📅 ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ই-কমার্স প্রতারণায় ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের দাবি ৩ হাজার ৮৬৯ কোটি টাকা, ফেরত দেওয়া হয়েছে ৪৭২ কোটি

ই-কমার্স প্রতারণায় ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের দাবি ৩ হাজার ৮৬৯ কোটি টাকা, ফেরত দেওয়া হয়েছে ৪৭২ কোটি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তরে জমা হওয়া ৫৮ হাজার ৭২০টি অভিযোগে গ্রাহকদের দাবির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩ হাজার ৮৬৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৪৭২ কোটি টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

জাতীয় সংসদে জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানান, ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি, ই-অরেঞ্জ, কিউকম, ধামাকা শপিং ও আলেশা মার্টসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে ৫৮ হাজার ৭২০টি অভিযোগ জমা পড়েছে। অভিযোগগুলোর বিপরীতে গ্রাহকদের দাবির পরিমাণ প্রায় ৩ হাজার ৮৬৯ কোটি টাকা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগের সংখ্যা ৫৮ হাজার ৭২০টি
  • 📌 গ্রাহকদের দাবির পরিমাণ প্রায় ৩ হাজার ৮৬৯ কোটি টাকা
  • 📌 বিভিন্ন পেমেন্ট গেটওয়েতে আটকে থাকা ৫৩১ কোটি টাকার মধ্যে ৪৭২ কোটি টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে
  • 📌 ডিজিটাল বিজনেস আইডেন্টিটি নিবন্ধন নির্দেশিকা অনুসারে ১ হাজার ৯০২টি প্রতিষ্ঠানকে নিবন্ধন দেওয়া হয়েছে
  • 📌 ই-কমার্স খাতের জন্য আলাদা নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের

📰 বিস্তারিত

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানান, করোনাভাইরাস মহামারির সময় ও পরবর্তীকালে অনলাইন বাণিজ্যের দ্রুত প্রসারের ফলে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম আইনি কাঠামোর মধ্যে আনতে বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে জাতীয় ডিজিটাল কমার্স নীতিমালা, ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা এবং ডিজিটাল বিজনেস আইডেন্টিটি নিবন্ধন নির্দেশিকা প্রণয়ন। তিনি জানান, ২০২২ সালে ডিজিটাল বিজনেস আইডেন্টিটি বা ডিবিআইডি নিবন্ধন নির্দেশিকা জারি করা হয়, যার দায়িত্ব দেওয়া হয় যৌথ মূলধনি কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তরকে। এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৯০২টি প্রতিষ্ঠানকে ডিবিআইডি দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

মন্ত্রী আরও জানান, ইভ্যালি, ই-অরেঞ্জ, কিউকম, ধামাকা শপিং ও আলেশা মার্টসহ বিভিন্ন ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে জমা হওয়া অভিযোগগুলোতে গ্রাহকদের দাবির পরিমাণ প্রায় ৩ হাজার ৮৬৯ কোটি টাকা। তিনি বলেন, এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আর্থিক কেলেঙ্কারি সামনে আসার পর বিভিন্ন পেমেন্ট ব্যবস্থায় প্রায় ৫৩১ কোটি টাকা আটকে রাখা হয়েছিল। এর মধ্যে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ ব্যাংক, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান এবং পেমেন্ট গেটওয়েগুলোর মাধ্যমে ৪৭২ কোটি টাকা গ্রাহকদের ফেরত দেওয়া হয়েছে। বাকি অর্থ ফেরত দেওয়ার কাজ চলমান রয়েছে।

অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য অভিযোগকারী, অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট পেমেন্ট গেটওয়েগুলোর প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে টাকা ফেরত দেওয়া হচ্ছে বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, ই-কমার্স লেনদেন নিরাপদ করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস বিভাগ ‘মার্চেন্ট অ্যাকোয়ারিং ও এসক্রো সেবা নীতিমালা’ প্রণয়ন করেছে। এস্ক্রো ব্যবস্থায় গ্রাহকের দেওয়া অর্থ সরাসরি বিক্রেতার কাছে যায় না; পণ্য বা সেবা প্রাপ্তির পর অর্থ ছাড় করা হয়।

"ই-কমার্স খাতের জন্য আলাদা নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। তবে এ কর্তৃপক্ষ গঠন সময়সাপেক্ষ হওয়ায় আপাতত জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন সংশোধন করে অধিদপ্তরকে আরও ক্ষমতা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির (বাণিজ্যমন্ত্রী)
  • 🔢 অভিযোগের সংখ্যা: ৫৮ হাজার ৭২০টি
  • 🔢 দাবির পরিমাণ: প্রায় ৩ হাজার ৮৬৯ কোটি টাকা
  • 🔢 ফেরত দেওয়া অর্থের পরিমাণ: ৪৭২ কোটি টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖