📌 পটুয়াখালীর দশমিনায় আইফোন কেনার জন্য নিজের দেড় বছরের শিশুপুত্রকে এক লাখ টাকায় বিক্রির অভিযোগ উঠেছে এক কাঠমিস্ত্রির বিরুদ্ধে। শিশুটিকে উদ্ধারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় আইফোন কেনার জন্য নিজের দেড় বছরের শিশুপুত্রকে এক লাখ টাকায় বিক্রির অভিযোগ উঠেছে এক কাঠমিস্ত্রির বিরুদ্ধে। ঘটনার পর শিশুটিকে উদ্ধারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে জানা গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় আইফোন কেনার জন্য শিশু বিক্রির অভিযোগ উঠেছে এক কাঠমিস্ত্রির বিরুদ্ধে
- 📌 অভিযুক্ত মারুফ নামে ওই ব্যক্তি নিজের দেড় বছরের শিশুপুত্রকে এক লাখ টাকায় বিক্রি করেছেন বলে দাবি
- 📌 শিশুটিকে বিক্রির পর টাকা দিয়ে ঢাকা থেকে আইফোন কেনেন মারুফ
- 📌 শিশুটিকে উদ্ধারে পুলিশ সরেজমিনে অভিযান চালাচ্ছে
📰 বিস্তারিত
গতকাল শনিবার সকালে দশমিনা উপজেলার বেতাগী-সানকিপুর ইউনিয়নের মাছুয়াখালী গ্রামের মুন্সিবাড়ি এলাকায় ঘটনাটি ঘটে বলে জানা গেছে। অভিযুক্ত মারুফ ওই গ্রামের মফিজ মুন্সির ছেলে এবং পেশায় একজন কাঠমিস্ত্রি। ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে শিশুটির দাদি মাহফুজা বেগম জানান, গতকাল সকাল ৮টার দিকে মারুফ তাকে বলেন, নাতিকে সাজিয়ে দিতে। এরপর তিনি শিশুটিকে নিয়ে বাজারে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। দীর্ঘ সময় পার হলেও তাদের ফেরার কোনো খোঁজ না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা খোঁজ শুরু করেন। পরে মারুফের সঙ্গে ফোনে কথা হলে তিনি স্বীকার করেন যে, আইফোন কেনার জন্য তিনি শিশুটিকে দশমিনা উপজেলার আলীপুর ইউনিয়নের রোমানাথসেন গ্রামের ইমরান হোসেনের কাছে এক লাখ টাকায় বিক্রি করেছেন।
মাহফুজা বেগম আরও জানান, প্রায় চার বছর আগে মারুফ ঢাকার সাভার থেকে বৃষ্টি নামে এক তরুণীকে বিয়ে করেন। প্রায় তিন বছর পর তাদের ঘরে শিশুটির জন্ম হয়। প্রায় এক মাস আগে পারিবারিক কলহের জেরে মারুফ ও তার স্ত্রী বৃষ্টির মধ্যে কথা-কাটাকাটি হলে বৃষ্টি তার বাবার বাড়িতে চলে যান। এরপর মারুফ কিছুদিন বাড়িতে থাকার পর ঢাকায় চলে যান। গত শুক্রবার সন্ধ্যার আগে তিনি বাড়িতে ফেরেন। শনিবার সকালে মারুফ তাকে বলেন, মা, তোমার নাতিকে জামাকাপড় পরিয়ে দাও। আমি ওকে নিয়ে বাজারে একটু ঘুরতে যাব। পরে সন্ধ্যা হয়ে গেলেও তাদের ফেরার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
এই ঘটনায় ইমরান হোসেন মোবাইল ফোনে জানান, মারুফ দীর্ঘদিন ধরে তার কাছে শিশুটিকে দেওয়ার কথা বলে আসছিলেন। তার শ্বশুরের পাঁচ মেয়ে থাকলেও কোনো ছেলে সন্তান না থাকায় তিনি মারুফের সঙ্গে আলোচনা করে এক লাখ টাকার বিনিময়ে শিশুটিকে লিখিতভাবে নিয়েছেন বলে দাবি করেন। পরে তিনি শিশুটিকে তার শ্বশুরের বাড়িতে দিয়ে আসেন বলে জানান।
"আমি আমার নাতিকে ফিরে পেতে চাই এবং প্রশাসনের কাছে সহযোগিতা কামনা করছি।" — মাহফুজা বেগম
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দশমিনা উপজেলা, পটুয়াখালী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মারুফ (কাঠমিস্ত্রি), মাহফুজা বেগম (শিশুটির দাদি), ইমরান হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: এক লাখ টাকা, দেড় বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!