📌 বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেছেন, ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই। রমজানের আগে সরবরাহ ব্যবস্থা নিশ্চিত করে বাজার স্থিতিশীল রাখার জন্য সরকার পর্যাপ্ত পণ্য আমদানি করেছে।
রমজানের আগে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই বলে নিশ্চিত করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। তিনি জানান, সরকার বাজারে সরবরাহ নিশ্চিত রাখার জন্য পর্যাপ্ত পণ্য আমদানি করেছে এবং রমজানের সম্ভাব্য চাহিদা মেটাতে পাইপলাইনে রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেছেন, ভোজ্যতেলের দাম বৃদ্ধির আপাতত কোনো পরিকল্পনা নেই।
- 📌 বোতলজাত সয়াবিন তেলের বর্তমান সর্বোচ্চ দাম প্রতি লিটার ২০৪ টাকা; কোম্পানিগুলো দাম বাড়িয়ে ২১৮ টাকা করার দাবি করেছে।
- 📌 পাঁচ লিটারের সয়াবিন তেলের বোতলের দাম বাড়িয়ে ১ হাজার ৭০ টাকা এবং খোলা সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটার ১৯৯ টাকা করার আবেদন করা হয়েছে।
- 📌 বাণিজ্যমন্ত্রী বলেছেন, রমজানের আগে-পরে বাজারে পণ্যের কোনো ঘাটতি হবে না।
- 📌 আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামাল ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধির কারণে কোম্পানিগুলো দাম বাড়ানোর দাবি করেছে।
- 📌 বাণিজ্যসচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী ও বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান নাসির উদ দৌলা বৈঠকে অংশ নিয়েছেন।
📰 বিস্তারিত
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির আজ বুধবার সচিবালয়ে আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকের আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, ভোজ্যতেলের দাম সমন্বয় নিয়ে ব্যবসায়ীদের কোনো প্রস্তাব রয়েছে কিনা এবং রমজানের আগে তেলের দাম বাড়ানো হবে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি দাম বৃদ্ধির কোনো পরিকল্পনা নেই বলে নিশ্চিত করেন। বৈঠকে অংশ নেন বাণিজ্যসচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান নাসির উদ দৌলা এবং মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।
দেশের ভোজ্যতেল উৎপাদন ও পরিশোধনকারী কোম্পানিগুলো বাজারে বোতলজাত ও খোলা সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটার ১৪ টাকা বাড়াতে চায়। তারা আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের দাম এবং দেশে জ্বালানির দাম ও পরিবহন ভাড়া বৃদ্ধির কারণে দাম বাড়ানোর দাবি করেছে। বর্তমানে বাজারে বোতলজাত প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ২০৪ টাকা। কোম্পানিগুলো দাম বাড়িয়ে ২১৮ টাকা করতে চায়। এছাড়াও পাঁচ লিটারের সয়াবিন তেলের বোতলের দাম বাড়িয়ে ১ হাজার ৭০ টাকা এবং খোলা সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটার ১৮৫ টাকা থেকে ১৯৯ টাকা করার আবেদন করেছে তারা।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, রোজার পণ্য পরিস্থিতি পর্যালোচনা হচ্ছে। আসন্ন পবিত্র রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে পর্যাপ্ত পণ্য আমদানির পাইপলাইনে রয়েছে। তিনি বলেন, ভোজ্যতেল, ছোলা, ডাল ও চিনিসহ আমদানিনির্ভর পণ্যের সরবরাহ এবং আসন্ন রমজানের সম্ভাব্য চাহিদা বিবেচনায় সরকার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেছে। বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির পাইপলাইনে পর্যাপ্ত পরিমাণে রয়েছে। পাইপলাইনে যে পরিমাণ পণ্য রয়েছে, তা বাজার স্থিতিশীল রাখার জন্য যথেষ্ট।
বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের মূল্য এবং জাহাজভাড়ার ওঠানামা আমদানি ব্যয় ও দেশের বাজারে পণ্যের দাম নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি বলেন, ঋণপত্র (এলসি) খোলায় সমস্যা হলে সরকার ব্যবস্থা নেবে। ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে বড় ধরনের কোনো প্রতিবন্ধকতার অভিযোগ পাওয়া যায়নি। কোনো আমদানিকারক এলসির মার্জিন বা অন্য কোনো ব্যাংকিং জটিলতায় পড়লে বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
"আন্তর্জাতিক বাজারে ছোলার দাম কিছুটা বেড়েছে। এ বিষয়ে আমদানিকারকদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। পণ্যের সরবরাহব্যবস্থা নিরবচ্ছিন্ন রাখা এবং বাজারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সরকার সতর্ক রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ (সচিবালয়)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, বাণিজ্যসচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান নাসির উদ দৌলা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০৪ টাকা (বর্তমান দাম), ২১৮ টাকা (দাবি করা দাম), ১ হাজার ৭০ টাকা (পাঁচ লিটারের বোতল), ১৯৯ টাকা (খোলা তেলের দাবি করা দাম)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!