌 প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা খেলাপি ঋণ লুকিয়ে রাখার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন
- 📌 তিনি বাজারভিত্তিক নিয়ন্ত্রকদের বিরুদ্ধে কলিউশনের অভিযোগ করেন
📰 বিস্তারিত
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, খেলাপি ঋণের হার কমে আসায় কিছুটা আশার আলো দেখা যাচ্ছে। তবে তিনি আরও বেশি হ্রাসের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘বাজারকে বাজারের মতো কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না। জমির মূল্য নির্ধারণ থেকে শুরু করে অ্যাসেট ভ্যালুয়েশনের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রকরা দুর্নীতিতে জড়িত।’
তিনি আরও বলেন, ফরেন্সিক অডিটিং এবং ফ্রড প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদার করা প্রয়োজন। কারণ আরবিট্রেশনের সময় প্রমাণাদি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তিনি উল্লেখ করেন, বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রকদের মধ্যে কলিউশনের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য গোপন করা হচ্ছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদে ‘ফরেন্সিক অ্যাকাউন্টটিং অ্যান্ড ফ্রড ইনভেস্টিগেশন’ শীর্ষক বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাউন্টিং বিভাগের অধ্যাপক ড. রিয়াজুর রহমান চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার (অনুসন্ধান) ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূইয়া এবং ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।
‘আমরা একটা আশার আলো দেখতে পাচ্ছি যে, অন্তত এই খেলাপি ঋণের অনুপাত হ্রাস পাচ্ছে। আরও বেশি হ্রাস পাওয়া দরকার।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩২ শতাংশ, ১১ শতাংশ, ৩৫ শতাংশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!