📅 ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:২১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মোটরসাইকেল আমদানিতে জটিলতা: শব্দমাত্রা নিয়মে আটকে গেলো হর্নের চালান

মোটরসাইকেল আমদানিতে জটিলতা: শব্দমাত্রা নিয়মে আটকে গেলো হর্নের চালান

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা ২০২৫-এর কারণে মোটরসাইকেলের হর্নের শব্দমাত্রা ৮৫ ডেসিবেলের বেশি থাকলে আমদানি নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে বন্দরে মোটরসাইকেলের যন্ত্রাংশের ১০টিরও বেশি চালান আটকে পড়েছে। খাতের কর্মকর্তারা বলছেন, নতুন নিয়মের কারণে কারখানা বন্ধের আশঙ্কা রয়েছে

মোটরসাইকেল খাতের জন্য নতুন শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা একটি বড় চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে। শব্দমাত্রা নিয়ন্ত্রণে নতুন নিয়মের কারণে দেশের মোটরসাইকেলের হর্নের চালান বন্দরে আটকে পড়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২৫ অনুযায়ী, দুই বা তিন চাকার হালকা যানের হর্নের সর্বোচ্চ অনুমোদিত শব্দমাত্রা ৮৫ ডেসিবেল নির্ধারণ করা হয়েছে। মাঝারি যানের জন্য ৯০ ডেসিবেল এবং ভারী যানের জন্য ১০০ ডেসিবেল নির্ধারণ করা হয়েছে। এই বিধিমালা গত ২৪ নভেম্বর জারি করা হয়েছিল।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৮৫ ডেসিবেলের বেশি শব্দমাত্রা থাকলে মোটরসাইকেলের হর্নের আমদানি নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
  • 📌 বন্দরে ১০টিরও বেশি চালান আটকে পড়েছে — যন্ত্রাংশের আমদানি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
  • 📌 বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেডের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা শাহ মোহাম্মদ আশেকুর রহমান বলেছেন, নতুন নিয়ম আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
  • 📌 বিপ্লব কুমার রায় পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আওয়াল মিন্টুকে চিঠিতে বলেছেন, শব্দমাত্রা পুননির্ধারণ না হলে মোটরসাইকেলের যন্ত্রাংশ রপ্তানি জটিলতা সৃষ্টি হবে।
  • 📌 ২০২২ সালের ১৬ মার্চ ঢাকা গবেষণাগারে পরীক্ষায় ১৩টি মোটরসাইকেলের হর্নের শব্দমাত্রা সর্বনিম্ন ৮৪.৮ ডেসিবেল থেকে সর্বোচ্চ ১১৬ ডেসিবেল পাওয়া গিয়েছিল।
  • 📌 জাপান ও ভারতের মতো দেশের তুলনায় বাংলাদেশের শব্দমাত্রা নিয়ম খুব কঠোর বলে মনে করছেন খাতের কর্মকর্তারা।

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা ২০২৫ জারি করার পর থেকে মোটরসাইকেল খাতের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ শুরু হয়েছে। গত ২৪ আগস্ট জারি করা আমদানি নীতি আদেশে (২০২৬–২৯) শব্দমাত্রা নিয়ন্ত্রণ বিধিমালায় নির্ধারিত মাত্রার বাইরে থাকা হর্নের আমদানি নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে বন্দরে মোটরসাইকেলের যন্ত্রাংশের চালান আটকে পড়েছে। খাতের কর্মকর্তারা বলছেন, যন্ত্রাংশের আমদানি আটকে গেলে কারখানাগুলো বন্ধ হয়ে যাবে।

বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেডের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা শাহ মোহাম্মদ আশেকুর রহমান প্রথম আলোকে বলেছেন, ‘বাংলাদেশে নতুন করে সর্বোচ্চ ৮৫ ডেসিবেল নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। নতুন নিয়মের কারণে মোটরসাইকেল আমদানি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।’ তিনি আরও বলেছেন, দেশে মোটরসাইকেল সংযোজন ও উৎপাদনকারী ১০টি কোম্পানি রয়েছে। যন্ত্রাংশের বেশিরভাগ আমদানি করা হয়।

বাংলাদেশ মোটরসাইকেল এসেম্বলার্স অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব কুমার রায় পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আওয়াল মিন্টুকে দেওয়া এক চিঠিতে বলেছেন, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালায় নির্ধারিত মানমাত্রা পুননির্ধারণ করা প্রয়োজন। তিনি বলেছেন, তা না হলে বাংলাদেশে মোটরসাইকেলের যন্ত্রাংশ রপ্তানি করার ক্ষেত্রে আকস্মিক সমস্যা ও জটিল পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটবে।

পরিবেশ অধিদপ্তরের ঢাকা গবেষণাগারে ২০২২ সালের ১৬ মার্চ বিভিন্ন কোম্পানির ১৩টি মডেলের মোটরসাইকেলের হর্নের শব্দমাত্রা পরীক্ষা করা হয়েছিল। পরীক্ষায় সাত মিটার দূরত্বে হর্নের শব্দমাত্রা পাওয়া যায় সর্বনিম্ন ৮৪.৮ ডেসিবেল ও সর্বোচ্চ ৯৯.২ ডেসিবেল। আর শূন্য দশমিক ৫ মিটার দূরত্বে শব্দমাত্রা ছিল ১০১.১ থেকে ১১৬ ডেসিবেল।

মোটরসাইকেল বিপণনকারীরা বলছেন, ভারতে মোটরযানে হর্নের শব্দমাত্রা ৯৩ ডেসিবেল থেকে ১১২ ডেসিবেল পর্যন্ত নির্ধারণ করা রয়েছে। থাইল্যান্ডে তা ৯৩ থেকে ১১২ ডেসিবেল। জাপানের ইয়ামাহা ব্যান্ডের মোটরসাইকেল বিপণনকারী এসিআই মোটরসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুব্রত রঞ্জন দাস বলেছেন, ‘জাপানের মতো উন্নত দেশ বুঝেশুনেই শব্দমাত্রা নির্ধারণ করেছে। বাংলাদেশের বাস্তবতা মেনে একটি গ্রহণযোগ্য মাত্রা নির্ধারণ করা জরুরি। তিনি বলেন, দেশের শব্দদূষণের ক্ষেত্রে মূল সমস্যা হাইড্রোলিক হর্ন। সেটা মোটরসাইকেলে কমই ব্যবহার করা হয়। হাইড্রোলিক হর্ন বন্ধ করা জরুরি। তিনি আরও বলেন, কোনো শিল্পের ক্ষেত্রে নীতিমালা ঘন ঘন পরিবর্তন করা উচিত নয়। এতে বিনিয়োগকারীরা নিরুৎসাহিত হন।

"বাংলাদেশে নতুন করে সর্বোচ্চ ৮৫ ডেসিবেল নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। নতুন নিয়মের কারণে মোটরসাইকেল আমদানি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।"
"জাপানের মতো উন্নত দেশ বুঝেশুনেই শব্দমাত্রা নির্ধারণ করেছে। বাংলাদেশের বাস্তবতা মেনে একটি গ্রহণযোগ্য মাত্রা নির্ধারণ করা জরুরি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শাহ মোহাম্মদ আশেকুর রহমান, বিপ্লব কুমার রায়, সুব্রত রঞ্জন দাস, আবদুল আওয়াল মিন্টু
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৫ ডেসিবেল, ৯০ ডেসিবেল, ১০০ ডেসিবেল, ২৪ নভেম্বর, ২৪ আগস্ট, ২০২৬–২৯, ১০টি কোম্পানি, ১৬ মার্চ, ১৩টি মডেল, ৮৪.৮ ডেসিবেল, ১১৬ ডেসিবেল

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖