📌 সরকার ভ্যাট আদায় বৃদ্ধির লক্ষ্যে মাসিক ভ্যাট রিটার্ন ও পেমেন্ট জমা দেওয়ার ব্যবস্থা পুনর্বহাল করেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুমোদিত নতুন অধ্যাদেশে তিন মাসের পরিবর্তে মাসিক ভ্যাট ফাইলিং বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের প্রতি মন্ত্রিসভা অভিনন্দন জানিয়েছে
সরকার ভ্যাট আদায় বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে মাসিক ভ্যাট রিটার্ন ও পেমেন্ট জমা দেওয়ার ব্যবস্থা পুনর্বহাল করেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে আজ সোমবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬-এর খসড়া অনুমোদিত হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তিন মাসের পরিবর্তে মাসিক ভ্যাট ফাইলিং ও পেমেন্ট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **মাসিক ভ্যাট ফাইলিং বাধ্যতামূলক**: সরকার আগের মাসিক ভ্যাট রিটার্ন ও পেমেন্ট ব্যবস্থা পুনর্বহাল করেছে।
- 📌 **৬৪ নং ধারা সংশোধন**: মূল্য সংযোজন কর আইনের ৬৪ নং ধারা সংশোধনের মাধ্যমে মাসিক ভ্যাট ফাইলিং বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
- 📌 **১৫ দিনের মধ্যে জমা**: প্রতি কর মেয়াদ শেষ হওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে ভ্যাট রিটার্ন জমা দিতে হবে। সরকারি ছুটি থাকলে পরবর্তী কার্যদিবসে জমা দেওয়া যাবে।
- 📌 **২০ দিনের সুবিধা**: সরকারি, আধা-সরকারী সংস্থা, ব্যাংক, বিমা ও শূন্য রিটার্ন দাখিলকারী প্রতিষ্ঠান ২০ দিনের মধ্যে রিটার্ন জমা দিতে পারবে।
- 📌 **জাতিসংঘের অভিনন্দন**: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে অংশগ্রহণের প্রতি মন্ত্রিসভা অভিনন্দন জানিয়েছে।
- 📌 **বিশ্বের ইতিহাসে অনন্য ঘটনা**: একই পরিবারের তিনজন (জিয়াউর রহমান, তারেক রহমান, খালেদা জিয়া) জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
📰 বিস্তারিত
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, মাঠপর্যায়ে রাজস্ব আদায়ে গতিশীলতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইনের ৬৪ নং ধারা সংশোধনের জন্য নতুন অধ্যাদেশ অনুমোদিত হয়েছে। খসড়ায় উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতি তিন মাসের পরিবর্তে মাসিক ভ্যাট ফাইলিং বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সরকারি ছুটি থাকলে পরবর্তী কার্যদিবসে রিটার্ন জমা দেওয়া যাবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সরকারের কাছে এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আবেদন জানিয়েছিল। তারা দাবি করেছিল, ত্রৈমাসিক ভ্যাট দাখিল ব্যবস্থা ভ্যাট আদায়কে মন্থর করেছে।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের অংশগ্রহণকে মন্ত্রিসভা বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ বলে অভিহিত করেছে। ২৪ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী ভাষণ দিয়েছেন। ইতিপূর্বে তাঁর বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৮০ সালের ২৬ আগস্ট এবং মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ১৯৯৩ সালের ১ অক্টোবর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ভাষণ দিয়েছিলেন।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, চার দিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী ৩২টি আন্তর্জাতিক কর্মসূচি ও সভায় অংশ নিয়েছেন। তিনি সাতটি উচ্চপর্যায়ের সভায় ভাষণ দিয়েছেন, ১১টি দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন এবং জাতিসংঘসহ ১০টি আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
"জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সরকারের অঙ্গীকার ও প্রত্যাশাকে বিশ্ব পরিসরে তুলে ধরেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৪ (ধারা), ১৫ (দিন), ২০ (দিন), ৮১ (তম অধিবেশন), ২৪ (সেপ্টেম্বর), ২৬ (আগস্ট), ১১ (তম বিশেষ অধিবেশন), ১ (অক্টোবর), ৪৮ (তম অধিবেশন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!