📌 মাগুরার এক আবাসিক গ্রাহকের ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিলে ৫০৬ কোটি টাকা ধরা পড়েছে। মিটার সিল নম্বর ভুলভাবে পোস্টিং হওয়ায় এই অস্বাভাবিক বিল তৈরি হয়। বিদ্যুৎ সমিতি সংশোধন করে বিল জারি করেছে এবং ঘটনার পেছনের দায়িত্বদারদের তদন্তের কথা জানিয়েছে
মাগুরা সদর উপজেলার মঘি ইউনিয়নের কেচুয়াডুবি গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক শহীদুল ইসলামের স্ত্রী মোছা. আলেয়া খাতুনের নামে মাত্র ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিলে ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকা ধরা পড়েছে। এই অস্বাভাবিক বিলের কারণে গ্রাহক ও পরিবারের সদস্যরা বিস্মিত হয়ে পড়েছেন। বিষয়টি এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মাগুরা সদর উপজেলার মঘি ইউনিয়নের কেচুয়াডুবি গ্রামের মোছা. আলেয়া খাতুনের ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিলে ৫০৬ কোটি টাকা ধরা পড়েছে
- 📌 বিলে ডিমান্ড চার্জ ধরা হয়েছে ৪৮২ কোটি ৬৯ লাখ ৬৩ হাজার ৪২২ টাকা, ভ্যাট ২৪ কোটি ১৩ লাখ ৪৮ হাজার ১৭১ টাকা
- 📌 প্রকৃত বিল হওয়ার কথা ছিল মাত্র ১ হাজার ৯৬৩ টাকা, বিলম্ব মাশুলসহ ২ হাজার ৫৬ টাকা
- 📌 মিটার পরিবর্তনের সময় সিল নম্বর ভুলভাবে পোস্টিং হওয়ায় অস্বাভাবিক বিল তৈরি হয়েছে
- 📌 মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি বিল সংশোধন করেছে এবং ঘটনার পেছনের দায়িত্বদারদের তদন্তের কথা জানিয়েছে
📰 বিস্তারিত
মোছা. আলেয়া খাতুনের নামে সেপ্টেম্বর ২০২৬ মাসের বিদ্যুৎ বিলে ২৩৫ ইউনিট ব্যবহারের বিপরীতে ৫০৬ কোটি টাকা ধরা পড়েছে। বিলে ডিমান্ড চার্জ ধরা হয়েছে ৪৮২ কোটি ৬৯ লাখ ৬৩ হাজার ৪২২ টাকা। এতে ২৪ কোটি ১৩ লাখ ৪৮ হাজার ১৭১ টাকা ভ্যাট এবং মিটার ভাড়া ১০ টাকা যোগ করে মোট বিল দাঁড়িয়েছে ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকা। বিলম্ব মাশুলসহ মোট অর্থের পরিমাণ ৫৩০ কোটি ৯৬ লাখ ৫৯ হাজার ৭৬৪ টাকা হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
গ্রাহক শ্রেণি হিসেবে ‘এলটি-এ (আবাসিক)’ উল্লেখ করা হয়েছে। বিলটি ১০ সেপ্টেম্বর ইস্যু করা হয় এবং পরিশোধের শেষ তারিখ ২৯ সেপ্টেম্বর উল্লেখ করা হয়েছে।
গ্রাহক মোছা. আলেয়া খাতুন বলেছেন, “এটি শুধু ভুতুড়ে বিল নয়, আজগুবিও। বিদ্যুৎ বিভাগের এমন ভুলের কারণে গ্রাহকদের দুশ্চিন্তা ও ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। এ ধরনের ভুলের প্রতিকার হওয়া প্রয়োজন।”
মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আড়পাড়া জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মো. রেজাউল করিম জানান, মিটার পরিবর্তনের সময় ভুলবশত মিটারের সিল নম্বরের ডিজিটগুলো ডিমান্ড চার্জের ঘরে পোস্টিং হয়ে যায়। এ কারণে অস্বাভাবিক অঙ্কের বিল তৈরি হয়েছে। পরে বিলটি সংশোধন করে গ্রাহকের কাছে দেওয়া হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে তদন্তের মাধ্যমে তাদের শনাক্ত করে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মো. মহিতুল ইসলামও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, টাইপিংয়ের ভুলের কারণে বিলটি এভাবে তৈরি হয়েছিল। পরে তা সংশোধন করে দেওয়া হয়েছে এবং গ্রাহক বিল পরিশোধ করেছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
"এটি শুধু ভুতুড়ে বিল নয়, আজগুবিও। বিদ্যুৎ বিভাগের এমন ভুলের কারণে গ্রাহকদের দুশ্চিন্তা ও ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। এ ধরনের ভুলের প্রতিকার হওয়া প্রয়োজন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মাগুরা সদর উপজেলা, মঘি ইউনিয়ন, কেচুয়াডুবি গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোছা. আলেয়া খাতুন, ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. রেজাউল করিম, জেনারেল ম্যানেজার মো. মহিতুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ, ৫০৬ কোটি টাকা বিল, ৪৮২ কোটি ডিমান্ড চার্জ, ২৪ কোটি ভ্যাট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!